Category: জাল বা ভূঁয়া

0

জালিয়াতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত পালিয়ে গিয়ে বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচনে

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। বৃটেনে আইনে অধ্যয়নরত এক জালিয়াত দলের নেতা যার বিরুদ্ধে ১৩মিলিয়ন পাউণ্ড জালিয়াতির মামলা চলছিল, পালিয়ে গিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনে দাঁড়ানোর পায়তারা করছে। লণ্ডনের ভিক্টোরিয়া ডক এলাকার আবুল কালাম মোহাম্মদ রেজাউল করিম অপর দুইজনসহ জামিনে ছাড়া...

0

লক্ষ টাকার সিগারেট আটক, প্রতিদিন সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে ২০লাখ টাকা

মৌলভীবাজার অফিস।। মুন্সেফ কাশীনাথের প্রতিষ্ঠিত মুন্সিবাজার। শহর রাজনগরের উত্তরে অবস্থিত। এক সময়ের গ্রামীণ বাজার এখন সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে বাজার হিসেবে। কাঁচা ঘরের বদলে পাকা ঘর হয়েছে, খোপি বাতির বদলে বিদ্যুৎ এসেছে কিন্তু মনের গরীবি যায়নি। মনের দীনতা লেপ্টে আছে ব্যবসায়ী আর তাদের ব্যবসার সর্বত্র। খাদ্যে ভেজাল সারা দেশের মত এখানে আছে। ইদানিং ধরা পড়েছে রাজস্ব বিভাগের নকল ব্যাণ্ডরোলের ব্যবহার। এমন ঘটনা জেলা মৌলভীবাজার সদরে কখনও আগে শোনা যায়নি। জেলা রাজস্ব বিভাগের মতে জেলার বিভিন্ন বাজার এলাকায় নকল ব্যাণ্ডরোল লাগানো সিগারেট বিক্রি হচ্ছে প্রতি দিন প্রায় ৩০লাখ টাকার। ফলে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে প্রতিদিন গড়ে ২০লাখ টাকা।

0

ঘটনাটি সম্ভবতঃ সত্য ছিল না

“আইয়াম ই জাহিলিয়াৎ”। আরবীয়ানদের উদ্দেশ্যে দেড়হাজার বছর আগের মন্তব্য। কে এই উক্তি করেছিলেন নতুন করে বলার মনে হয় প্রয়োজন নেই। বিষয় হচ্ছে আরবীয়ান দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ইয়েমেনকে নিয়ে। ইয়েমেন, একসময় গোটা আরব বিশ্বের প্রানকেন্দ্র ছিল। জ্ঞানার্জনের জন্য আরবীয়ান শুধু নয় সুদূর তুর্কীস্থান থেকেও মানুষ যেতো। তুর্কীদের কুনিয়া থেকে পিতৃ-মাতৃহীন জালালুদ্দীন আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জনের জন্য তার মামা আহমদ কবীরের কাছে ইয়েমেনে গিয়েছিলেন। শুধু যে গিয়েছিলেন তা নয়, পরম জ্ঞানে গুণী হয়ে নিজের জীবন প্রবাহ ও ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে ইয়েমেন ছেড়ে ভারতের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন এবং শাহ জালাল নামে খ্যাত হয়েছিলেন। আরব মুল্লুকে তখন যুদ্ধ বিগ্রহ লেগেই ছিল। সব সময় এক অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করতো। ভারত তখন শৌর্য্যবির্য্যের শীর্ষে। সম্পদে ভরপুর। ভারতের মানুষ দেশ ছেড়ে বাহিরে যাবার চিন্তাই করতো না।

0

দু’বছর আগের একটি মিথ্যা প্রচারণাকে আবারো বাজারে নিয়ে এসেছে ফেইচবুকের ব্যবহার

লণ্ডন।। ফেইচবুক ব্যবহার করে মিথ্যা প্রচারণা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের একটি মিথ্যা প্রচারণাকে আবারো ফেইচবুকে নিয়ে আসা হয়েছে। একেবারে উদ্দেশ্যহীনভাবে যে আনা হয়েছে তা নয়। অবশ্যই এর পেছনে রয়েছে কারণ রয়েছে। প্রথমতঃ লাইক ব্যবসা একটি কারণ। দ্বিতীয়তঃ হয়তো বা ফেইচবুক ইদানিং ভূয়া আটকাতে কতটুকু সক্ষম তা নিরিখ করাও এ মিথ্যা প্রচারণার অন্তর্নিহীত উদ্দেশ্য থাকতে পারে। বিষয়টি যা-ই হয় না কেনো, এ যে অনভিপ্রেত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই ভূঁয়া প্রচারণার মধ্যদিয়ে ইতিমধ্যেই কেউ যে ঠকে যাননি, তা আমরা কেউ হলফ করে বলতে পারিনা। একমাত্র ফেইচবুক কর্তৃপক্ষের সুতীক্ষ্ণ নজরই এসব ভয়ঙ্কর মিথ্যা প্রচারণা থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে।

0

হা‌ওয়াই কারিগরীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‌ও বস্তু জাগতিক মানব জীবন

বিষয়টি গণযোগাযোগ মাধ্যমের হাওয়াই কারিগরী নিয়ে। বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেইচবুক টুইটারের অগণিত ভূঁয়া হিসেব নিয়ে। এ নিয়ে তুমুল জেরবার চলছে বিশ্বব্যাপী বিশেষ করে আমেরিকায়। নামী-দামী হতে চায়না কে! মানুষ মাত্রই নাম কুড়াতে চায়, দামী হতে চায়, দুনিয়ায় কীর্তি রেখে যেতে চায়। যদি নিখরচায় কোন শ্রম ছাড়াই শুধু সামান্য কিছু পয়সা খরচ করে তা পারা যায়, তা’হলে কে চাইবে না তা করে নিতে? আর মানুষের এ চাহিদাকে পূরণ করতে হাওয়াই জগৎ ‘অনলাইন’-এ গড়ে উঠেছে অগণিত ‘অনলাইন’ পত্রিকা থেকে শুরু করে নামে-বেনামে অসংখ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। যারা ‘লাইক’ ব্যবসার ভূঁয়া ঠিকাদার!

মানুষের অধিকারের প্রকাশই 'মুক্তকথা'। দেখুন এবং লিখুন