Category: অকোটাভুক্ত

0

রায়হান হত্যাকাণ্ডে জড়িত পুলিশদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী

সিলেটের রায়হান হত্যাকাণ্ডে জড়িত নরপশু পুলিশদের শাস্তির দাবী জানিয়েছে ‘প্রাউড টু বি সিলেটি ইউকে’ নামের এক ওয়াট্স এপ গ্রুপ। সিলেট শহরে পুলিশের হেফাজতে থেকে পুলিশেরই নির্যাতনে নিহত রায়হানের মৃত্যুতে তারা গভীর শোক ও সমবেদনা এবং হত্যাকাণ্ডের...

0

স্বামী রাঁধছেন মাংস, বাড়ি ছেড়ে পালালেন স্ত্রী

মুক্তকথা সংগ্রহ।। এও কি সত্য? বিশ্বাস করতে মন চায় না। মনে হয় এসব খবর ব্যবসায়ীদের বানানো চমকবাজী। মানুষের হৃৎকম্প সৃষ্টিকারী খবর সংগঠিত না হলে খবর ব্যবসায়ীরা এমনসব ঘটনা বানিয়ে নেয় বলে শুনেছি। কতটা সত্য শুনেছি তা...

0

সুধাংশু সোমকে পাওয়া যাচ্ছে না!

মুক্তকথা সংগ্রহ।। মৌলভীবাজার, গত ১৭ অক্টোবর সকাল ১১ ঘটিকার সময় সুধাংশু সোম(৫৮)নামে এক ব্যক্তি সৈয়ারপরস্থ শ্বসান ঘাট সংলগ্ন মনু নদীতে গোসল করতে নামার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে আর পাওয়া যায়নি। শহরের দমকল বাহিনীকে খবর দিলে, মৌলভীবাজার...

0

কমলগঞ্জের দিনলিপি-

নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর কিশোরী উদ্ধার কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার শমশেরনগর বাজারের আব্দুল মছব্বির রোডের লেবু মিয়ার বাসা থেকে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর এক কিশোরীকে (১৬)...

0

শমশেরনগরে নতুন হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরে ১০ শয্যা বিশিষ্ট নতুন হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টায় শমশেরনগর-মৌলভীবাজার সড়কের পাশে মরাজানেরপারস্থ এলাকায় শমশেরনগর হাসপাতাল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি প্রশাসনিক ভবনের...

0

দিবস পালন, ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন, দায়ীত্ব পালনের প্রশংসাপত্র

দেশব্যাপী ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: সারাদেশে ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়েছে। সোমবার বিকাল ৩টায় কমলগঞ্জ উপজেলা চৌমুহনী চত্বরে কমলগঞ্জ উপজেলা ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা...

0

শ্রীমঙ্গলে সমাজকল্যাণ সচিব। জাতীয়পার্টির প্রাক্তন উপজেলা যুগ্নসম্পাদক মারা গেলেন

উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদের ইন্তেকাল সৈয়দ ছায়েদ আহমদ: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল বিরাইমপুর আউট সিগ্যানাল এর বাসিন্দা ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক ও পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) সদস্য শহীদুল ইসলাম শহীদ...

0

এই জন জনপদে-

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করেছে হাজীপুর সোসাইটি, কুলাউড়া। এ উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে রোববার দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত...

0

ইটা-চোয়াল্লিশের দিনলিপি-

মৌলভীবাজারে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বনমন্ত্রী জেলায় সীমিত আকারে পূজা উদযাপনের সিদ্বান্ত মৌলভীবাজার প্রতিনিধি।। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে মৌলভীবাজার জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা শুক্রবার সার্কিট হাউসের মুন হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজার, মীর নাহিদ আহসানের...

0

আদালতের নির্দেশে কমলগঞ্জে ৫ মাস পর কবর থেকে তরুণীর লাশ উত্তোলন

লিখছেন কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার থেকে প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ।। সড়ক দূর্ঘটনা নয়, মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, মায়ের অভিযোগে আদালতের নির্দেশে লাশ দাফনের প্রায় ৫ মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুরস্থ গুড নেইবারস বাংলাদেশ মৌলভীবাজার সিডিপির...

0

মনুকূলের কান্না-কাহিনী-

মৌলভীবাজারে পরিকল্পনা মন্ত্রীর কাছে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি মৌলভীবাজার অফিস।। ১২ দফা দাবিতে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা পরিকল্পনা মন্ত্রীর কাছে স্মারক লিপি দিয়েছে। শনিবার দুপুরে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজে সন্ত্রাস, মাদক, জঙ্গিবাদ ও গুজব বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে...

0

খাসিয়া পানের দরে আগুন, ৭শ টাকার পান এখন ২হাজার টাকা

কুড়ি প্রতি ৭শ টাকার পান এখন বিক্রি হয় ২ হাজার টাকায় মৌলভীবাজারে অসময়ে খাসিয়া পানে আগুন! আব্দুল ওয়াদুদ।। পাহাড়ি এলাকা অধ্যুষিত ও পানের ভান্ডারখ্যাত মৌলভীবাজারে খাসিয়া পানের দর আকাশ চুম্বী বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অসময়ে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায়...

0

‘রি ইউনিয়ন’ দ্বীপে বাঘা সার্ক মাছের পেটে বৃটিশ ভ্রমণকারী

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। ‘রি ইউনিয়ন’ নামের দ্বীপসাগরে সাঁতার কাটার সময় গত সপ্তাহে একজন বৃটিশ ভ্রমণকারী নিরুদ্দেশ হয়েছিলেন, মনে করা হচ্ছে তাকে বাঘা সার্কে খেয়ে ফেলেছে। এমন মনে করার কারণ হলো ওখানে কয়েকটি বাঘা সার্ক মাছ ধরা পড়েছে।...

0

কমলগঞ্জের দিনলিপি

কমলগঞ্জের দিনলিপি লিখেছেন-  প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ কমলগঞ্জে স্লুইসগেইট নির্মাণে অবকাঠামো ভুলের কারণে সৃষ্ট নদী ভাঙ্গন প্রতিকারের দাবীতে ইউএনও’র কাছে কৃষকদের স্মারকলিপি পেশ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের নয়াপত্তন ও কোনাগাঁও গ্রামের মধ্যবর্তী ২০০৬ সালে এলজিইডি কর্তৃক...

0

কমলগঞ্জের দিনলিপি-

লিখছেন প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ দু’টি হত্যা, একটির কারণ জানা যায়নি আগের খবরের জের ধরে- কমলগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জেরে চা শ্রমিককে হত্যা দুই হত্যাকারীকে কারাগারে প্রেরণ পূর্ব বিরোধের জের ধরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পদ্মছড়া চা...

0

অর্থনীতিতে দ্বিতীয়বারের মত নোবেল বিজয়ী হলেন আরেকজন বাঙালি

অর্থনীতিতে এবারও নোবেল পুরষ্কার পেলেন একজন বাঙালি আবারও নোবেল পেলেন একজন বাঙ্গালী এবং অর্থনীতিতেই। এবার নোবেল পেলেন বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দোপাধ্যায়। অবিস্মরণীয় এই ঘটনা। বাঙালির মেধা ও মনন বিশ্বসেরা; সেটা আবারও প্রমাণ করলেন বিনায়ক। অভিজিতের...

0

বিলেতে বাঙ্গালী-

বিলেতে বাংগালীর রঙ্গীন জীবন কার্ডিফে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনসূলার সার্ভিস শুরু প্রতিবছর চারটি সার্ভিস দেওয়ার সীদ্ধান্ত লিমন ইসলাম।। বৃটেনের কার্ডিফ শহরের “দি হ্যাভ কমিউনিটি সেন্টারে” গত শনিবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা অবধি বিপুল সংখ্যক জনসাধারণের অংশগ্রহণে...

0

কমলগঞ্জের কতকথা-

কমলগঞ্জের কতকথা লিখছেন প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ কাজের স্বীকৃতি পেলেন কমলগঞ্জ থানার ওসি(তদন্ত) সুধীন চন্দ্র দাশ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মনোনীত হয়েছেন কমলগঞ্জ থানার ওসি(তদন্ত) সুধীন চন্দ্র দাশ। গত বৃহস্পতিবার,...

0

চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলের শতকথা-

শ্রীমঙ্গল থেকে লিখছেন- সৈয়দ ছায়েদ আহমদ দায়ের কোপে আহত শামসু মিয়ার মৃত্যু সম্প্রতি চা শ্রমিকদের দায়ের কুপে আহত শ্রীমঙ্গলের শামসু মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন। তুচ্ছ ঘটনায় চা শ্রমিকদের দায়ের কুপে আহত শামসু মিয়া(৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায়...

0

বাঙ্গালীর সব্জি তরকারী ও ‘ভেজেটেবুল সুপ’ কাহানী!

মুক্তকথা সংবাদ।। বাঙ্গালীদের প্রধান খাদ্যের একটি সব্জি তরকারী। দু’তিন পদের বিভিন্ন সব্জি একত্রে উপযুক্ত মশল্লা দিয়ে রান্না করে বাংগালীরা তৃপ্তি সহকারে তাদের ভোজন রসনা মিটায়। এই সব্জি তরকারী বহুজাতের সব্জি দিয়ে বিভিন্ন স্বাদে পাক করা হয়ে...

0

প্রয়াতমন্ত্রী সাইফুর রহমানের জন্মবার্ষিকী, আওয়ামীলীগের গণসংযোগ ও ভোক্তা অভিযান

মৌলভীবাজারে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের  ৮৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত আব্দুল ‌ওয়াদুদ।। সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে মৌলভীবাজারে। মরহুমের জন্ম দিন (৬ অক্টোবর) উপলক্ষে শনিবার নানা কর্মসূচী...

0

হত্যা মামলার আসামী গ্রেপ্তার, দালাল আটক ও ভুক্তা অধিকারের অভিযান

হত্যা মামলার আসামী গ্রেপ্তার আব্দুল ওয়াদুদ।। মৌলভীবাজার শহরের কুসুমবাগ এলাকা থেকে হত্যা মামলার এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে রেব-৯, সিপিসি-২(শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প)। গত সোমবার দিবাগত রাতে ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিমান চন্দ্র কর্মকারের নেতৃত্বে ওই...

0

স্বাস্থ্য নিকেতনের উদ্বোধন, সাইফুর রহমানের ৯বম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ৯ম মৃত্যু বার্ষিকী আব্দুল ‌ওয়াদুদ, মৌলভীবাজার।। সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক বর্ষীয়ান নেতা মরহুম এম সাইফুর রহমানের ৯ম মৃত্যু বার্ষিকী (৫ সেপ্টেম্বর) আজ। ৯ম মৃত্যুবাষির্কী উপলক্ষে নানা...

0

জোরদাবী মেডিকেল কলেজ চাই, ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার, কৃতি সম্বর্ধনা ও অভিষেক

মৌলভীবাজার অফিস।। মেডিকেল কলেজ চাই সকলের জোরদাবী, এ নিয়ে শুরু হয়েছে গণস্বাক্ষর, সভা-সমাবেশ। এরই ফাঁকে হয়েছে কৃতি শিক্ষার্থী সম্বর্ধনা, হয়েছে ছাত্রকল্যাণ পরিষদ বাছিরপুরের অভিষেক ও কমিটি গঠন। সভাপতি হয়েছেন সাজেদুল, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ। বসে নেই পুলিশ প্রশাসনও। ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে একজনকে। এ নিয়েই দিন যায় এই জন-জনপদের।

0

দলিল লেখক আব্দুল মছব্বিরের জীবনাবসান, সড়ক সচেতনতার উপর প্রচারপত্র বিলি, খালেদা জিয়ার মু্ক্তি চেয়ে দোয়া

মৌলভীবাজার অফিস।। দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুল মছব্বিরের জীবনাবসান। সিলেটের একটি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘ তিরিশ-পয়ত্রিশ বছর তিনি এ পেশায় জড়িত ছিলেন। মছব্বির একসময় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সহযোগী ছিলেন। এদিকে মৌলভীবাজারে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় সায়রা মহসিনের পক্ষে মাঠে নেমেছে ‘ওয়াটস এপ গ্রুপ’ নামে একটি বায়বীয় ওয়েব ভিত্তিক সংগঠন। এমপি সায়রা মহসিন তাদের হয়ে সড়কে সচেতনতার উপর প্রচারপত্র বিলি করেছেন। একই সময়ে স্থানীয় জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। কারাবন্দী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি প্রার্থনা করে এ আয়োজনে দোয়া করা হয়।

ফেইচবুক থেকে

প্রবন্ধ

স্বেচ্চাসেবা

কয়ছর আহমদ

দয়া, মায়া, কোমল হৃদয় দিয়ে হাসি মুখে কারো দিকে তাকানো, কিংবা কারো বিপদে আপদে  উদার হস্ত প্রসারিত করে নীপিড়ীত, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং বিনিময়ে কোন প্রতিদান আশা না করে; তবে এটাই হচ্ছে সব চেয়ে উত্তম চ্যারিটি। চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা একটি মহৎ কাজ। আমরা বলি দান বা সাহায্য। আরবিতে এটিকে বলা হয় জাকাত, ছদকা।  সম্পদ দান করলে তাতে সম্পদের কোনো ক্ষয় হয় না বরং বৃদ্ধি পায়, এমন কথা বহু ধর্মে আছে। সম্পদকে পবিত্র করতে হলে  অব্যশই স্বেচ্ছাসেবায় দান করতেই হবে। জন্ম থেকে যে জ্ঞান, শক্তি ও সম্পদ মানুষ পেয়েছে তা অব্যশই মানবতার কল্যানে ব্যয় করতে হবে। একজন বিত্তবানের ঘরে যদি পর্যাপ্ত খাদ্য মওজুদ থাকে আর তার  প্রতিবেশী যদি অনাহারে ভুখা থাকে, তা হলে তার সে  খাদ্য পবিত্র হবেনা। একজনের উচ্ছিষ্ট্য খাবার,  আপনি চেয়ার-টেবিলে বসে অনেক আইটেম দিয়ে আহার গ্রহণ করলেন, আর বাড়ীর চাকর-বাকর, গরীব মিসকীনদেরকে মাঠিতে বসায়ে খাওয়ালেন। এটি মানবতার অপমান। একজন মানুষের পুরানো কাপড়, কিংবা পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র যা তিনি ব্যবহার না করেন, তা দান করলে তাতে কোন পূণ্য বা প্রতিদান নাই। নিজে যা পড়েন, নিজে যে খাদ্য গ্রহণ করেন, চ্যারিটি হিসাবে তাহাই দান করা উত্তম সেবা। অর্থাৎ উত্তম বস্তু দান করাই উত্তম কাজ। ভালো কাজের প্রতিদান ভালো ছাড়া আর কী হতে পারে।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান ভাবে দেখার মতো মন-মানসিকতা অর্জন করা সবচেয়ে বড় কাজ। ‘লোক দেখানোর মন-মানসিকতা নিয়ে কোনো কাজ না করাই উত্তম।’  তোমাদের মনে যা আছে, তোমরা প্রকাশ করো অথবা গোপন রাখো, আল্লাহ উহার হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন।  সুতরাং আমাদের লক্ষ্যের কারণে আমাদের অনেক ভালো কাজ যাতে ব্যর্থ না হয়, তার জন্য আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।

চ্যারিটি নিজের ঘর থেকেই শুরু করা সবচেয়ে মূল্যবান কাজ। যেকোন মানুষ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে একটা পটে কিছু সঞ্চয় করে কোনো অতি দরিদ্র লোককে সাহায্য করা, যেমন তার ঘর-বাড়ী নির্মাণ, সন্তানদের লেখা-পড়া কিংবা চিকিৎসার জন্য দান করার ভিন্ন নামই হচ্ছে চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা। এই মহৎ কাজে সমাজের অন্যান্য সক্ষম ব্যক্তিদেরকেও উৎসাহিত করা, সকলের সন্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এই মহৎ কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং এটাকে  প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। যাতে সমাজের অবহেলিত জনগণ এই অনুদানকে ব্যবহার করে নিজেকে সাবলম্বি করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং দরিদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো, পৃথিবীর সকল যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ সমূহে এক দিকে অন্যায় ভাবে মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে, মাতৃভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, আবার অন্য দিকে এই একই মানুষের অপর একটি অংশ নিজের জীবনকে বাজী রেখে সেখানে ঔষধ, পানি, খাবার নিয়ে আর্থ মানবতার সেবায় নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিচ্ছে, ঘর বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছে, অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এর চেয়ে উৎকৃষ্ট মহানুভবতা আর কী হতে পারে। যারা এই সমস্ত কাজে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে, এই পৃথিবীতে মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করা তাঁদের সার্থক।

প্রবাসী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ তাদের নিজ নিজ এলাকায় পবিত্র রমজান উপলক্ষে চাল, ডাল, তেল সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন, আবার অনেকেই মানুষের ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছেন। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে দান করার প্রবণতা অনেকটা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা খুবই ভালো লক্ষন। আবার প্রবাসীদের মধ্যে অনেক প্রবীণ লোক আছেন, যারা অনেক কষ্ট করে দেশে সম্পদ গড়েছেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অনেকেই জানেননা তাঁদের এই সম্পদ এখন কি করবেন। কারণ ছেলে মেয়েরা এই সব বিষয়ে আগ্রহী নয়। নতুন প্রজন্মের এসকল মানুষদের তাঁদের অর্থ ও সম্পদ সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যানে সঠিক পথে দান করার জন্য তাঁদেরকে আগ্রহী করে তুলতে পারলে এবং  সততা, আন্তরিকতা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার সাথে সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে গরীব মানুষের উন্নয়ন করতে পারলে তবেই না সমাজের জন্য কিছু করা হলো বলে দাবী করা যাবে।
যারা দেশান্তরীত হয়ে বিদেশের মাটিতে আসেন তাদের প্রায় সকলেই নিজেদের জন্মভুমি ত্যাগ করে  শূন্য হাতে পরবাসী হয়ে থাকেন। এখন তারা তাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন, নিজেদের সন্তানদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। আমাদের সকলকে অব্যশই মনে রাখতে হবে যে, এই সমস্ত দেশে যদি আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, সুষম বন্টন, সমতা, সবার জন্য সমান শিক্ষা, চিকিৎসা, সম অধীকার, ধর্ম নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, বৈষম্যহীন সমাজ এবং সম্পদের সুষম বন্টন অর্থাৎ রাষ্টের উন্নয়নের ফসল সমাজের গরীব ও অবহেলিত জনগণের মধ্যে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকতো, তা হলে কোন প্রবাসী মানুষের জন্যই  প্রবাসে থাকা সম্ভব হতোনা; সম্পদের অধিকারীও কেউ হতে পারতেন না।  মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে মানুষ যে চিত্র দেখতে পায় তা ভয়াবহ। ওসব দেশে মানুষকে পুরোদস্তুর  দাস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মহিলারা তাদের ইজ্জ্বত নিয়ে ফিরে আসতে পারছেনা।  যারাই সমাজের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চান, অবশ্যই এই সমস্ত বিষয় মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে।
এ বিশ্বের সকল শাস্ত্রই ন্যায়পরায়নতা, সদাচারণ ও আত্নীয় স্বজনকে দানের সুপারিশ করেছে এবং  নিষেধ করেছে অশ্লীলতা, অসৎ কর্ম ও সীমা লঙ্গন করতে। 

বদলে গেছে ধর্ম ইসলামের জন্মভূমি

মুক্তকথা নিবন্ধ।। ওহুদের যুদ্ধমাঠ, আরবীয়া। অন্যছবি খুঁজতে গিয়ে হঠাৎই পেয়ে গেলাম। হয়তো ভুলে যাবো আর কোনদিন এখানে দেয়া হবে না। তাই এখনি দিয়ে দিলাম। অত্যল্প ভিডিওখানা আমারই তোলা। ছবিতে আছে আমার ছেলে মাহমুদ ও নাতনি ইরা।
হঠাৎ দেখা সবকিছুই নয়নাভিরাম হয়। ঠিক তেমনি জীবনের প্রথম দেখা পাথরের পাহাড়বেষ্টিত ওহুদের মাঠ আমার কাছে অসাধারণ মুগ্ধকর এক প্রকৃতি মনে হয়েছিল। হয়তো প্রতিদিন যারা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছেন তাদের কাছে কোন কিছুই নয়। এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে উন্নয়নের নামে যে হারে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে সৌদিতে এতেকরে আজকের ওহুদ পাহাড়কে ভবিষ্যতে হুবহু দেখা যাবে কি-না অনেক সন্দেহ রয়েছে।

video

কারণ মানুষের সুবিধা করে দেয়ার আরেক অর্থই হলো ব্যবসা। যতই মানুষের আসা-যাওয়া বাড়বে ততই ব্যবসা বাড়ে। এসবে ধর্মের কিছুই যায় আসে না। মানব ধর্মের এই মহান ব্রত নিয়ে সৌদিরা দুনিয়ার মানুষের ঐতিহাসিক সেই ‘আরাফাতের ময়দান’কে আধুনিকায়ন করতে গিয়ে এমন নমুনায় বদলে দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে আর ‘ময়দান’ দেখা যাবে না। দেখা যাবে বিশাল এক প্রদর্শনী মাঠ। সৌদিদের টাকা ছিল, তারা পারতেন পুরো আরাফা পাহাড়বেষ্টিত এলাকাকে শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষনা দিয়ে তার বাইরের দিকে নগরায়ন করা। এতে করে কোটি কোটি তীর্থযাত্রী মানুষ তাদের নিজ নিজ আবেগ অনুভুতি দিয়ে এ মহাবিশ্ব নিঃশেষ হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত অনাদি অনন্তকাল দেখতে পারতো তাদের প্রানের সেই ঐতিহাসিক ‘আরাফাতের ময়দান’কে। পুরো আরাফাতের মাঠ এলাকাকে আছোঁয়া রাখাই ছিল সকল ধর্মমতামতের মধ্যে শ্রেষ্ট। এ কাজ কোনভাবেই দুঃসাধ্য কিছু ছিল না। এ বিশ্বে এমন সংরক্ষিত এলাকা শত শত আছে। আমাদের বাংলাদেশেই বণাঞ্চলের জন্য এমন সংরক্ষিত এলাকা দু’তিনটি আছে। আফ্রিকায় গোটা বাংলাদেশের মত একটি এলাকা সংরক্ষিত আছে শুধু বন্য পশু-পাখীর নিরাপদ চলাফেরার জন্য। নবী মোহাম্মদের স্মৃতি বিজড়িত আরবের সকল এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে রাখা সৌদিদের জন্য না পারার কিছুই ছিল না। কিন্তু ওই যে তাদের ওয়াহাবি মতবাদ! তাই মানুষের অন্তরের গভীরের আবেগ অনুভুতিবোধের ইসলামকে ওয়াহাবিরা বুঝে না, বুঝতে চায়ও না।

ওহুদ পাহাড়। ছবি: মুক্তকথা

 

আরাফাতের মাঠ! কিন্তু মাঠ কোথায়? এতো সব বাড়ী-ঘর! মাঠের ভেতরেই এ আয়োজন কেনো?  ছবি: মুক্তকথা

ধর্ম ইসলামের বাংলা দাড়ায় ‘শান্তি’। জীবনের সকল কর্মে শান্তি দুনিয়ার সকল মানুষের পরম আরাধ্য বিষয়। আন্তরিকভাবে শান্তি চায় না এমন মানুষ দুনিয়ার কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই শান্তির মাঝে মনের স্থায়ী শান্তি হলো আসল শান্তি। মানুষের মনে যে আবেগ কাজ করে, আবেগের সেই কথা বা স্থান যথোপযুক্ত মানে সংরক্ষিত আছে দেখে মানুষের মনে যে প্রশান্তি আসে সেই শান্তিই আসল শান্তি। বাদবাকী সব বাইরের চাকচিক্য বিনোদনে মানুষকে তৃপ্তি দেয় যা’কে ক্ষণিক শান্তি বলা যায়। মনের জগতে অপার অনন্ত স্থায়ী মানবিক শান্তি নয়। চাকচিক্য বিনোদন মানুষকে তৃপ্তি দেয় ফলে ব্যবসা হয় অফুরান। ধর্ম ইসলামের মূল কথা ব্যবসা নয় বরং শান্তি। মানব মনের বিশাল জগতকে স্থায়ী আনন্দের হিল্লোলে ভরে রাখতে পারে যে দেখা, যে ছবি, যে কথা তাকে শান্তির উৎস বলা যায়। সেই উৎসস্থল হিসেবে আরাফাতের মাঠ বিশ্ব মুসলমানদের কাছে নির্বাক হয়ে দেখার বিষয়, অসাধারণ সুন্দর এক ঐতিহাসিক প্রান্তরের ছবি যে ছবি দেখামাত্রই কথা বলে উঠে বিশ্বমানবতার মুক্তির। তাই সকল মানুষের মনে গভীর মমতায় স্থান করে নেয়া এমন স্থানকে উন্মুক্ত সংরক্ষিত করাই হলো মূলগতভাবে ইসলাম বা শান্তির কথা। ঐতিহাসিক মহাপবিত্র সেই স্থানকে সামনে রেখে হজ্জ্ব বা দেখার নামে ব্যবসা একেবারেই নীতিবিরুদ্ধ কাজ। যা সৌদিরা করে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে এমন ইসলাম বা শান্তি বিরোধী কাজ নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে তারা। এতে করে দুনিয়ার মানুষকে তারা শুধুমাত্র আরামপ্রিয় আবেগি ভ্রমণকারী হিসেবে গড়ে উঠার বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ধর্ম হলো আবেগ অনুভুতি বর্জিত জ্ঞানচর্চ্চাহীন কিছু কিংবদন্তী!
হারুনূর রশীদ, লণ্ডন সোমবার ৯ই ডিসেম্বর ২০১৯সাল

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদনের নানা রূপ

video

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্বাচন জেতার পর সম্ভবতঃ পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক অনুসারী কোন এক যুবতীর এমন নেংটা নৃত্যের আয়োজন করেন। ভিডিওটি দেখেই বুঝা যায় এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরী করা হয়েছে। নতুবা এমন ন্যাংটা নাচের আয়োজনের কারণ কি শুধুই লাম্পট্য? অবশ্যই না। এখানে অবশ্যই কিছু মানুষের মূলগত কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। নাচের এমন আয়োজন গোপনে হতে পারে। কিন্তু ভিডিও করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় স্পষ্টই বুঝা যায়, নিশ্চয়ই কোন না কোন উদ্দেশ্য রয়েছে। ভিডিওখানা দেখে বুঝার উপায় নেই এটি পাকিস্তানের না-কি ভারতের। তবে গানের কথায় পাকিস্তান শব্দটি রয়েছে এবং গানে উচ্চারিত হতে শুনা যায়। যেখানেরই হোক না কেনো এটি যে খুব একটি সুস্থতার পরিচায়ক নয় তা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একজন বান্ধব জানালেন, উদ্দেশ্য কিছুই না স্রেফ গুগলের বিজ্ঞাপন প্রাপ্তি! বিজ্ঞাপন তারা পেয়েছেন কি-না আমাদের আর জানার সৌভাগ্য হয়নি। অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষ কেমন হারে নিজের সংস্কৃতি থেকে বিচ্যুৎ হতে পারে ভিডিওখানা তারই একটি উপভোগ্য প্রমান। এ ছাড়াও নারী দেহের এমন কামরূপে উপভোগকেই মনে হয় অনাচার বলে। যেখানেই হোক এমন অনাচারটি ঘটেছে। কেউ আটকাতে যে পারেননি এটিই সত্য। নারীদের আমরা কি নমুনায় দেখতে চাই ভিডিও খানা তারও কিছুটা আভাস দেয়। সে নীতি হোক বা নীতিনৈতিকতাহীন হোক। যারা ভিডিওখানা তৈরী করেছেন তাদের আত্মিক উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বুঝা খুবই কঠিন। তবে বিগত পাকিস্তানী নির্বাচনের বেশ পরে কে বা কারা এটি আমাদের কাছে পাঠান। হয়তো তাদের উদ্দেশ্য ভারত বা পাকিস্তানকে একটু হাস্যকর হিসেবে তুলে ধরা। আমরা শুধু পাঠক সকলের সাথে এর মর্মে পৌঁছার লক্ষ্যে এখানে পত্রস্ত করলাম। হয়তো অনেকেরই কিছুটা সাময়িক বিনোদনের উৎস হলেও হতে পারে।

ইতিহাস ঐতিহ্য

ইস্তাম্বুলের রাজবাড়ী

video

ইস্তাম্বুলের ইতিহাসখ্যাত রাজমহল। সহজ কথায় রাজবাড়ী। এ বাড়ীর প্রতিটি ইট-পাথরের পরতে পরতে মিশে আছে ইতিহাসের গুঞ্জন। প্রায় ৪শত বছরের সাম্রাজ্য শাসন হয়েছে এখান থেকেই। কিন্তু রাজবাড়ীটি দেখে তেমন সান-শ‌ওকতের কিছুই পা‌ওয়া যাবে না। ইসলামী ধ্যান-ধারনার একটি জোরদার ছাপ রয়েছে রাজবাড়ীর আনাচে-কানাচে। হারেম বা মহল দেখতে অতীব সুন্দর কারুকার্যময় তবে সুপরিসর নয় বরং স্বল্পপরিসর। অনুমান ধর্মীয় বোধ কাজ করেছে এর নির্মাণে।

ইতিহাসখ্যাত বসফরাস প্রণালী

video

তুর্কীরা বলে 'মারমারা' সাগর। ইতিহাসের ইস্তাম্বুল শহর গড়ে উঠেছে 'বসফরাস প্রণালী'র উভয় তীর ঘিরে। এই বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণসাগর ও মারমারা সাগরকে যোগ করেছে। মারমারার প্রায় উত্তর তীর ঘেঁসে ইস্তাম্বুলের গড়ে উঠা। ইতিহাসের এক সময় এর নাম ছিল 'কন্স্টান্টিনোপুল'। ভিডিও: হারুন

বিশ্বমানুষের ঐতিহ্য দুনিয়ার সেরা সেরা গ্রামের একটি ‘বাইবারি’

বাইবারি

ইংল্যান্ডের দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত গ্লচেস্টারশায়ারের একটি গ্রাম “বাইবারি”। গ্রামের পাশদিয়ে প্রবাহিত কলন নদী।  ইংল্যান্ডের প্রাচীন দলিল-দস্তাবেজে বিশেষকরে বিজয়ী রাজা মহাবীর উইলিয়াম এর ১০৮৬ সালের ভূমি জরিপ হিসাবের খতিয়ান বই “ডোমসডে” পুস্তকে এই গ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছিল “বেচেবেরি” নামে। ১৩শ থেকে ১৭শ শতাব্দিতে নির্মিত প্রাচীন পদ্বতি ও নমুনার বহু বাড়ীঘর এই গ্রামে এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। “আর্লিংটন রো” এর ঘরগুলো প্রথম নির্মিত হয়েছিল ১৩৮০সালে। বিশ্বেস করা যায় যে এগুলো আজও দাঁড়িয়ে আছে। এখানের ট্রাউট মাছের খামার অনেক পুরনো। এখন বছরে ৬০ লাখ ট্রাউট পোনা উৎপাদিত হয় এই খামারে। ইংল্যান্ড তো অবশ্যই, পাশাপাশি দুনিয়ার সব বাঘা বাঘা চিত্রনির্মাতাগন এই গ্রামে এসে ছবি তৈরীর কাজ করেছেন এবং এখনও করছেন। ইউরোপীয়  ইতিহাসের পুরনো বাড়ী-ঘর বাস্তবে দেখাতে হলে এ গ্রামে না এসে পারা যায় না।

বঙ্গবাণী