Category: কমলগঞ্জ

0

এতিম শিশুদের গাভী সহায়তা ও ভিটামিন এ প্লাস প্রচার অভিযান

কমলগঞ্জে এতিম শিশুদের মধ্যে পুলিশের গাভী বিতরণ কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক অসহায় এতিম শিশুদের কথা তুলে ধরে সহায়তা নিয়ে পুলিশ পরিদর্শকের পক্ষ থেকে গাভী বিতরণ করা হয়েছে। গত বছর ফেইসবুকে সহায়তা...

0

ধর্ষণ, শিশুনির্যাতন, মানববন্ধন ‌ও গ্রেপ্তার

দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: সারাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়েছে। রোববার সকাল ১১ টায় কমলগঞ্জ উপজেলা চৌমুহনী চত্বর ও সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন, পাহাড় রক্ষা...

0

ভাষা সংগ্রামী, শ্রমিক নেতা মফিজ আলীর ১২ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: ১০ অক্টোবর ভাষা সংগ্রামী, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, চা শ্রমিক নেতা, শিক্ষাবিদ, লেখক-সাংবাদিক কমরেড মফিজ আলীর ১২তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির উদ্যোগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ধূপাটিলাস্থ প্রয়াতের সমাধিস্থলে...

0

১০০ পিচ ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী আটক

কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।। ‘চলো যাই যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে’ এ শ্লোগান বাস্তবায়নে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ মাদক নির্মুলে মাঠে নেমেছে। সোমবার কমলগঞ্জের পতনঊষার ইউনিয়নের শ্রীসূর্য্য গ্রামের মুহিবুর রহমান মুহিব(৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ১০০ পিচ ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ।...

0

লুডু খেলা নিয়ে হাতের কবজি কাটলো দুর্বৃত্তরা, থানায় মামলা

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে লুডু খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটিতে রনি আহমেদ (২১) নামে এক ব্যাক্তির হাতের কবজি কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। গত শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টায় উপজেলার আদমপুর ইউপির উত্তরভাগ এলাকার রফিক ড্রাইভারের বাড়ির সামনের রাস্তার...

0

কমলগঞ্জের দিনলিপি-

কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুরে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গুড নেইবারস বাংলাদেশ মৌলভীবাজার সিডিপি এর উদ্যোগে ১৩০জন উপকারভোগীর মধ্যে হাঁস-মুরগীর বাচ্চা ও বিভিন্ন প্রকার সব্জির বীজ বিতরন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে গুডনেইবারস বাংলাদেশ মৌলভীবাজার সিডিপি’র উদ্যোগে...

0

কমলগঞ্জের দিনলিপি-

কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: “সংকটকালে তথ্য পেলে, জনগণের মুক্তি মেলে ও “তথ্য অধিকার, সংকটে হাতিয়ার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস ২০২০ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার...

0

সংবাদ সম্মেলন- সুষ্ঠ বিচার দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, গর্ভবতীসহ আহত-৩

কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গর্ভবতীসহ ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতরা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলার...

0

গাঁজা পাচারকালে ১ যুবক আটক

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের নয়াবাজার থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টম্ভর) রাত সাড়ে ৮টায় কমলগঞ্জ থানার এএসআই মো. হামিদুর...

0

একটি এলাকার মানুষ, ফেইচবুক ‌ও একজন সাংবাদিক

মুক্তকথা মন্তব্য।। সবকিছু কেমন যেনো গোলমেলে হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। শুধু আমাদের দেশ সমাজ নয় সারা বিশ্বব্যাপী উলট-পালটের এক অভিশপ্ত ছোঁয়া যেনো দুনিয়ার মানব সমাজকে দিন দিন এক ভয়াবহ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। লাখ লাখ না...

0

দলই চা বাগান খুলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন

কমলগঞ্জের দলই চা-বাগান খুলে দেয়ার দাবীতে বিগত রোববার, ১৬অগষ্ট সকালে বিশ্ববিদ্যালয় চা-ছাত্র সংসদ(উৎস) এর আয়োজনে কমলগঞ্জ চৌমুহনী ময়না চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।। ‘আমরা পরর্বিতনে বিশ্বাসী’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বে-আইনীভাবে, উস্কানীমূলক সিদ্ধান্তে...

0

চা বাগানে পুলিশি অভিযান, চোলাই মদসহ ৫ জন আটক

নিজস্ব সংবাদদাতা, কমলগঞ্জ।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর চা বাগানের ডিভিশন পদ্মছড়া বাগানের বিভিন্ন চা শ্রমিকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭৪ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ ৫ ব্যক্তিকে আটক করেছে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলো-রামসরণ দেশওয়ারা (৩১), রাজেন...

0

মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা, কমলগঞ্জ।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের ইউনিয়ন ভিত্তিক গণজমায়েতের আওতায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই পুরুস্কার বিতরণ করা...

0

মবশ্বির আলী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে নিরাপদ দুরত্বে অংশগ্রহণমূলক মূল্যায়ন পরীক্ষা

নিজস্ব সংবাদদাতা কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।। জেলার একটি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে নিরাপদ দুরত্বে অংশগ্রহণমূলক মূল্যায়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে প্রস্তাবিত মবশ্বির আলী চৌধুরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির ছাত্রদের নিরাপদ...

0

মোটরসাইকেল ছিনতাইকালে ছুরিকাঘাতে আহত চালকের শরীরে অস্ত্রোপচার

নিজস্ব সংবাদদাতা কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের সময় গতিরোধ করে চালককে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করে ৩ ছিনতাইকারী মোটরসাইকেল ছিনতাই করে নেয়। আহত মোটরসাইকেল চালক কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের পাবই গ্রামের ফয়েজ আহমদ (৩৫)। এ ঘটনাটি...

0

পল্লী বিদ্যুতের ২ খুঁটি ঝুঁকিপূর্ণ, ভেঙ্গে বড়ধরনের দুর্ঘটনা হতে পারে

কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ এর ২টি কাঠের খুঁটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। যে কোন মুর্হুতে খুঁটি দুইটি ভেঙ্গে পড়ে বড়ধরনের দুর্ঘটনার ঘটার আশংকা রয়েছে। গ্রামবাসীরা রয়েছেন আতংকে। দ্রুত...

0

ভবনের ছাদে অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ লাইন, হাসপাতালে পাঞ্জা লড়ছে কিশোরী

কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের শিংরাউলী গ্রামে ভবনের ছাদে কাপড় শুকাতে গিয়ে এক কিশোরী বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিশোরী মুন্নী বেগম (১৬) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা...

0

মুন্সিবাজারের ইয়া‌ওর মিয়ার পরলোকগমন

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।।  কমলগঞ্জ, মুন্সিবাজারের প্রয়াত প্রাক্তন চেয়ারম্যান ইউনুছ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ইয়াওর মিয়া গত ১৪জুলাই ভোর ৩ঘটিকায় নিজ বাড়ীতে পরলোক গমন করেন(ইন্না লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। তার গ্রামের বাড়ী মুন্সিবাজার সংলগ্ন শ্রীনাথপুর গ্রামে। মৃত্যুকালে তিনি...

0

কমলগঞ্জের কত কথা-

কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া ডরমেটরিতে হামলা ও ভাংচুর ॥ আটক-২ কমলগঞ্জ প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া ডরমেটরিতে রুম ভাড়া না দেয়ায় হামলা, ভাংচুর ও নগদ টাকা লুটে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ফরহাদ ও আহাদ নামে ২...

0

প্রসূতি মায়েদের চিকিৎসা সেবায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

কমলগঞ্জে সেনাবাহিনীর চিকিৎসা সেবা প্রদান মৌলভীবাজার প্রতিনিধি।। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রসূতি মায়েদের চিকিৎসা সেবা কর্মসুচী পালন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। কর্মসূচীর অংশ হিসেবে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রসূতি মায়ের চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ...

0

ফেইচবুক মন্তব্যে সংঘর্ষ, আহত ৩জন এদিকে বিনামূল্যে বীজ ও সব্জিচারা বিতরণ

ফেসবুক গ্রুপে মন্তব্য নিয়ে কমলগঞ্জে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে ৩ জন আহত কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।। ফেসবুক গ্রুপে মন্তব্য নিয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর সুজা মেমোরিয়াল কলেজ ছাত্রলীগের এক পক্ষের হামলায় অপর পক্ষের ৩ জন আহত হয়েছেন। আহত...

0

জবর দখল, রোগাক্রান্ত পশুর মাংসবিক্রি ও নতুন ১জন করোণাক্রান্ত

কমলগঞ্জে শ্মশানঘাট ও পুকুর জবর দখলের অভিযোগ কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার, প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে শ্মশানঘাট ও পুকুর জবর দখলের পর শ্মশানঘাটের বাঁশ, গাছ, পুকুরের মাছ লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবাদ জানালে...

0

প্রতারণার অভিযোগ, পুলিশ সদস্যের করোণা জয়, রোগমুক্তির প্রার্থনাসভা

করোনা সংক্রমণকালীন দুর্যোগে, কমলগঞ্জে জেএসসি’র রেজিষ্ট্রেশনেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ কমলগঞ্জ প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জেএসসি শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিষ্ট্রেশনে বোর্ড নির্ধারিত ফি এর দ্বিগুণ, তিনগুণ টাকা আদায় করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহে ফরম পূরণ, ভর্তি...

0

আষাঢ়ে বন্যা কমলগঞ্জে ফসলহানীসহ ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ছড়ার পানি উপচে কমলগঞ্জে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি তলিয়ে গেছে ৩শ’ হেক্টরের আউশ ক্ষেত কমলগঞ্জ  প্রতিনিধি।।  গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি পাহাড়ি ছড়ার পানি উপচে...

0

করোণা সহায়তায় ব্যস্ত কমলগঞ্জ, ধরা পড়লেন ইব্রাহিম মিয়া

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: আরব উল্ল্যা-মরিয়ম বেগম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ২০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊযার ইউনিয়নের আরব উল্ল্যা-মরিয়ম বেগম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে দুবাই প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ জহির উদ্দিনের অর্থায়নে অসহায় কর্মহীন ২০০...

ফেইচবুক থেকে

প্রবন্ধ

স্বেচ্চাসেবা

কয়ছর আহমদ

দয়া, মায়া, কোমল হৃদয় দিয়ে হাসি মুখে কারো দিকে তাকানো, কিংবা কারো বিপদে আপদে  উদার হস্ত প্রসারিত করে নীপিড়ীত, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং বিনিময়ে কোন প্রতিদান আশা না করে; তবে এটাই হচ্ছে সব চেয়ে উত্তম চ্যারিটি। চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা একটি মহৎ কাজ। আমরা বলি দান বা সাহায্য। আরবিতে এটিকে বলা হয় জাকাত, ছদকা।  সম্পদ দান করলে তাতে সম্পদের কোনো ক্ষয় হয় না বরং বৃদ্ধি পায়, এমন কথা বহু ধর্মে আছে। সম্পদকে পবিত্র করতে হলে  অব্যশই স্বেচ্ছাসেবায় দান করতেই হবে। জন্ম থেকে যে জ্ঞান, শক্তি ও সম্পদ মানুষ পেয়েছে তা অব্যশই মানবতার কল্যানে ব্যয় করতে হবে। একজন বিত্তবানের ঘরে যদি পর্যাপ্ত খাদ্য মওজুদ থাকে আর তার  প্রতিবেশী যদি অনাহারে ভুখা থাকে, তা হলে তার সে  খাদ্য পবিত্র হবেনা। একজনের উচ্ছিষ্ট্য খাবার,  আপনি চেয়ার-টেবিলে বসে অনেক আইটেম দিয়ে আহার গ্রহণ করলেন, আর বাড়ীর চাকর-বাকর, গরীব মিসকীনদেরকে মাঠিতে বসায়ে খাওয়ালেন। এটি মানবতার অপমান। একজন মানুষের পুরানো কাপড়, কিংবা পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র যা তিনি ব্যবহার না করেন, তা দান করলে তাতে কোন পূণ্য বা প্রতিদান নাই। নিজে যা পড়েন, নিজে যে খাদ্য গ্রহণ করেন, চ্যারিটি হিসাবে তাহাই দান করা উত্তম সেবা। অর্থাৎ উত্তম বস্তু দান করাই উত্তম কাজ। ভালো কাজের প্রতিদান ভালো ছাড়া আর কী হতে পারে।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান ভাবে দেখার মতো মন-মানসিকতা অর্জন করা সবচেয়ে বড় কাজ। ‘লোক দেখানোর মন-মানসিকতা নিয়ে কোনো কাজ না করাই উত্তম।’  তোমাদের মনে যা আছে, তোমরা প্রকাশ করো অথবা গোপন রাখো, আল্লাহ উহার হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন।  সুতরাং আমাদের লক্ষ্যের কারণে আমাদের অনেক ভালো কাজ যাতে ব্যর্থ না হয়, তার জন্য আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।

চ্যারিটি নিজের ঘর থেকেই শুরু করা সবচেয়ে মূল্যবান কাজ। যেকোন মানুষ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে একটা পটে কিছু সঞ্চয় করে কোনো অতি দরিদ্র লোককে সাহায্য করা, যেমন তার ঘর-বাড়ী নির্মাণ, সন্তানদের লেখা-পড়া কিংবা চিকিৎসার জন্য দান করার ভিন্ন নামই হচ্ছে চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা। এই মহৎ কাজে সমাজের অন্যান্য সক্ষম ব্যক্তিদেরকেও উৎসাহিত করা, সকলের সন্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এই মহৎ কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং এটাকে  প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। যাতে সমাজের অবহেলিত জনগণ এই অনুদানকে ব্যবহার করে নিজেকে সাবলম্বি করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং দরিদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো, পৃথিবীর সকল যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ সমূহে এক দিকে অন্যায় ভাবে মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে, মাতৃভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, আবার অন্য দিকে এই একই মানুষের অপর একটি অংশ নিজের জীবনকে বাজী রেখে সেখানে ঔষধ, পানি, খাবার নিয়ে আর্থ মানবতার সেবায় নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিচ্ছে, ঘর বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছে, অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এর চেয়ে উৎকৃষ্ট মহানুভবতা আর কী হতে পারে। যারা এই সমস্ত কাজে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে, এই পৃথিবীতে মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করা তাঁদের সার্থক।

প্রবাসী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ তাদের নিজ নিজ এলাকায় পবিত্র রমজান উপলক্ষে চাল, ডাল, তেল সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন, আবার অনেকেই মানুষের ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছেন। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে দান করার প্রবণতা অনেকটা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা খুবই ভালো লক্ষন। আবার প্রবাসীদের মধ্যে অনেক প্রবীণ লোক আছেন, যারা অনেক কষ্ট করে দেশে সম্পদ গড়েছেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অনেকেই জানেননা তাঁদের এই সম্পদ এখন কি করবেন। কারণ ছেলে মেয়েরা এই সব বিষয়ে আগ্রহী নয়। নতুন প্রজন্মের এসকল মানুষদের তাঁদের অর্থ ও সম্পদ সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যানে সঠিক পথে দান করার জন্য তাঁদেরকে আগ্রহী করে তুলতে পারলে এবং  সততা, আন্তরিকতা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার সাথে সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে গরীব মানুষের উন্নয়ন করতে পারলে তবেই না সমাজের জন্য কিছু করা হলো বলে দাবী করা যাবে।
যারা দেশান্তরীত হয়ে বিদেশের মাটিতে আসেন তাদের প্রায় সকলেই নিজেদের জন্মভুমি ত্যাগ করে  শূন্য হাতে পরবাসী হয়ে থাকেন। এখন তারা তাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন, নিজেদের সন্তানদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। আমাদের সকলকে অব্যশই মনে রাখতে হবে যে, এই সমস্ত দেশে যদি আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, সুষম বন্টন, সমতা, সবার জন্য সমান শিক্ষা, চিকিৎসা, সম অধীকার, ধর্ম নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, বৈষম্যহীন সমাজ এবং সম্পদের সুষম বন্টন অর্থাৎ রাষ্টের উন্নয়নের ফসল সমাজের গরীব ও অবহেলিত জনগণের মধ্যে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকতো, তা হলে কোন প্রবাসী মানুষের জন্যই  প্রবাসে থাকা সম্ভব হতোনা; সম্পদের অধিকারীও কেউ হতে পারতেন না।  মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে মানুষ যে চিত্র দেখতে পায় তা ভয়াবহ। ওসব দেশে মানুষকে পুরোদস্তুর  দাস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মহিলারা তাদের ইজ্জ্বত নিয়ে ফিরে আসতে পারছেনা।  যারাই সমাজের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চান, অবশ্যই এই সমস্ত বিষয় মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে।
এ বিশ্বের সকল শাস্ত্রই ন্যায়পরায়নতা, সদাচারণ ও আত্নীয় স্বজনকে দানের সুপারিশ করেছে এবং  নিষেধ করেছে অশ্লীলতা, অসৎ কর্ম ও সীমা লঙ্গন করতে। 

বদলে গেছে ধর্ম ইসলামের জন্মভূমি

মুক্তকথা নিবন্ধ।। ওহুদের যুদ্ধমাঠ, আরবীয়া। অন্যছবি খুঁজতে গিয়ে হঠাৎই পেয়ে গেলাম। হয়তো ভুলে যাবো আর কোনদিন এখানে দেয়া হবে না। তাই এখনি দিয়ে দিলাম। অত্যল্প ভিডিওখানা আমারই তোলা। ছবিতে আছে আমার ছেলে মাহমুদ ও নাতনি ইরা।
হঠাৎ দেখা সবকিছুই নয়নাভিরাম হয়। ঠিক তেমনি জীবনের প্রথম দেখা পাথরের পাহাড়বেষ্টিত ওহুদের মাঠ আমার কাছে অসাধারণ মুগ্ধকর এক প্রকৃতি মনে হয়েছিল। হয়তো প্রতিদিন যারা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছেন তাদের কাছে কোন কিছুই নয়। এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে উন্নয়নের নামে যে হারে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে সৌদিতে এতেকরে আজকের ওহুদ পাহাড়কে ভবিষ্যতে হুবহু দেখা যাবে কি-না অনেক সন্দেহ রয়েছে।

video

কারণ মানুষের সুবিধা করে দেয়ার আরেক অর্থই হলো ব্যবসা। যতই মানুষের আসা-যাওয়া বাড়বে ততই ব্যবসা বাড়ে। এসবে ধর্মের কিছুই যায় আসে না। মানব ধর্মের এই মহান ব্রত নিয়ে সৌদিরা দুনিয়ার মানুষের ঐতিহাসিক সেই ‘আরাফাতের ময়দান’কে আধুনিকায়ন করতে গিয়ে এমন নমুনায় বদলে দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে আর ‘ময়দান’ দেখা যাবে না। দেখা যাবে বিশাল এক প্রদর্শনী মাঠ। সৌদিদের টাকা ছিল, তারা পারতেন পুরো আরাফা পাহাড়বেষ্টিত এলাকাকে শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষনা দিয়ে তার বাইরের দিকে নগরায়ন করা। এতে করে কোটি কোটি তীর্থযাত্রী মানুষ তাদের নিজ নিজ আবেগ অনুভুতি দিয়ে এ মহাবিশ্ব নিঃশেষ হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত অনাদি অনন্তকাল দেখতে পারতো তাদের প্রানের সেই ঐতিহাসিক ‘আরাফাতের ময়দান’কে। পুরো আরাফাতের মাঠ এলাকাকে আছোঁয়া রাখাই ছিল সকল ধর্মমতামতের মধ্যে শ্রেষ্ট। এ কাজ কোনভাবেই দুঃসাধ্য কিছু ছিল না। এ বিশ্বে এমন সংরক্ষিত এলাকা শত শত আছে। আমাদের বাংলাদেশেই বণাঞ্চলের জন্য এমন সংরক্ষিত এলাকা দু’তিনটি আছে। আফ্রিকায় গোটা বাংলাদেশের মত একটি এলাকা সংরক্ষিত আছে শুধু বন্য পশু-পাখীর নিরাপদ চলাফেরার জন্য। নবী মোহাম্মদের স্মৃতি বিজড়িত আরবের সকল এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে রাখা সৌদিদের জন্য না পারার কিছুই ছিল না। কিন্তু ওই যে তাদের ওয়াহাবি মতবাদ! তাই মানুষের অন্তরের গভীরের আবেগ অনুভুতিবোধের ইসলামকে ওয়াহাবিরা বুঝে না, বুঝতে চায়ও না।

ওহুদ পাহাড়। ছবি: মুক্তকথা

 

আরাফাতের মাঠ! কিন্তু মাঠ কোথায়? এতো সব বাড়ী-ঘর! মাঠের ভেতরেই এ আয়োজন কেনো?  ছবি: মুক্তকথা

ধর্ম ইসলামের বাংলা দাড়ায় ‘শান্তি’। জীবনের সকল কর্মে শান্তি দুনিয়ার সকল মানুষের পরম আরাধ্য বিষয়। আন্তরিকভাবে শান্তি চায় না এমন মানুষ দুনিয়ার কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই শান্তির মাঝে মনের স্থায়ী শান্তি হলো আসল শান্তি। মানুষের মনে যে আবেগ কাজ করে, আবেগের সেই কথা বা স্থান যথোপযুক্ত মানে সংরক্ষিত আছে দেখে মানুষের মনে যে প্রশান্তি আসে সেই শান্তিই আসল শান্তি। বাদবাকী সব বাইরের চাকচিক্য বিনোদনে মানুষকে তৃপ্তি দেয় যা’কে ক্ষণিক শান্তি বলা যায়। মনের জগতে অপার অনন্ত স্থায়ী মানবিক শান্তি নয়। চাকচিক্য বিনোদন মানুষকে তৃপ্তি দেয় ফলে ব্যবসা হয় অফুরান। ধর্ম ইসলামের মূল কথা ব্যবসা নয় বরং শান্তি। মানব মনের বিশাল জগতকে স্থায়ী আনন্দের হিল্লোলে ভরে রাখতে পারে যে দেখা, যে ছবি, যে কথা তাকে শান্তির উৎস বলা যায়। সেই উৎসস্থল হিসেবে আরাফাতের মাঠ বিশ্ব মুসলমানদের কাছে নির্বাক হয়ে দেখার বিষয়, অসাধারণ সুন্দর এক ঐতিহাসিক প্রান্তরের ছবি যে ছবি দেখামাত্রই কথা বলে উঠে বিশ্বমানবতার মুক্তির। তাই সকল মানুষের মনে গভীর মমতায় স্থান করে নেয়া এমন স্থানকে উন্মুক্ত সংরক্ষিত করাই হলো মূলগতভাবে ইসলাম বা শান্তির কথা। ঐতিহাসিক মহাপবিত্র সেই স্থানকে সামনে রেখে হজ্জ্ব বা দেখার নামে ব্যবসা একেবারেই নীতিবিরুদ্ধ কাজ। যা সৌদিরা করে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে এমন ইসলাম বা শান্তি বিরোধী কাজ নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে তারা। এতে করে দুনিয়ার মানুষকে তারা শুধুমাত্র আরামপ্রিয় আবেগি ভ্রমণকারী হিসেবে গড়ে উঠার বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ধর্ম হলো আবেগ অনুভুতি বর্জিত জ্ঞানচর্চ্চাহীন কিছু কিংবদন্তী!
হারুনূর রশীদ, লণ্ডন সোমবার ৯ই ডিসেম্বর ২০১৯সাল

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদনের নানা রূপ

video

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্বাচন জেতার পর সম্ভবতঃ পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক অনুসারী কোন এক যুবতীর এমন নেংটা নৃত্যের আয়োজন করেন। ভিডিওটি দেখেই বুঝা যায় এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরী করা হয়েছে। নতুবা এমন ন্যাংটা নাচের আয়োজনের কারণ কি শুধুই লাম্পট্য? অবশ্যই না। এখানে অবশ্যই কিছু মানুষের মূলগত কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। নাচের এমন আয়োজন গোপনে হতে পারে। কিন্তু ভিডিও করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় স্পষ্টই বুঝা যায়, নিশ্চয়ই কোন না কোন উদ্দেশ্য রয়েছে। ভিডিওখানা দেখে বুঝার উপায় নেই এটি পাকিস্তানের না-কি ভারতের। তবে গানের কথায় পাকিস্তান শব্দটি রয়েছে এবং গানে উচ্চারিত হতে শুনা যায়। যেখানেরই হোক না কেনো এটি যে খুব একটি সুস্থতার পরিচায়ক নয় তা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একজন বান্ধব জানালেন, উদ্দেশ্য কিছুই না স্রেফ গুগলের বিজ্ঞাপন প্রাপ্তি! বিজ্ঞাপন তারা পেয়েছেন কি-না আমাদের আর জানার সৌভাগ্য হয়নি। অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষ কেমন হারে নিজের সংস্কৃতি থেকে বিচ্যুৎ হতে পারে ভিডিওখানা তারই একটি উপভোগ্য প্রমান। এ ছাড়াও নারী দেহের এমন কামরূপে উপভোগকেই মনে হয় অনাচার বলে। যেখানেই হোক এমন অনাচারটি ঘটেছে। কেউ আটকাতে যে পারেননি এটিই সত্য। নারীদের আমরা কি নমুনায় দেখতে চাই ভিডিও খানা তারও কিছুটা আভাস দেয়। সে নীতি হোক বা নীতিনৈতিকতাহীন হোক। যারা ভিডিওখানা তৈরী করেছেন তাদের আত্মিক উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বুঝা খুবই কঠিন। তবে বিগত পাকিস্তানী নির্বাচনের বেশ পরে কে বা কারা এটি আমাদের কাছে পাঠান। হয়তো তাদের উদ্দেশ্য ভারত বা পাকিস্তানকে একটু হাস্যকর হিসেবে তুলে ধরা। আমরা শুধু পাঠক সকলের সাথে এর মর্মে পৌঁছার লক্ষ্যে এখানে পত্রস্ত করলাম। হয়তো অনেকেরই কিছুটা সাময়িক বিনোদনের উৎস হলেও হতে পারে।

ইতিহাস ঐতিহ্য

ইস্তাম্বুলের রাজবাড়ী

video

ইস্তাম্বুলের ইতিহাসখ্যাত রাজমহল। সহজ কথায় রাজবাড়ী। এ বাড়ীর প্রতিটি ইট-পাথরের পরতে পরতে মিশে আছে ইতিহাসের গুঞ্জন। প্রায় ৪শত বছরের সাম্রাজ্য শাসন হয়েছে এখান থেকেই। কিন্তু রাজবাড়ীটি দেখে তেমন সান-শ‌ওকতের কিছুই পা‌ওয়া যাবে না। ইসলামী ধ্যান-ধারনার একটি জোরদার ছাপ রয়েছে রাজবাড়ীর আনাচে-কানাচে। হারেম বা মহল দেখতে অতীব সুন্দর কারুকার্যময় তবে সুপরিসর নয় বরং স্বল্পপরিসর। অনুমান ধর্মীয় বোধ কাজ করেছে এর নির্মাণে।

ইতিহাসখ্যাত বসফরাস প্রণালী

video

তুর্কীরা বলে 'মারমারা' সাগর। ইতিহাসের ইস্তাম্বুল শহর গড়ে উঠেছে 'বসফরাস প্রণালী'র উভয় তীর ঘিরে। এই বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণসাগর ও মারমারা সাগরকে যোগ করেছে। মারমারার প্রায় উত্তর তীর ঘেঁসে ইস্তাম্বুলের গড়ে উঠা। ইতিহাসের এক সময় এর নাম ছিল 'কন্স্টান্টিনোপুল'। ভিডিও: হারুন

বিশ্বমানুষের ঐতিহ্য দুনিয়ার সেরা সেরা গ্রামের একটি ‘বাইবারি’

বাইবারি

ইংল্যান্ডের দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত গ্লচেস্টারশায়ারের একটি গ্রাম “বাইবারি”। গ্রামের পাশদিয়ে প্রবাহিত কলন নদী।  ইংল্যান্ডের প্রাচীন দলিল-দস্তাবেজে বিশেষকরে বিজয়ী রাজা মহাবীর উইলিয়াম এর ১০৮৬ সালের ভূমি জরিপ হিসাবের খতিয়ান বই “ডোমসডে” পুস্তকে এই গ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছিল “বেচেবেরি” নামে। ১৩শ থেকে ১৭শ শতাব্দিতে নির্মিত প্রাচীন পদ্বতি ও নমুনার বহু বাড়ীঘর এই গ্রামে এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। “আর্লিংটন রো” এর ঘরগুলো প্রথম নির্মিত হয়েছিল ১৩৮০সালে। বিশ্বেস করা যায় যে এগুলো আজও দাঁড়িয়ে আছে। এখানের ট্রাউট মাছের খামার অনেক পুরনো। এখন বছরে ৬০ লাখ ট্রাউট পোনা উৎপাদিত হয় এই খামারে। ইংল্যান্ড তো অবশ্যই, পাশাপাশি দুনিয়ার সব বাঘা বাঘা চিত্রনির্মাতাগন এই গ্রামে এসে ছবি তৈরীর কাজ করেছেন এবং এখনও করছেন। ইউরোপীয়  ইতিহাসের পুরনো বাড়ী-ঘর বাস্তবে দেখাতে হলে এ গ্রামে না এসে পারা যায় না।

বঙ্গবাণী