Category: World

সারা বিশ্বের খবর

0

গত মার্চ থেকে ডিসেম্বর এ ৯মাসে সারা বিশ্বে জন্ম নেবে প্রায় ১২কোটি শিশু

  মুক্তকথা সংগ্রহ।। করোণা যখন বিশ্বগ্রাসী রূপ নিয়ে বিস্তৃত হচ্ছে এমন অবস্থায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে জাতিসংঘ একটি সমীক্ষা চালায়। তাদের সমীক্ষার বিষয় ছিল করোণা মহামারীর কারণে আনন্দ ও সামাজিকতার সব উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফল...

0

বিশ্বের প্রথম করোণাটিকা তৈরীর দাবী রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের

মুক্তকথা সংগ্রহ।। রাশিয়া! পুতিনের রাশিয়া এখন গোটা দুনিয়ার মানুষের আলোচনার মধ্যমণি। করোণা মোকাবেলায় রাশিয়া সারা বিশ্বকে টক্কা দিয়ে এগিয়ে গেলো। ভ্লাদিমির পুতিনের দাবী, তারাই প্রথম করোণা’র টীকা তৈরী করলেন। আজ প্রেসিডেন্ট পুতিন এই ঘোষণা দিয়েছেন। এর...

0

সারা বিশ্বে ১কোটী ৭০লাখ ৩৯হাজার মানুষ করোণায় আক্রান্ত

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। আজ আগষ্টমাসের ৩ তারিখ সোমবার। আজ অবদি সারা বিশ্বে করোণা মহামারীতে এ পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ৬লাখ ৬৭হাজার ২১৮জন মানুষ। এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা ১কোটী ৭০লাখ ৩৯হাজার ১৬০জন। ভারতে আক্রান্তের এ সংখ্যা...

0

ইসলামকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির ধর্ম ঘোষণা করল ইউনেষ্কো

মুক্তকথা সংগ্রহ।। ইসলামকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির ধর্ম বলে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গসংগঠন ইউনেষ্কো। গত ৭জুলাই এ সম্পর্কিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ইউনেষ্কো। এর আগে ইউনেষ্কো ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউণ্ডেশন-এর সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের...

0

ওমানের সুলতান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষুদ্ররাষ্ট্র সাগরতীরের ওমান’এর সুলতান কাবুস বিন সাইদ গত শুক্রবার ১০ জানুয়ারী সন্ধ্যায় প্রয়াত হয়েছেন। মৃত্যুর কারণ উল্লেখ না করেই ওমানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ খবর প্রচার করে। সাথে সাথে প্রয়াত সুলতানের মহাপ্রয়াণে গোটা ওমানে...

0

বিশ্ব মানচিত্রে যোগ হতে যাচ্ছে নতুন দেশ

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। বিশ্ব মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে নতুন আরেক স্বাধীন রাষ্ট্রের। বুগেইনভিলে বলেই পরিচিত হবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এই দ্বীপরাষ্ট্রটি। শনিবার স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সেখানে। অধিকতর স্বায়ত্তশাসন না স্বাধীনতা, এ দিনের ভোটে সেই...

0

বিপুল সংখ্যক আশ্রয়প্রার্থী বিদেশী শিশু-কিশোরকে আমেরিকা আটকে রেখেছে


ফস্টারের নামে শিশু-কিশোরদের জৈবিক মাতা-পিতা থেকে সরিয়ে রাখার আসল উদ্দেশ্য কি জঙ্গী তৈরী করা? মুক্তকথা নিবন্ধ।। মাত্র ৩বছর বয়সে দেশান্তরী হয়ে এই কিশোরী এসেছিল আমেরিকায় বসবাস করতে। ৩বছরের শিশু একাতো আর আসতে পারে নাই। এসেছিল বাবার...

0

১৯৭৩ সাল, মটরমুক্ত আমষ্টারডাম

১৯৭৩ সালের ঘটনা। বিশ্বব্যাপী তেলের ঘাটতি চরমে। পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো তেল সংকটে দিশেহারা। ইউরোপের অবস্থা আরো করুন। তেল সংকট সামলাতে গিয়ে নেদারলেন্ডকে একদিনের জন্য “মটরমুক্ত দিন” পালনে যেতে হয়। দুনিয়ার সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিল আমস্টারডাম। ছবিতে...

0

মস্কো গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে একজন মার্কিনীকে আটক করেছে

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। রুশ-মার্কিন সম্পর্কের জটিলতা নতুন কিছু নয়। প্রায় শতাব্দীর কাছাকাছি হয়ে যাচ্ছে তাদের সম্পর্কের এ ঠেলা-ঠেলির বয়স। সব সময়ই দু’দেশ দুদেশের ভেতরে বাইরে একে অন্যের বিরুদ্ধে মানুষ লাগিয়ে বিভিন্ন কৌশলগত খবরাখবরের উপর নজরদারি করে থাকে। এসব করতে গিয়ে অসংখ্য মানুষ এ দু’দেশ হত্যা করেছে। তেমনি নতুন এক ঘটনা রুশিদের এক মার্কিনী গ্রেপ্তার।

0

ব্রয়লার মোরগ খাওয়ার কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে ১কোটি মানুষ মারা যাবে!

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। ব্রয়লার মোরগ এখন বাংলাদেশের সবক’টি ছোট-বড় বাজারেই পাওয়া যায়। দেশের অনেক মানুষই কমবেশি এই ব্রয়লার মোরগ বা মুরগী পছন্দ করেন। চাহিদাও দিন দিন বেড়েই চলেছে। কিন্তু খুবই মারাত্মক কিছু তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক কিছু...

0

গোমূত্র নিয়ে মৌলবাদী ব্যবসা আর রয়টারের পশ্চিমী চরিত্র


ভারতের বাজারে এখন পুরোদমে বিক্রি হয় গোমুত্র বা গরুর চোনা। বেশ আগের হিসেব প্রতি লিটার গোচেনা ভারতীয় মুদ্রায় ৩০টাকা দরে বিক্রি হয়। বহুল প্রচারিত কথা যে, অনেক গবেষণা করে দেখা গেছে গোমূত্রে ক্যান্সার ডায়বেটিক্স সহ প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি ছোট বড় রোগের প্রতিষেধক উপাদান রয়েছে। হতেই পারে এমন। গরুর মাংস খেলে যখন শরীরের উপকার হয় তার চেনায়ও উপকারী উপাদান থাকতেই পারে। গো-মল দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যবহার হয় মাটির উর্বরা শক্তি বাড়ানোর কাজে। কিন্তু সংবাদ সংস্থা রয়টার কেনো ক্ষেপেছিলেন জানতে ইচ্ছে হয়।

0

কফি আনান আর নেই

লণ্ডন।। জাতি সংঘের প্রাক্তন সেক্রেটারী জেনারেল কফি আনান আর নেই। সুইজারল্যান্ডের বার্ণ-এর হাসপাতালে আজ ১৮ই আগষ্ট শনিবার সকালে কফি আনান পরলোক গমন করেন। গার্ডিয়ান থেকে জানা যায়, জাতি সংঘ অফিস থেকে আজ শনিবারই এ সংবাদ প্রকাশ...

0

সৌদি যুবরাজ গোপন বৈঠক করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর সাথে

লণ্ডন।। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানেয়াহু গোপন বৈঠক করেছেন। জানা গেছে উভয় দেশের এ দুই রাজনীতিক জর্দানের রাজধানী আম্মানের রাজকীয় প্রাসাদেই গোপন এ বৈঠকে মিলিত হন। বিশ্বস্ত উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র থেকে জানা...

0

ইংল্যাণ্ডের কাছে পরাজিত হয়েও ১গোল দিতে পারায় পানামায় উৎসব

লণ্ডন।। আজ পানামার সাথে ইংল্যাণ্ডের খেলা ছিল। ৬-১গোলে ইংল্যাণ্ড জিতেছে। জন ষ্টোনস, হ্যারি কেইন ‌ও জেসে লিংগার্ড এ গোল করেন। হ্যারিকেইন হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন। তার গোলসংখ্যা ৫টি। রুশ বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত এটিই গোলের বিশ্ব...

0

বুকে বুকে যুক্ত যমজ দুই বিষ্ময়কর শিশুর জন্ম দিয়েছেন হণ্ডুরাসের এক মা

লণ্ডন অফিস।। আমরা মানুষের কাছে কতকিছু যে এখনও অজ্ঞাত তার কোন হিসেব করা মনে হয় না সম্ভব হবে বলে। দুনিয়ার কোথায়ও কেউ এমন কোন জরিপ চালিয়েছেন কি-না অন্ততঃ আমাদের জানা নেই। তবে যতটুকু অনুভব এমনতরো কিছু কেউ করেননি। অজ্ঞাত অসীম এ বিশ্বে কি কি আছে তার কতটুকুই বা আমরা জানতে পেরেছি! সেটাইতো কেউ সম্ভবতঃ আজো বলতে পারেননি। মানুষের দৃষ্টি শক্তি দিয়ে যতটুকু দেখা যায় মানুষ ততটুকুই শুধু জানে। যা কখনও দেখতে পারেনি সে বিষয়ে জানবে কি করে! নাজানাটাই স্বাভাবিক। ঠিক তেমনি প্রানের প্রকাশ ও বিকাশের অনেককিছুই আজও মানুষের অজ্ঞাত। অবশ্য মানুষ থেমে নেই। মানুষের জ্ঞান চর্চ্চা, অজানাকে জানার অভিযান মানুষের অব্যাহত আছে। খুব ধীরে হলেও প্রতি নিয়তই কিছু কিছু অজানা বিষয়ের জ্ঞান পাচ্ছে মানুষ। ঠিক তেমনি যুক্ত যমজ শিশু জন্মের আজো কোন সুরাহা হয়নি তবে একদিন অবশ্যই হবে। হয়তো সেদিন বেশী দূরে নয়।

0

দেশ বিদেশ

দেশ বিদেশ  ‘বাংলাদেশও একসময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে’ অসম্ভবকে সম্ভব করার বাংলাদেশ একসময় ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও সাবেক কৃতি ফুটবলার হাসানুল হক ইনু। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর হেয়ার রোডে তথ্যমন্ত্রী তার বাসভবন...

0

অবশেষে স্বেচ্ছামৃত্যুর কোলে আশ্রয় নিলেন বিজ্ঞানী গুডঅল

বিশ্বের আজব মানুষ ছিলেন অষ্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানী ডেভিড গুডওল। ১০৪ বছর বয়সে ইচ্ছামৃত্যুতে দেহত্যাগ করেছেন। দীর্ঘ প্রার্থিত স্বেচ্ছামৃত্যুর কোলে শেষ আশ্রয় হলো তার। গুড‌ওল-এর এই ইচ্ছামৃত্যু নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে অগণিত। অনেকেই বলেছিলেন, তাঁকে অষ্ট্রেলিয়া থেকে বের হতে...

0

কে কোথায় ওয়েব সাইটের জন্ম?

“ওয়েব সাইট” বা “ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব”, যার অন্য রূপ হলো ৩টি ইংরেজী www অক্ষর। এখন আর কে-ই-বা না চেনে। একেবারে জীবনে কখনও স্কুল-কলেজে যারা যেতে পারেনি একমাত্র তারা হয়তো বলতে পারবে না “ওয়েব সাইট” কি। এছাড়া...

0

উইনি মেন্ডেলার পরলোক গমন

লণ্ডন।। উইনি মেন্ডেলা আর নেই। ৮১ বছর বয়সে আজ ২রা এপ্রিল সোমবার তিনি পরলোকগমণ করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কালো প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সাবেক স্ত্রী মেন্ডেলার রাজনৈতিক জীবনের শক্তিমান কর্মী উইনি মেন্ডেলা তার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে শক্তিশালী ভূমিকার জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত হয়ে উঠেছিলেন।

0

রুশ-বৃটেন তিক্ততা চরমে উঠেছে, নিরাপত্তা পরিষদের সভা ডাকার আহ্বান

লণ্ডন।। সাবেক রুশ গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল এবং তার মেয়ে ইউলিয়াকে বিষাক্ত নার্ভ গ্যাস প্রয়োগে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মস্কোর প্রতি হুঙ্কার দিয়েছেন বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী তেরেশা মে। তিনি বলেছেন মস্কো উপযুক্ত জবাব না দিলে ২৩জন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার...

0

বিজ্ঞানী হকিং আর নেই

লণ্ডন।। দুনিয়া থেকে আজ একজন মানুষ বিদেয় নিয়েছেন। শুধু মানুষ বললে কিছুটা নাবলা হবে। মানুষের মাঝে এক উজ্জ্বল জোতিষ্কের মত ছিলেন তিনি। মানুষই ছিলেন কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মানুষ। বর্তমানের জটিল ও দূরপরাহত বিজ্ঞান গবেষণার সময়ে...

0

সম্মিলিত উদ্যোগে এবারো একুশ উদযাপনের আয়োজন চলছে ফ্রান্সে 

মোহাম্মদ আব্দুল মুহিব ফ্রান্স: ফ্রান্সের প্যারিসে রিপাবলিক চত্তরে সম্মিলিত ফ্রান্স প্রবাসীর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস     উদযাপনের আয়োজন চলছে খুব ধুমধামে। ফ্রান্স প্রবাসীরা সবসময় নাড়ীর টানে দল মতের উর্ধ্বে গিয়ে এক সাথে মহান একুশে ফেব্রুয়ারী, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন...

0

মালদ্বীপ প্রেসিডেন্ট আব্দুল গায়ুম গৃহবন্ধী

প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্দুল গায়ুম কেন গৃহবন্দি— উঠছে প্রশ্ন। একটি সূত্র বলছে, বিরোধীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগেই গৃহবন্দি গায়ুম। তাঁর প্রতি সেনার একটা অংশ এখনও দুর্বল। তাই এখনও গ্রেফতার করা হয়নি তাঁকে। বৃটেন, আমেরিকাসহ গোটা পশ্চিমাবিশ্ব মালদ্বীপের পরিস্থিতিতে...

0

সেনা পাঠালে জ্বলবে মালদ্বীপ, চীনের হুমকি

সংবাদ সংস্থার শিরোনাম- “সেনা পাঠালে জ্বলবে মালদ্বীপ, হুমকি চীনের।” এই শিরোনাম দিয়েই সংবাদ সংস্থার খবরের শুরু। মালদ্বীপের বিরোধীদের অভিযোগ, সে দেশের উদ্ভূত সঙ্কটের পিছনে বেইজিংই উস্কানি দিচ্ছে। ক্ষমতায় এসেই একগুচ্ছ চীনা প্রকল্পে সম্মতি দিয়েছিলেন ইয়ামিন। বেইজিংয়ের...

0

উন্নত বিশ্বের সাম্যের দেশ ফ্রান্সে ক্যান্সারাক্রান্ত বাঙ্গালী যুবকের চিকিৎসা হবেনা!

এমনি করেই একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু হবে? হায়রে কর্কটরোগ! মোহাম্মদ আব্দুল মুহিব, ফ্রান্স।। বছর পাঁচেক আগে পরিবারের হাল ধরার উদ্দেশ্যে ভাগ্য পরিবর্তনের প্রয়াস চালাতে গিয়ে একজন ফারুক পাড়ি জমিয়ে ছিলেন স্বপ্নের ইউরোপে। নানা স্বপ্ন বুনেছিলেন নিজের অসহায় সংসার...

ফেইচবুক থেকে

প্রবন্ধ

স্বেচ্চাসেবা

কয়ছর আহমদ

দয়া, মায়া, কোমল হৃদয় দিয়ে হাসি মুখে কারো দিকে তাকানো, কিংবা কারো বিপদে আপদে  উদার হস্ত প্রসারিত করে নীপিড়ীত, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং বিনিময়ে কোন প্রতিদান আশা না করে; তবে এটাই হচ্ছে সব চেয়ে উত্তম চ্যারিটি। চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা একটি মহৎ কাজ। আমরা বলি দান বা সাহায্য। আরবিতে এটিকে বলা হয় জাকাত, ছদকা।  সম্পদ দান করলে তাতে সম্পদের কোনো ক্ষয় হয় না বরং বৃদ্ধি পায়, এমন কথা বহু ধর্মে আছে। সম্পদকে পবিত্র করতে হলে  অব্যশই স্বেচ্ছাসেবায় দান করতেই হবে। জন্ম থেকে যে জ্ঞান, শক্তি ও সম্পদ মানুষ পেয়েছে তা অব্যশই মানবতার কল্যানে ব্যয় করতে হবে। একজন বিত্তবানের ঘরে যদি পর্যাপ্ত খাদ্য মওজুদ থাকে আর তার  প্রতিবেশী যদি অনাহারে ভুখা থাকে, তা হলে তার সে  খাদ্য পবিত্র হবেনা। একজনের উচ্ছিষ্ট্য খাবার,  আপনি চেয়ার-টেবিলে বসে অনেক আইটেম দিয়ে আহার গ্রহণ করলেন, আর বাড়ীর চাকর-বাকর, গরীব মিসকীনদেরকে মাঠিতে বসায়ে খাওয়ালেন। এটি মানবতার অপমান। একজন মানুষের পুরানো কাপড়, কিংবা পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র যা তিনি ব্যবহার না করেন, তা দান করলে তাতে কোন পূণ্য বা প্রতিদান নাই। নিজে যা পড়েন, নিজে যে খাদ্য গ্রহণ করেন, চ্যারিটি হিসাবে তাহাই দান করা উত্তম সেবা। অর্থাৎ উত্তম বস্তু দান করাই উত্তম কাজ। ভালো কাজের প্রতিদান ভালো ছাড়া আর কী হতে পারে।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান ভাবে দেখার মতো মন-মানসিকতা অর্জন করা সবচেয়ে বড় কাজ। ‘লোক দেখানোর মন-মানসিকতা নিয়ে কোনো কাজ না করাই উত্তম।’  তোমাদের মনে যা আছে, তোমরা প্রকাশ করো অথবা গোপন রাখো, আল্লাহ উহার হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন।  সুতরাং আমাদের লক্ষ্যের কারণে আমাদের অনেক ভালো কাজ যাতে ব্যর্থ না হয়, তার জন্য আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।

চ্যারিটি নিজের ঘর থেকেই শুরু করা সবচেয়ে মূল্যবান কাজ। যেকোন মানুষ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে একটা পটে কিছু সঞ্চয় করে কোনো অতি দরিদ্র লোককে সাহায্য করা, যেমন তার ঘর-বাড়ী নির্মাণ, সন্তানদের লেখা-পড়া কিংবা চিকিৎসার জন্য দান করার ভিন্ন নামই হচ্ছে চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা। এই মহৎ কাজে সমাজের অন্যান্য সক্ষম ব্যক্তিদেরকেও উৎসাহিত করা, সকলের সন্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এই মহৎ কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং এটাকে  প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। যাতে সমাজের অবহেলিত জনগণ এই অনুদানকে ব্যবহার করে নিজেকে সাবলম্বি করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং দরিদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো, পৃথিবীর সকল যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ সমূহে এক দিকে অন্যায় ভাবে মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে, মাতৃভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, আবার অন্য দিকে এই একই মানুষের অপর একটি অংশ নিজের জীবনকে বাজী রেখে সেখানে ঔষধ, পানি, খাবার নিয়ে আর্থ মানবতার সেবায় নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিচ্ছে, ঘর বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছে, অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এর চেয়ে উৎকৃষ্ট মহানুভবতা আর কী হতে পারে। যারা এই সমস্ত কাজে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে, এই পৃথিবীতে মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করা তাঁদের সার্থক।

প্রবাসী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ তাদের নিজ নিজ এলাকায় পবিত্র রমজান উপলক্ষে চাল, ডাল, তেল সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন, আবার অনেকেই মানুষের ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছেন। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে দান করার প্রবণতা অনেকটা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা খুবই ভালো লক্ষন। আবার প্রবাসীদের মধ্যে অনেক প্রবীণ লোক আছেন, যারা অনেক কষ্ট করে দেশে সম্পদ গড়েছেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অনেকেই জানেননা তাঁদের এই সম্পদ এখন কি করবেন। কারণ ছেলে মেয়েরা এই সব বিষয়ে আগ্রহী নয়। নতুন প্রজন্মের এসকল মানুষদের তাঁদের অর্থ ও সম্পদ সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যানে সঠিক পথে দান করার জন্য তাঁদেরকে আগ্রহী করে তুলতে পারলে এবং  সততা, আন্তরিকতা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার সাথে সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে গরীব মানুষের উন্নয়ন করতে পারলে তবেই না সমাজের জন্য কিছু করা হলো বলে দাবী করা যাবে।
যারা দেশান্তরীত হয়ে বিদেশের মাটিতে আসেন তাদের প্রায় সকলেই নিজেদের জন্মভুমি ত্যাগ করে  শূন্য হাতে পরবাসী হয়ে থাকেন। এখন তারা তাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন, নিজেদের সন্তানদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। আমাদের সকলকে অব্যশই মনে রাখতে হবে যে, এই সমস্ত দেশে যদি আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, সুষম বন্টন, সমতা, সবার জন্য সমান শিক্ষা, চিকিৎসা, সম অধীকার, ধর্ম নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, বৈষম্যহীন সমাজ এবং সম্পদের সুষম বন্টন অর্থাৎ রাষ্টের উন্নয়নের ফসল সমাজের গরীব ও অবহেলিত জনগণের মধ্যে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকতো, তা হলে কোন প্রবাসী মানুষের জন্যই  প্রবাসে থাকা সম্ভব হতোনা; সম্পদের অধিকারীও কেউ হতে পারতেন না।  মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে মানুষ যে চিত্র দেখতে পায় তা ভয়াবহ। ওসব দেশে মানুষকে পুরোদস্তুর  দাস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মহিলারা তাদের ইজ্জ্বত নিয়ে ফিরে আসতে পারছেনা।  যারাই সমাজের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চান, অবশ্যই এই সমস্ত বিষয় মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে।
এ বিশ্বের সকল শাস্ত্রই ন্যায়পরায়নতা, সদাচারণ ও আত্নীয় স্বজনকে দানের সুপারিশ করেছে এবং  নিষেধ করেছে অশ্লীলতা, অসৎ কর্ম ও সীমা লঙ্গন করতে। 

বদলে গেছে ধর্ম ইসলামের জন্মভূমি

মুক্তকথা নিবন্ধ।। ওহুদের যুদ্ধমাঠ, আরবীয়া। অন্যছবি খুঁজতে গিয়ে হঠাৎই পেয়ে গেলাম। হয়তো ভুলে যাবো আর কোনদিন এখানে দেয়া হবে না। তাই এখনি দিয়ে দিলাম। অত্যল্প ভিডিওখানা আমারই তোলা। ছবিতে আছে আমার ছেলে মাহমুদ ও নাতনি ইরা।
হঠাৎ দেখা সবকিছুই নয়নাভিরাম হয়। ঠিক তেমনি জীবনের প্রথম দেখা পাথরের পাহাড়বেষ্টিত ওহুদের মাঠ আমার কাছে অসাধারণ মুগ্ধকর এক প্রকৃতি মনে হয়েছিল। হয়তো প্রতিদিন যারা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছেন তাদের কাছে কোন কিছুই নয়। এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে উন্নয়নের নামে যে হারে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে সৌদিতে এতেকরে আজকের ওহুদ পাহাড়কে ভবিষ্যতে হুবহু দেখা যাবে কি-না অনেক সন্দেহ রয়েছে।

video

কারণ মানুষের সুবিধা করে দেয়ার আরেক অর্থই হলো ব্যবসা। যতই মানুষের আসা-যাওয়া বাড়বে ততই ব্যবসা বাড়ে। এসবে ধর্মের কিছুই যায় আসে না। মানব ধর্মের এই মহান ব্রত নিয়ে সৌদিরা দুনিয়ার মানুষের ঐতিহাসিক সেই ‘আরাফাতের ময়দান’কে আধুনিকায়ন করতে গিয়ে এমন নমুনায় বদলে দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে আর ‘ময়দান’ দেখা যাবে না। দেখা যাবে বিশাল এক প্রদর্শনী মাঠ। সৌদিদের টাকা ছিল, তারা পারতেন পুরো আরাফা পাহাড়বেষ্টিত এলাকাকে শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষনা দিয়ে তার বাইরের দিকে নগরায়ন করা। এতে করে কোটি কোটি তীর্থযাত্রী মানুষ তাদের নিজ নিজ আবেগ অনুভুতি দিয়ে এ মহাবিশ্ব নিঃশেষ হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত অনাদি অনন্তকাল দেখতে পারতো তাদের প্রানের সেই ঐতিহাসিক ‘আরাফাতের ময়দান’কে। পুরো আরাফাতের মাঠ এলাকাকে আছোঁয়া রাখাই ছিল সকল ধর্মমতামতের মধ্যে শ্রেষ্ট। এ কাজ কোনভাবেই দুঃসাধ্য কিছু ছিল না। এ বিশ্বে এমন সংরক্ষিত এলাকা শত শত আছে। আমাদের বাংলাদেশেই বণাঞ্চলের জন্য এমন সংরক্ষিত এলাকা দু’তিনটি আছে। আফ্রিকায় গোটা বাংলাদেশের মত একটি এলাকা সংরক্ষিত আছে শুধু বন্য পশু-পাখীর নিরাপদ চলাফেরার জন্য। নবী মোহাম্মদের স্মৃতি বিজড়িত আরবের সকল এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে রাখা সৌদিদের জন্য না পারার কিছুই ছিল না। কিন্তু ওই যে তাদের ওয়াহাবি মতবাদ! তাই মানুষের অন্তরের গভীরের আবেগ অনুভুতিবোধের ইসলামকে ওয়াহাবিরা বুঝে না, বুঝতে চায়ও না।

ওহুদ পাহাড়। ছবি: মুক্তকথা

 

আরাফাতের মাঠ! কিন্তু মাঠ কোথায়? এতো সব বাড়ী-ঘর! মাঠের ভেতরেই এ আয়োজন কেনো?  ছবি: মুক্তকথা

ধর্ম ইসলামের বাংলা দাড়ায় ‘শান্তি’। জীবনের সকল কর্মে শান্তি দুনিয়ার সকল মানুষের পরম আরাধ্য বিষয়। আন্তরিকভাবে শান্তি চায় না এমন মানুষ দুনিয়ার কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই শান্তির মাঝে মনের স্থায়ী শান্তি হলো আসল শান্তি। মানুষের মনে যে আবেগ কাজ করে, আবেগের সেই কথা বা স্থান যথোপযুক্ত মানে সংরক্ষিত আছে দেখে মানুষের মনে যে প্রশান্তি আসে সেই শান্তিই আসল শান্তি। বাদবাকী সব বাইরের চাকচিক্য বিনোদনে মানুষকে তৃপ্তি দেয় যা’কে ক্ষণিক শান্তি বলা যায়। মনের জগতে অপার অনন্ত স্থায়ী মানবিক শান্তি নয়। চাকচিক্য বিনোদন মানুষকে তৃপ্তি দেয় ফলে ব্যবসা হয় অফুরান। ধর্ম ইসলামের মূল কথা ব্যবসা নয় বরং শান্তি। মানব মনের বিশাল জগতকে স্থায়ী আনন্দের হিল্লোলে ভরে রাখতে পারে যে দেখা, যে ছবি, যে কথা তাকে শান্তির উৎস বলা যায়। সেই উৎসস্থল হিসেবে আরাফাতের মাঠ বিশ্ব মুসলমানদের কাছে নির্বাক হয়ে দেখার বিষয়, অসাধারণ সুন্দর এক ঐতিহাসিক প্রান্তরের ছবি যে ছবি দেখামাত্রই কথা বলে উঠে বিশ্বমানবতার মুক্তির। তাই সকল মানুষের মনে গভীর মমতায় স্থান করে নেয়া এমন স্থানকে উন্মুক্ত সংরক্ষিত করাই হলো মূলগতভাবে ইসলাম বা শান্তির কথা। ঐতিহাসিক মহাপবিত্র সেই স্থানকে সামনে রেখে হজ্জ্ব বা দেখার নামে ব্যবসা একেবারেই নীতিবিরুদ্ধ কাজ। যা সৌদিরা করে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে এমন ইসলাম বা শান্তি বিরোধী কাজ নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে তারা। এতে করে দুনিয়ার মানুষকে তারা শুধুমাত্র আরামপ্রিয় আবেগি ভ্রমণকারী হিসেবে গড়ে উঠার বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ধর্ম হলো আবেগ অনুভুতি বর্জিত জ্ঞানচর্চ্চাহীন কিছু কিংবদন্তী!
হারুনূর রশীদ, লণ্ডন সোমবার ৯ই ডিসেম্বর ২০১৯সাল

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদনের নানা রূপ

video

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্বাচন জেতার পর সম্ভবতঃ পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক অনুসারী কোন এক যুবতীর এমন নেংটা নৃত্যের আয়োজন করেন। ভিডিওটি দেখেই বুঝা যায় এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরী করা হয়েছে। নতুবা এমন ন্যাংটা নাচের আয়োজনের কারণ কি শুধুই লাম্পট্য? অবশ্যই না। এখানে অবশ্যই কিছু মানুষের মূলগত কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। নাচের এমন আয়োজন গোপনে হতে পারে। কিন্তু ভিডিও করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় স্পষ্টই বুঝা যায়, নিশ্চয়ই কোন না কোন উদ্দেশ্য রয়েছে। ভিডিওখানা দেখে বুঝার উপায় নেই এটি পাকিস্তানের না-কি ভারতের। তবে গানের কথায় পাকিস্তান শব্দটি রয়েছে এবং গানে উচ্চারিত হতে শুনা যায়। যেখানেরই হোক না কেনো এটি যে খুব একটি সুস্থতার পরিচায়ক নয় তা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একজন বান্ধব জানালেন, উদ্দেশ্য কিছুই না স্রেফ গুগলের বিজ্ঞাপন প্রাপ্তি! বিজ্ঞাপন তারা পেয়েছেন কি-না আমাদের আর জানার সৌভাগ্য হয়নি। অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষ কেমন হারে নিজের সংস্কৃতি থেকে বিচ্যুৎ হতে পারে ভিডিওখানা তারই একটি উপভোগ্য প্রমান। এ ছাড়াও নারী দেহের এমন কামরূপে উপভোগকেই মনে হয় অনাচার বলে। যেখানেই হোক এমন অনাচারটি ঘটেছে। কেউ আটকাতে যে পারেননি এটিই সত্য। নারীদের আমরা কি নমুনায় দেখতে চাই ভিডিও খানা তারও কিছুটা আভাস দেয়। সে নীতি হোক বা নীতিনৈতিকতাহীন হোক। যারা ভিডিওখানা তৈরী করেছেন তাদের আত্মিক উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বুঝা খুবই কঠিন। তবে বিগত পাকিস্তানী নির্বাচনের বেশ পরে কে বা কারা এটি আমাদের কাছে পাঠান। হয়তো তাদের উদ্দেশ্য ভারত বা পাকিস্তানকে একটু হাস্যকর হিসেবে তুলে ধরা। আমরা শুধু পাঠক সকলের সাথে এর মর্মে পৌঁছার লক্ষ্যে এখানে পত্রস্ত করলাম। হয়তো অনেকেরই কিছুটা সাময়িক বিনোদনের উৎস হলেও হতে পারে।

ইতিহাস ঐতিহ্য

ইস্তাম্বুলের রাজবাড়ী

video

ইস্তাম্বুলের ইতিহাসখ্যাত রাজমহল। সহজ কথায় রাজবাড়ী। এ বাড়ীর প্রতিটি ইট-পাথরের পরতে পরতে মিশে আছে ইতিহাসের গুঞ্জন। প্রায় ৪শত বছরের সাম্রাজ্য শাসন হয়েছে এখান থেকেই। কিন্তু রাজবাড়ীটি দেখে তেমন সান-শ‌ওকতের কিছুই পা‌ওয়া যাবে না। ইসলামী ধ্যান-ধারনার একটি জোরদার ছাপ রয়েছে রাজবাড়ীর আনাচে-কানাচে। হারেম বা মহল দেখতে অতীব সুন্দর কারুকার্যময় তবে সুপরিসর নয় বরং স্বল্পপরিসর। অনুমান ধর্মীয় বোধ কাজ করেছে এর নির্মাণে।

ইতিহাসখ্যাত বসফরাস প্রণালী

video

তুর্কীরা বলে 'মারমারা' সাগর। ইতিহাসের ইস্তাম্বুল শহর গড়ে উঠেছে 'বসফরাস প্রণালী'র উভয় তীর ঘিরে। এই বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণসাগর ও মারমারা সাগরকে যোগ করেছে। মারমারার প্রায় উত্তর তীর ঘেঁসে ইস্তাম্বুলের গড়ে উঠা। ইতিহাসের এক সময় এর নাম ছিল 'কন্স্টান্টিনোপুল'। ভিডিও: হারুন

বিশ্বমানুষের ঐতিহ্য দুনিয়ার সেরা সেরা গ্রামের একটি ‘বাইবারি’

বাইবারি

ইংল্যান্ডের দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত গ্লচেস্টারশায়ারের একটি গ্রাম “বাইবারি”। গ্রামের পাশদিয়ে প্রবাহিত কলন নদী।  ইংল্যান্ডের প্রাচীন দলিল-দস্তাবেজে বিশেষকরে বিজয়ী রাজা মহাবীর উইলিয়াম এর ১০৮৬ সালের ভূমি জরিপ হিসাবের খতিয়ান বই “ডোমসডে” পুস্তকে এই গ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছিল “বেচেবেরি” নামে। ১৩শ থেকে ১৭শ শতাব্দিতে নির্মিত প্রাচীন পদ্বতি ও নমুনার বহু বাড়ীঘর এই গ্রামে এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। “আর্লিংটন রো” এর ঘরগুলো প্রথম নির্মিত হয়েছিল ১৩৮০সালে। বিশ্বেস করা যায় যে এগুলো আজও দাঁড়িয়ে আছে। এখানের ট্রাউট মাছের খামার অনেক পুরনো। এখন বছরে ৬০ লাখ ট্রাউট পোনা উৎপাদিত হয় এই খামারে। ইংল্যান্ড তো অবশ্যই, পাশাপাশি দুনিয়ার সব বাঘা বাঘা চিত্রনির্মাতাগন এই গ্রামে এসে ছবি তৈরীর কাজ করেছেন এবং এখনও করছেন। ইউরোপীয়  ইতিহাসের পুরনো বাড়ী-ঘর বাস্তবে দেখাতে হলে এ গ্রামে না এসে পারা যায় না।

বঙ্গবাণী