Category: সাহিত্য

0

আজীবন শিক্ষাব্রতী জ্ঞানান্বেষী একজন সুলেখক‌ও ছিলেন

[বেশ আগে আমাদের অগ্রজতূল্য পরম শ্রদ্ধেয় আব্দুল কাদির মাহমুদ ভাই এই লেখাটি আমাকে দিয়েছিলেন। কম্পিউটারের বিবর্তনে পুরোনো অক্ষর বিন্যাস হারিয়ে যায়। বহু সাধনায় অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে তবে তা উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছি। তাই আজ এখানে পত্রস্ত...

0

সাহিত্যে উন্মত্ত মানুষ ও ডাইনী কাহিনী

**ডাইনী-শিকার অনূঢ়া বৈভব মালঞ্চ
।। অতিমাত্রিক ক্ষমতা সম্পন্ন মানুষ যার বিভিন্ন জাদুকরী ক্ষমতা আছে, তারা মানুষের যেকোন ক্ষতি করতে পারে, তাদের অভিশাপে মানুষের ক্ষতি হয়, রোগশোক-মহামারী নেমে আসে…বাস্তবে তন্ত্র মন্ত্র ও জাদুবিদ্যায় পারঙ্গম মানুষের আদপে কোন ক্ষমতা...

0

স্মৃতি সাহিত্য : নিপু কোরেশীর কিশোর স্মৃতি

নিপু কোরেশী একটি কুঁড়ি দু’টি পাতা 🌱সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এক অপূর্ব পরিবেশ বাংলাদেশের প্রতিটি চা বাগানে। আমার মরহুম পিতা রাজনগর পোর্টিয়াস হাই স্কুল থেকে লেখাপড়া শেষ করে সরাসরি যোগ দেন চা বাগানের কর্ম জীবনে।...

0

“নক্তকুমার” কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে তরুণ কবি নৌশিন আতিয়া রহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ “নক্তকুমার”এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় ইসলামপুর পিএমপি উচ্চবিদ্যালয় হল রুমে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন ইসলামপুর পিএমপি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক...

0

প্রয়াত ডাঃ আজিজুর রহমানের কাব্যগ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

শাহজাহান আহমদ তরপদার।।  আজ ৬ সেপ্টেম্বর রোববার ২০২০,  করোণা মহামারির বিধিনিষেধ মান্যকরে এক অনাবিল আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্টিত হয়ে গেলো মরহুম ডাঃ আজিজুর রহমান তরফদার রচিত “আঁখিপাতে ঘুম নেই বীর সেনানী” নামক কাব্য গ্রন্থের এক মনোজ্ঞ প্রকাশনা...

0

বিষাদ সিন্ধু নিয়ে দুটি কথা

রাজন আহমদ (প্রথম পর্ব) কেন এই লেখাটি বিষাদ সিন্ধু বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বহুল পঠিত উপন্যাস। কারবালার নির্মম ট্রাজেডিকে কেন্দ্র করে মীর মশাররফ হোসেন উপন্যাসটি লিখেছেন; কিন্তু কারবালার সত্য ইতিহাসকে পাশ কাটিয়ে মীর মশাররফ হোসেন অসংখ্য বানোয়াট...

0

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের রহস্য মানবী দ্বিতীয় সেই রূপকার

তনিমা রশীদ সৃষ্টি। ‘সৃষ্টি’ বাবার দেয়া আদুরে নাম। তনিমা মৌলভীবাজার সরকারী মহিলা কলেজের প্রথম বর্ষ স্নাতকের ছাত্রী। তনিমা লেখতে চান। সবেমাত্র লেখা-লেখি শুরু করেছেন।  খুব সম্ভবতঃ এটি তার প্রথম লেখা। জীবনের প্রথম লেখাটি লিখতে গিয়ে তিনি...

0

জীবনের মুখগুলি

জীবনের মুখগুলি ৪৫ -কামরুল হাসান জাহেদ ইকরাম। জাহেদ ইকরাম আমার সহপাঠী। বন্ধু কি? যে অর্থে সহপাঠীরা বন্ধু হয়, সে অর্থে তো বটেই। একথা সত্য আমরা দুজনেই ঢাকা মেডিকেল কলেজে একই ব্যাচে (কে-৩৭) পড়েছি। আমি ছেড়ে দিয়েছি দ্বিতীয়...

0

কিছু লেখার আগেই ক্ষমা দৃষ্টি আকর্ষণ চাইছি!

-ডলি বেগ কিছু লেখার আগেই ক্ষমা দৃষ্টি আকর্ষণ চাইছি! পৃথিবীর সবচেয়ে দামী পণ্যের নাম কী জানেন? উত্তরটা হলো গরীব মানুষ, তার ক্ষুধা আর গরীবিয়ানা। এই একটা পণ্যে পৃথিবীতে কী না হয়? গরীবের গরিবীয়ানা নিয়ে গল্প,উপন্যাস,কবিতা লিখে...

0

আজফার হোসেনের ‘দর্শনাখ্যান’ নিয়ে কামরুল হাসান

Kamrul Hassan যে বই পড়ছি দর্শনাখ্যান কয়েক বছর ধরেই শুনছিলাম আমার মেধাবী বন্ধু ড. আজফার হোসেন (অনেকটা মাইকেল মধুসূদন দত্তের মতোই) একসঙ্গে ছয়খানা কিতাব লিখছেন। সেগুলো একসঙ্গেই বেরুবে। অপেক্ষার প্রহর যায়, বই আর ছাপাখানায় আসে না।...

0

ওয়েলস এর প্রথম স্মারকগ্রন্থ “হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু”

দেওয়ান ফয়সল (দেওয়ান ফয়সল একজন লেখক ও গবেষক এবং সাংবাদিক) গত সপ্তাহে বেড়াতে গিয়েছিলাম কার্ডিফ শহরে। আমার ডে অফের দিন প্রায়ই কার্ডিফ যাই। সেখানে গেলে সাধারণত: ওয়েলসের প্রথম সাংবাদিক ও কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর ভাই,...

0

যার ঋণ আমাদের অনেকেরই শোধ করার ক্ষমতা নাই

[কয়ছর আহমদ মৌলভীবাজারের মানুষ। একজন সৎ নিষ্ঠাবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সুপ্রতিষ্ঠিত বিলেতের অধিবাসী। চার কন্যা সন্তানের পিতা কয়ছর আহমদ প্রবাসী বাংগালী সমাজে জনপ্রিয় সমাজসেবী ব্যক্তিত্বও বটে। সামাজিক সেবাকর্ম ও রাজনৈতিক দিকের বিবেচনায় কয়ছর আহমদ আমার অন্যতম একজন...

0

প্রিয়দর্শী আমার জীবনসাথীর স্মরণে ক’ফোটা ঝরা কান্না-

ঝরা কান্না। সুলক্ষনা প্রিয়দর্শী আমার জীবনসাথীর স্মরণে ক’ফোটা ঝরা কান্না। আজ পুরো ১৪দিন পর কিছু লিখতে বসলাম। এ ২ সপ্তাহ কেনো কিছুই লিখে উঠতে পারিনি তার ব্যাখ্যা অন্য কোন দিন অন্য কোন অবসরে জানাবো না-কি এখনই বলবো...

0

বিশ্ব কবিমঞ্চ মৌলভীবাজার জেলা কমিটি গঠিত

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। গত ২২শে নভেম্বর শুক্রবার বিকেল ৫ ঘটিকায় মৌলভীবাজার পাবলিক লাইব্রেরিতে বিশ্ব কবিমঞ্চ মৌলভীবাজার জেলা কমিটি গঠিত হয়। কবি মায়া ওয়াহেদের সভাপতিত্বে কবি নাহিদ ইয়াছমিন এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি কিশোরী...

0

ফেয়ার এন্ড লাভলি, কমলালেবুর গন্ধ এবং রবিঠাকুর ও বঙ্গবন্ধু

মিনহাজ আহমদ।। সৈয়দ মুজতবা আলী যখন বিশ্বভারতীতে গেলেন, তখন তাঁর কণ্ঠে প্রকট ছিলো সিলেটি উচ্চারণ। কবিগুরু নাক সিঁটকিয়ে বলেছিলেন ‘কমলা লেবুর গন্ধ’। সৈয়দ মুজতবা আলী বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন এবং দ্রুত মুখ থেকে কমলা লেবুর গন্ধ,...

0

শক্তিও চলে গেল…

সাইফুদ্দীন আহমদ নান্নু।।  আমার শহরে কোন সম্রাট নেই, রাজা নেই, কিন্তু শক্তির মত অনেক পাপহীন, শুভ্রমানুষ আছে। এই মানুষেরাই আমাদের নিত্যজীবনের ছোট্ট ছোট্ট ঝর্ণাধারা ছিল, টলমলে জলের দিঘী ছিল, বনফুলের সুবাস ছিল। শক্তি শিকদার মানিকগঞ্জ শহরের...

0

প্রান্তির কবিতা “বাবা”

প্রান্তি ঢাকার বিএমএ ভবনে আয়োজিত বাবার শোক সভায় তার এ কবিতাটি আবৃত্তি করেন। ফুলে ফুলে ছাওয়া তোমায় দেখে, গর্বে ভরে উঠে মন। আমার বাবা নওকো শুধু এ যে সাত রাজারই ধন।         খায়রুল...

0

উজার থেকে আপাততঃ বেঁচে গেলেও সুন্দরবন বাঘের ভবিষ্যৎ খুব নিরাপদ নয়

মুক্তকথা নিবন্ধ।। সুন্দরবনের ডোরাকাটা বাঘ যা “রয়েল বেঙ্গল টাইগার” নামেই বেশী খ্যাত। নিশ্চিন্ন হয়ে যাওয়া থেকে উদ্ধার পাচ্ছে ধীরে ধীরে। শিকারী ব্যাধদের চোরাগুপ্তা হত্যার বিরুদ্ধে একটু কঠোর ব্যবস্থা নেয়ায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে আবার দেখা যাচ্ছে।
বাঘের চামড়ার...

0

অন্যের কথায় তো আমি আমার স্বপ্ন বিসর্জন দেব না, লড়াই চালিয়ে গেলাম : কেট উইন্সলেট

মুক্তকলি সংস্কৃতাঙ্গন।। টাইটানিক খ্যাত অভিনয়শিল্পী কেট উইন্সলেট। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড, গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড, গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসহ বহু পুরস্কার ভরেছেন ঝুলিতে। বয়স ৪০ ছাড়িয়েছে, এখনো তিনি ঝলমলে তরুণ। ফেসবুকভিত্তিক অলাভজনক সংগঠন উই ডের আয়োজনে গত ২২ মার্চ...

0

রবীন্দ্রনাথের চাবি ভাঙা ও পণ্ডিতদের বালখিল্যপনা

মিনহাজ আহমদ।। বলা হয়, শিল্পসংস্কৃতির ক্ষেত্রে কোন সৃষ্টিকে যুগোত্তীর্ণ হতে হলে তাতে অন্যান্য গুণের সাথে সাথে সৃজনশীলতার ছাপও থাকতে হবে। কতটুকু সৃজনশীল হলে কোন সৃষ্টি যুগোত্তীর্ণ হয়, আমাদের সবচেয়ে নিকটবর্তী একজন মানুষ তার সাহিত্য ও সঙ্গীত...

0

সন্তানেরা ভাবে, ‘বাবা প্রাণীটা কেমন?’

জহির চৌধুরী।। মায়েরা হয়তো কথায় কথায় বলতে পারেন, আমি বাপের বাড়ি/বোনের বাড়ি চলে গেলাম। কিন্তু বাবাদের চলে যাবার মতো কোনো জায়গা থাকে না। একরাত কারো বাসায় গিয়ে থাকার মতো কোনো জায়গাও অবশিষ্ট নেই তাদের।’ বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত...

0

‘হালখাতা’ এখন নববর্ষের উৎসব

-হারুনূর রশীদ পহেলা বৈশাখ। বাংলা দিন পঞ্জিতে বছর গণনার প্রথম দিন। ভারতীয় দিনপঞ্জিকায় বাংলা সনের আবির্ভাব আমাদের সকলেরই জানা আছে গৌড়ের রাজা শশাংকের সময় এর উদ্ভব। ভারত ইতিহাসের সবচেয়ে বিজ্ঞ ও শক্তিমান সম্রাট আকবর এর পুনঃপ্রবর্তন...

0

২৫শে মার্চের কাল রাতে শহীদ হয়েছিলেন মৌলভীবাজারের মাসুক আহমদ

নিপু কোরেশী ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সিদ্ধান্ত নিলো মুক্তিকামি বাঙালীকে থামিয়ে দিতে হলে গনহত্যা চালাতে হবে। তাই এই নরপশুরা বেঁচে নিলো ঢাকা বিঃবিদ্যালয়ের ইকবাল হলকে। এর নাম দেয়া হয়েছিলো *অপারেশন সার্চ লাইট*। মৌলভীবাজার...

0

চলমান বিশ্বপটে বাংলা ভাষা, সাংবাদিকতা ও বাঙ্গালী

হারুনূর রশীদ।। হাটি হাটি পা পা করে বৃটেনে গড়ে উঠছে বাংলাভাষার সাংবাদিকতা। কোন শিল্প বা অঙ্গন গড়ে উঠার পথে যে সকল অন্তরায় সক্রিয় থাকে, এখানে নব্য উঠতি বাংলা সাংবাদিকতায় সেগুলো তো আছেই উপরন্তু নতুন নতুন কিছু...

0

সাধারণের জন্য গ্রাম আদালত কতটা প্রয়োজন : একটি নিরীক্ষা

নিকোলাস বিশ্বাস।। গ্রাম আদালত সক্রিয় ও যথাযথভাবে কার্যকর হলে এলাকার সাধারণ মানুষ বিশেষ ক’রে অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী উপকৃত হবেন। এছাড়াও উচ্চতর আদালতে মামলার অস্বাভাবিক চাপ বহুলাংশে হ্রাস পাবে।

ফেইচবুক থেকে

প্রবন্ধ

স্বেচ্চাসেবা

কয়ছর আহমদ

দয়া, মায়া, কোমল হৃদয় দিয়ে হাসি মুখে কারো দিকে তাকানো, কিংবা কারো বিপদে আপদে  উদার হস্ত প্রসারিত করে নীপিড়ীত, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং বিনিময়ে কোন প্রতিদান আশা না করে; তবে এটাই হচ্ছে সব চেয়ে উত্তম চ্যারিটি। চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা একটি মহৎ কাজ। আমরা বলি দান বা সাহায্য। আরবিতে এটিকে বলা হয় জাকাত, ছদকা।  সম্পদ দান করলে তাতে সম্পদের কোনো ক্ষয় হয় না বরং বৃদ্ধি পায়, এমন কথা বহু ধর্মে আছে। সম্পদকে পবিত্র করতে হলে  অব্যশই স্বেচ্ছাসেবায় দান করতেই হবে। জন্ম থেকে যে জ্ঞান, শক্তি ও সম্পদ মানুষ পেয়েছে তা অব্যশই মানবতার কল্যানে ব্যয় করতে হবে। একজন বিত্তবানের ঘরে যদি পর্যাপ্ত খাদ্য মওজুদ থাকে আর তার  প্রতিবেশী যদি অনাহারে ভুখা থাকে, তা হলে তার সে  খাদ্য পবিত্র হবেনা। একজনের উচ্ছিষ্ট্য খাবার,  আপনি চেয়ার-টেবিলে বসে অনেক আইটেম দিয়ে আহার গ্রহণ করলেন, আর বাড়ীর চাকর-বাকর, গরীব মিসকীনদেরকে মাঠিতে বসায়ে খাওয়ালেন। এটি মানবতার অপমান। একজন মানুষের পুরানো কাপড়, কিংবা পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র যা তিনি ব্যবহার না করেন, তা দান করলে তাতে কোন পূণ্য বা প্রতিদান নাই। নিজে যা পড়েন, নিজে যে খাদ্য গ্রহণ করেন, চ্যারিটি হিসাবে তাহাই দান করা উত্তম সেবা। অর্থাৎ উত্তম বস্তু দান করাই উত্তম কাজ। ভালো কাজের প্রতিদান ভালো ছাড়া আর কী হতে পারে।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান ভাবে দেখার মতো মন-মানসিকতা অর্জন করা সবচেয়ে বড় কাজ। ‘লোক দেখানোর মন-মানসিকতা নিয়ে কোনো কাজ না করাই উত্তম।’  তোমাদের মনে যা আছে, তোমরা প্রকাশ করো অথবা গোপন রাখো, আল্লাহ উহার হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন।  সুতরাং আমাদের লক্ষ্যের কারণে আমাদের অনেক ভালো কাজ যাতে ব্যর্থ না হয়, তার জন্য আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।

চ্যারিটি নিজের ঘর থেকেই শুরু করা সবচেয়ে মূল্যবান কাজ। যেকোন মানুষ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে একটা পটে কিছু সঞ্চয় করে কোনো অতি দরিদ্র লোককে সাহায্য করা, যেমন তার ঘর-বাড়ী নির্মাণ, সন্তানদের লেখা-পড়া কিংবা চিকিৎসার জন্য দান করার ভিন্ন নামই হচ্ছে চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা। এই মহৎ কাজে সমাজের অন্যান্য সক্ষম ব্যক্তিদেরকেও উৎসাহিত করা, সকলের সন্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এই মহৎ কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং এটাকে  প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। যাতে সমাজের অবহেলিত জনগণ এই অনুদানকে ব্যবহার করে নিজেকে সাবলম্বি করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং দরিদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো, পৃথিবীর সকল যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ সমূহে এক দিকে অন্যায় ভাবে মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে, মাতৃভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, আবার অন্য দিকে এই একই মানুষের অপর একটি অংশ নিজের জীবনকে বাজী রেখে সেখানে ঔষধ, পানি, খাবার নিয়ে আর্থ মানবতার সেবায় নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিচ্ছে, ঘর বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছে, অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এর চেয়ে উৎকৃষ্ট মহানুভবতা আর কী হতে পারে। যারা এই সমস্ত কাজে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে, এই পৃথিবীতে মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করা তাঁদের সার্থক।

প্রবাসী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ তাদের নিজ নিজ এলাকায় পবিত্র রমজান উপলক্ষে চাল, ডাল, তেল সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন, আবার অনেকেই মানুষের ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছেন। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে দান করার প্রবণতা অনেকটা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা খুবই ভালো লক্ষন। আবার প্রবাসীদের মধ্যে অনেক প্রবীণ লোক আছেন, যারা অনেক কষ্ট করে দেশে সম্পদ গড়েছেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অনেকেই জানেননা তাঁদের এই সম্পদ এখন কি করবেন। কারণ ছেলে মেয়েরা এই সব বিষয়ে আগ্রহী নয়। নতুন প্রজন্মের এসকল মানুষদের তাঁদের অর্থ ও সম্পদ সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যানে সঠিক পথে দান করার জন্য তাঁদেরকে আগ্রহী করে তুলতে পারলে এবং  সততা, আন্তরিকতা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার সাথে সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে গরীব মানুষের উন্নয়ন করতে পারলে তবেই না সমাজের জন্য কিছু করা হলো বলে দাবী করা যাবে।
যারা দেশান্তরীত হয়ে বিদেশের মাটিতে আসেন তাদের প্রায় সকলেই নিজেদের জন্মভুমি ত্যাগ করে  শূন্য হাতে পরবাসী হয়ে থাকেন। এখন তারা তাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন, নিজেদের সন্তানদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। আমাদের সকলকে অব্যশই মনে রাখতে হবে যে, এই সমস্ত দেশে যদি আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, সুষম বন্টন, সমতা, সবার জন্য সমান শিক্ষা, চিকিৎসা, সম অধীকার, ধর্ম নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, বৈষম্যহীন সমাজ এবং সম্পদের সুষম বন্টন অর্থাৎ রাষ্টের উন্নয়নের ফসল সমাজের গরীব ও অবহেলিত জনগণের মধ্যে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকতো, তা হলে কোন প্রবাসী মানুষের জন্যই  প্রবাসে থাকা সম্ভব হতোনা; সম্পদের অধিকারীও কেউ হতে পারতেন না।  মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে মানুষ যে চিত্র দেখতে পায় তা ভয়াবহ। ওসব দেশে মানুষকে পুরোদস্তুর  দাস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মহিলারা তাদের ইজ্জ্বত নিয়ে ফিরে আসতে পারছেনা।  যারাই সমাজের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চান, অবশ্যই এই সমস্ত বিষয় মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে।
এ বিশ্বের সকল শাস্ত্রই ন্যায়পরায়নতা, সদাচারণ ও আত্নীয় স্বজনকে দানের সুপারিশ করেছে এবং  নিষেধ করেছে অশ্লীলতা, অসৎ কর্ম ও সীমা লঙ্গন করতে। 

বদলে গেছে ধর্ম ইসলামের জন্মভূমি

মুক্তকথা নিবন্ধ।। ওহুদের যুদ্ধমাঠ, আরবীয়া। অন্যছবি খুঁজতে গিয়ে হঠাৎই পেয়ে গেলাম। হয়তো ভুলে যাবো আর কোনদিন এখানে দেয়া হবে না। তাই এখনি দিয়ে দিলাম। অত্যল্প ভিডিওখানা আমারই তোলা। ছবিতে আছে আমার ছেলে মাহমুদ ও নাতনি ইরা।
হঠাৎ দেখা সবকিছুই নয়নাভিরাম হয়। ঠিক তেমনি জীবনের প্রথম দেখা পাথরের পাহাড়বেষ্টিত ওহুদের মাঠ আমার কাছে অসাধারণ মুগ্ধকর এক প্রকৃতি মনে হয়েছিল। হয়তো প্রতিদিন যারা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছেন তাদের কাছে কোন কিছুই নয়। এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে উন্নয়নের নামে যে হারে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে সৌদিতে এতেকরে আজকের ওহুদ পাহাড়কে ভবিষ্যতে হুবহু দেখা যাবে কি-না অনেক সন্দেহ রয়েছে।

video

কারণ মানুষের সুবিধা করে দেয়ার আরেক অর্থই হলো ব্যবসা। যতই মানুষের আসা-যাওয়া বাড়বে ততই ব্যবসা বাড়ে। এসবে ধর্মের কিছুই যায় আসে না। মানব ধর্মের এই মহান ব্রত নিয়ে সৌদিরা দুনিয়ার মানুষের ঐতিহাসিক সেই ‘আরাফাতের ময়দান’কে আধুনিকায়ন করতে গিয়ে এমন নমুনায় বদলে দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে আর ‘ময়দান’ দেখা যাবে না। দেখা যাবে বিশাল এক প্রদর্শনী মাঠ। সৌদিদের টাকা ছিল, তারা পারতেন পুরো আরাফা পাহাড়বেষ্টিত এলাকাকে শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষনা দিয়ে তার বাইরের দিকে নগরায়ন করা। এতে করে কোটি কোটি তীর্থযাত্রী মানুষ তাদের নিজ নিজ আবেগ অনুভুতি দিয়ে এ মহাবিশ্ব নিঃশেষ হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত অনাদি অনন্তকাল দেখতে পারতো তাদের প্রানের সেই ঐতিহাসিক ‘আরাফাতের ময়দান’কে। পুরো আরাফাতের মাঠ এলাকাকে আছোঁয়া রাখাই ছিল সকল ধর্মমতামতের মধ্যে শ্রেষ্ট। এ কাজ কোনভাবেই দুঃসাধ্য কিছু ছিল না। এ বিশ্বে এমন সংরক্ষিত এলাকা শত শত আছে। আমাদের বাংলাদেশেই বণাঞ্চলের জন্য এমন সংরক্ষিত এলাকা দু’তিনটি আছে। আফ্রিকায় গোটা বাংলাদেশের মত একটি এলাকা সংরক্ষিত আছে শুধু বন্য পশু-পাখীর নিরাপদ চলাফেরার জন্য। নবী মোহাম্মদের স্মৃতি বিজড়িত আরবের সকল এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে রাখা সৌদিদের জন্য না পারার কিছুই ছিল না। কিন্তু ওই যে তাদের ওয়াহাবি মতবাদ! তাই মানুষের অন্তরের গভীরের আবেগ অনুভুতিবোধের ইসলামকে ওয়াহাবিরা বুঝে না, বুঝতে চায়ও না।

ওহুদ পাহাড়। ছবি: মুক্তকথা

 

আরাফাতের মাঠ! কিন্তু মাঠ কোথায়? এতো সব বাড়ী-ঘর! মাঠের ভেতরেই এ আয়োজন কেনো?  ছবি: মুক্তকথা

ধর্ম ইসলামের বাংলা দাড়ায় ‘শান্তি’। জীবনের সকল কর্মে শান্তি দুনিয়ার সকল মানুষের পরম আরাধ্য বিষয়। আন্তরিকভাবে শান্তি চায় না এমন মানুষ দুনিয়ার কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই শান্তির মাঝে মনের স্থায়ী শান্তি হলো আসল শান্তি। মানুষের মনে যে আবেগ কাজ করে, আবেগের সেই কথা বা স্থান যথোপযুক্ত মানে সংরক্ষিত আছে দেখে মানুষের মনে যে প্রশান্তি আসে সেই শান্তিই আসল শান্তি। বাদবাকী সব বাইরের চাকচিক্য বিনোদনে মানুষকে তৃপ্তি দেয় যা’কে ক্ষণিক শান্তি বলা যায়। মনের জগতে অপার অনন্ত স্থায়ী মানবিক শান্তি নয়। চাকচিক্য বিনোদন মানুষকে তৃপ্তি দেয় ফলে ব্যবসা হয় অফুরান। ধর্ম ইসলামের মূল কথা ব্যবসা নয় বরং শান্তি। মানব মনের বিশাল জগতকে স্থায়ী আনন্দের হিল্লোলে ভরে রাখতে পারে যে দেখা, যে ছবি, যে কথা তাকে শান্তির উৎস বলা যায়। সেই উৎসস্থল হিসেবে আরাফাতের মাঠ বিশ্ব মুসলমানদের কাছে নির্বাক হয়ে দেখার বিষয়, অসাধারণ সুন্দর এক ঐতিহাসিক প্রান্তরের ছবি যে ছবি দেখামাত্রই কথা বলে উঠে বিশ্বমানবতার মুক্তির। তাই সকল মানুষের মনে গভীর মমতায় স্থান করে নেয়া এমন স্থানকে উন্মুক্ত সংরক্ষিত করাই হলো মূলগতভাবে ইসলাম বা শান্তির কথা। ঐতিহাসিক মহাপবিত্র সেই স্থানকে সামনে রেখে হজ্জ্ব বা দেখার নামে ব্যবসা একেবারেই নীতিবিরুদ্ধ কাজ। যা সৌদিরা করে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে এমন ইসলাম বা শান্তি বিরোধী কাজ নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে তারা। এতে করে দুনিয়ার মানুষকে তারা শুধুমাত্র আরামপ্রিয় আবেগি ভ্রমণকারী হিসেবে গড়ে উঠার বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ধর্ম হলো আবেগ অনুভুতি বর্জিত জ্ঞানচর্চ্চাহীন কিছু কিংবদন্তী!
হারুনূর রশীদ, লণ্ডন সোমবার ৯ই ডিসেম্বর ২০১৯সাল

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদনের নানা রূপ

video

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্বাচন জেতার পর সম্ভবতঃ পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক অনুসারী কোন এক যুবতীর এমন নেংটা নৃত্যের আয়োজন করেন। ভিডিওটি দেখেই বুঝা যায় এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরী করা হয়েছে। নতুবা এমন ন্যাংটা নাচের আয়োজনের কারণ কি শুধুই লাম্পট্য? অবশ্যই না। এখানে অবশ্যই কিছু মানুষের মূলগত কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। নাচের এমন আয়োজন গোপনে হতে পারে। কিন্তু ভিডিও করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় স্পষ্টই বুঝা যায়, নিশ্চয়ই কোন না কোন উদ্দেশ্য রয়েছে। ভিডিওখানা দেখে বুঝার উপায় নেই এটি পাকিস্তানের না-কি ভারতের। তবে গানের কথায় পাকিস্তান শব্দটি রয়েছে এবং গানে উচ্চারিত হতে শুনা যায়। যেখানেরই হোক না কেনো এটি যে খুব একটি সুস্থতার পরিচায়ক নয় তা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একজন বান্ধব জানালেন, উদ্দেশ্য কিছুই না স্রেফ গুগলের বিজ্ঞাপন প্রাপ্তি! বিজ্ঞাপন তারা পেয়েছেন কি-না আমাদের আর জানার সৌভাগ্য হয়নি। অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষ কেমন হারে নিজের সংস্কৃতি থেকে বিচ্যুৎ হতে পারে ভিডিওখানা তারই একটি উপভোগ্য প্রমান। এ ছাড়াও নারী দেহের এমন কামরূপে উপভোগকেই মনে হয় অনাচার বলে। যেখানেই হোক এমন অনাচারটি ঘটেছে। কেউ আটকাতে যে পারেননি এটিই সত্য। নারীদের আমরা কি নমুনায় দেখতে চাই ভিডিও খানা তারও কিছুটা আভাস দেয়। সে নীতি হোক বা নীতিনৈতিকতাহীন হোক। যারা ভিডিওখানা তৈরী করেছেন তাদের আত্মিক উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বুঝা খুবই কঠিন। তবে বিগত পাকিস্তানী নির্বাচনের বেশ পরে কে বা কারা এটি আমাদের কাছে পাঠান। হয়তো তাদের উদ্দেশ্য ভারত বা পাকিস্তানকে একটু হাস্যকর হিসেবে তুলে ধরা। আমরা শুধু পাঠক সকলের সাথে এর মর্মে পৌঁছার লক্ষ্যে এখানে পত্রস্ত করলাম। হয়তো অনেকেরই কিছুটা সাময়িক বিনোদনের উৎস হলেও হতে পারে।

ইতিহাস ঐতিহ্য

ইস্তাম্বুলের রাজবাড়ী

video

ইস্তাম্বুলের ইতিহাসখ্যাত রাজমহল। সহজ কথায় রাজবাড়ী। এ বাড়ীর প্রতিটি ইট-পাথরের পরতে পরতে মিশে আছে ইতিহাসের গুঞ্জন। প্রায় ৪শত বছরের সাম্রাজ্য শাসন হয়েছে এখান থেকেই। কিন্তু রাজবাড়ীটি দেখে তেমন সান-শ‌ওকতের কিছুই পা‌ওয়া যাবে না। ইসলামী ধ্যান-ধারনার একটি জোরদার ছাপ রয়েছে রাজবাড়ীর আনাচে-কানাচে। হারেম বা মহল দেখতে অতীব সুন্দর কারুকার্যময় তবে সুপরিসর নয় বরং স্বল্পপরিসর। অনুমান ধর্মীয় বোধ কাজ করেছে এর নির্মাণে।

ইতিহাসখ্যাত বসফরাস প্রণালী

video

তুর্কীরা বলে 'মারমারা' সাগর। ইতিহাসের ইস্তাম্বুল শহর গড়ে উঠেছে 'বসফরাস প্রণালী'র উভয় তীর ঘিরে। এই বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণসাগর ও মারমারা সাগরকে যোগ করেছে। মারমারার প্রায় উত্তর তীর ঘেঁসে ইস্তাম্বুলের গড়ে উঠা। ইতিহাসের এক সময় এর নাম ছিল 'কন্স্টান্টিনোপুল'। ভিডিও: হারুন

বিশ্বমানুষের ঐতিহ্য দুনিয়ার সেরা সেরা গ্রামের একটি ‘বাইবারি’

বাইবারি

ইংল্যান্ডের দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত গ্লচেস্টারশায়ারের একটি গ্রাম “বাইবারি”। গ্রামের পাশদিয়ে প্রবাহিত কলন নদী।  ইংল্যান্ডের প্রাচীন দলিল-দস্তাবেজে বিশেষকরে বিজয়ী রাজা মহাবীর উইলিয়াম এর ১০৮৬ সালের ভূমি জরিপ হিসাবের খতিয়ান বই “ডোমসডে” পুস্তকে এই গ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছিল “বেচেবেরি” নামে। ১৩শ থেকে ১৭শ শতাব্দিতে নির্মিত প্রাচীন পদ্বতি ও নমুনার বহু বাড়ীঘর এই গ্রামে এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। “আর্লিংটন রো” এর ঘরগুলো প্রথম নির্মিত হয়েছিল ১৩৮০সালে। বিশ্বেস করা যায় যে এগুলো আজও দাঁড়িয়ে আছে। এখানের ট্রাউট মাছের খামার অনেক পুরনো। এখন বছরে ৬০ লাখ ট্রাউট পোনা উৎপাদিত হয় এই খামারে। ইংল্যান্ড তো অবশ্যই, পাশাপাশি দুনিয়ার সব বাঘা বাঘা চিত্রনির্মাতাগন এই গ্রামে এসে ছবি তৈরীর কাজ করেছেন এবং এখনও করছেন। ইউরোপীয়  ইতিহাসের পুরনো বাড়ী-ঘর বাস্তবে দেখাতে হলে এ গ্রামে না এসে পারা যায় না।

বঙ্গবাণী