Category: Law & Court

0

বাদীকেই বিচারক জেল হাজতে পাঠালেন

আব্দুল ওয়াদুদ, মৌলভীবাজার।। মৌলভীবাজারে আদালতকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা, প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির অভিযোগে বাদীকেই জেল হাজতে পাঠিয়েছেন বিচারক। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ৩নং আমল গ্রহণকারী আদালত, মৌলভীবাজার-এর বিচারক ও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ আলী আহসান এ আদেশ দেন।...

0

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম’এর কমিটি গঠন

মৌলভীবাজারে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম’র কমিটি গঠন -সভাপতি মামুন, সম্পাদক বকসী জুবায়ের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি।। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মৌলভীবাজার জেলা ইউনিটের কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার রাতে মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির ১নং বার ভবনে সম্মেলন-২০২০ অনুষ্ঠিত...

0

শহর থেকে ৭ শত ৬০ পিছ ইয়াবাসহ একজন আটক

জাকির হোসেন।। মৌলভীবাজার শহর থেকে ৭ শত ৬০ পিছ ইয়াবাসহ কুখ্যাত এক ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মৌলভীবাজার পৌর শহরের উত্তর কলিমাবাদ এলাকা থেকে ইয়াবা সম্রাট খ্যাত মুরাদ আলি মিলনকে...

0

পলাতক তিন আসামী গ্রেফতার

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সিআর এবং নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল মামলার পরওয়ানাভুক্ত তিন পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ । গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রাম থেকে ও আদমপুর...

0

সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

শেখ হালিম তালুকদার।। মৌলভীবাজার জেলা অটো টেম্পু, অটোরিক্সা, মিশুক ও সিএনজি পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি পাবেল মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিমের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৬ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে...

0

৫৪ ধারাতেই পুলিশের সকল ক্ষমতা

লেখক- অ্যাডভোকেট ইজাজুল ইসলাম তানভীর উপ–পরিচালক মানুষের অধিকার ফাউন্ডেশন প্রকাশক-আইন নথি মুক্তকথা সংগ্রহ।। বাচ্চাদের ভয় দেখানোর জন্য একসময় ‘লাঠি’ শব্দটা ব্যবহার করা হত। তবে বর্তমানে ভয় দেখানোর জন্য “পুলিশ” শব্দটাই যথেষ্ট। পুলিশ দেখলে কি শুধু ছোটরা...

0

আলোচিত শাবাব-মাহি হত্যা’র ২ বছর, নিরাপত্তা চেয়ে নিহত শাহবাব’র মায়ের জিডি

মৌলভীবাজার অফিস।। মৌলভীবাজার শহরে আলোচিত শাবাব-মাহি হত্যা মামলাটি এখনো কোন কূল-কিনারায় পৌঁছায়নি। বাদীনির নারাজির প্রেক্ষিতে মামলাটি পিবিআই এখন তদন্ত করছে। আলোচিত এ জোড়া খুন’র ঘটনায় শাবাব’র পরিবার থেকে তার মা সেলিনা রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে মামলা করলেও নিহত মাহির পক্ষ...

0

মুসলিম বিবাহ ও তালাক আইনের আমূল সংস্কার দাবী

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। শ্রীলঙ্কার মুসলিম নারী অধিকার সংগঠন ‘মুসলিম বিবাহ ও তালাক আইনের সংস্কারের জন্য এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সে দেশের সরকারের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছে। খ্যাতিময়ী নারী অধিকার কর্মী দেশবন্ধু জেজিমা ইসমাইল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মুসলিম...

0

গ্রাম আদালতের মহামূল্যবান নথি বা আইনী কাগজাত হস্তান্তর

আদালতে বিচারের ব্যবহার্য্য বিভিন্ন ফরম ও রেজিস্টার হস্তান্তর: গ্রাম আদালতের প্রতি ইউপি চেয়ারম্যানদের দায়িত্বশীল হতে হবে – ইউএনও শিরিন আক্তার বিশেষ বার্তাপরিবেশক।। আজ ১৩ জুন ২০১৯ চাঁদুপরের শাহরাস্তি উপজেলার মোট ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানদের...

0

গ্রাম আদালত জোরদারকরণে রিফ্রেসার্শ প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

বিশেষ বার্তাপরিবেশক।। গত ২৭শে মে ২০১৯ সোমবার সকালে ঢাকার আগারগাঁওস্থ জাতীয় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে শুরু হয় তিন দিনব্যাপী গ্রাম আদালত বিষয়ক বিশেষ দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষকদের রিফ্রেসার্শ ট্রেনিং। এতে চাঁদপুর সহ অন্যান্য জেলার মোট ২২ জন ডিস্ট্রিক্ট...

0

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য! গ্রাম আদালতের বিচার পেয়ে খুশী রেনু মিয়া

বিশেষ সংবাদদাতা।। চাঁদপুর জেলার অন্তর্গত কচুয়া উপজেলার সাচার ইউনিয়নের বাসিন্দা রেনু মিয়া(৬০)। স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে নিয়ে তার সংসার ভালই চলছিল। পেশায় কৃষক। নিজের কিছু জমি থাকলেও প্রতিবেশীদের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেন। এতে...

0

তাইওয়ান সমলিঙ্গের বিবাহ আইন পাশ করলো

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। তাউওয়ান, বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন স্বশাসিত দ্বীপদেশ। তাইওয়ান এশিয়া মহাদেশের একমাত্র দেশ যারা একই লিঙ্গ বা সমলিংগের মানুষে মানুষে বিবাহের আইন পাশ করেছে। কোন কোন সংবাদ মাধ্যম তাইওয়ানের এ সিদ্ধান্তকে যুগান্তকারী বলে আখ্যায়িত করেছেন।...

0

সপ্তাহে ২ দিন গ্রাম আদালতে শুনানীর আয়োজন করা খুবই প্রয়োজন

বিশেষ সংবাদদাতা।। গত ৩০শে এপ্রিল ২০১৯, চাঁদপুর জেলায় অনুষ্ঠিত হয় জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের বাৎসরিক সমন্বয় সভা। বক্তাদের অভিমত, যেহেতু গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রমটি সমঝোতামূলক ফলে সমাজে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গ্রাম আদালত বলিষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে। উভয় পক্ষের অংশগ্রহণ ও ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতা গ্রাম আদালত সক্রিয়করণের পূর্বশর্ত।

0

নুসরাত হত্যা, এদের কঠোর শাস্তি চাই

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা। একটি আশার কথা হলো নুসরাত হত্যা ঘটনায় এ পর্যন্ত জড়িত ১৮জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা আশা করবো নুসরাতের পরিবার সুবিচার পাবে। শিক্ষক, রাজনীতিক, কমিশনাররূপী নরপিশাচদের কঠোর শাস্তি হচ্ছে তা আমরা দেখতে পাবো। আমরা ধর্মান্ধ ধর্ষক সমাজ নই, এ সত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারবো।

0

চাঁদপুরের গ্রাম আদালতে মার্চ মাসে ২৫১ মামলা দায়ের ও ১২,৭২,৫০০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়

বিশেষ প্রতিনিধি।। চাঁদপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণের কাজ ২০১৭ সাল হতে চলছে। তবে গ্রাম আদালতে মামলা গ্রহণ এবং নিস্পত্তির কাজ শুরু হয় ঐ বছর জুলাই মাস হতে। এ পর্যন্ত মোট ৩,৩২৬ মামলা গ্রাম আদালতে নথিভূক্ত হয়েছে এবং...

0

সত্যই কি উচ্চ আদালতে রিট হয়েছিল? না-কি অন্যকিছু?

মুক্তকথা, মৌলভীবাজার।। রাজনগর উপজেলা নির্বাচন নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রিটের পরে না-কি আদালত ১৫দিনের মধ্যে অভিযোগের নিষ্পত্তি ও এ সময়ের মধ্যে নির্বাচনের যাবতীয় কার্যকলাপ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। নির্বাচন শেষ হয়েছে দু’সপ্তাহ হলো। একজনকে পাশ ঘোষণাও করা হয়েছে। রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজ অবদি উচ্চ আদালত থেকে সরাসরি কোন নির্দেশ পাননি। উপরন্তু তিনি সাংবাদিককে বলেছেন রিটকারী আসকির খান কোন রিট করেননি বলেই সরাসরি তাকে জানিয়েছেন।

0

বাস্তবে এখনো অনেক ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশের পদ শূন্য রয়েছে

চাঁদপুর, ২১ মার্চ ২০১৯।। গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে গ্রাম পুলিশদের ভূমিকা আরো জোরদার করতে হবে। বাস্তবে এখনো অনেক ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশের পদ শূন্য রয়েছে। এসব শূণ্যপদ পূরণ করে গ্রাম আদালতের কার্যকারীতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

0

মিথ্যা মামলার হয়রানীতে রাজনগরের দুই পরিবার। ফাঁসাতে মরিয়া প্রতিপক্ষ

মুক্তকথা দপ্তর।। মৌলভীবাজারের আমাদের এক সুহৃদ সাংবাদিক, প্রকাশের জন্য একটি সংবাদ নিবন্ধ পাঠিয়েছেন। সংবাদটির বিবরণে তিনি যা উল্লেখ করেছেন তাতে জানা যায় যে রাজনগর উপজেলার দাদন ব্যবসায়ী এক মহিলা প্রতিবেশী দুই পরিবারের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত হত্যা...

0

গ্রাম আদালতে নারী-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে

গ্রাম আদালতে নারী-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে- ফরিদগন্জের ইউএনও মোঃ আলী আফরোজ নিকোলাস বিশ্বাস।। গত ২৬শে ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে ফরিদগন্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচিত নারী সদস্যদের নিয়ে গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ায়...

0

একজন ম্যাজিষ্ট্রেট পরিচয়ে কি করে এ দূর্বৃত্ত নারী ১২বছর মানুষকে ঠকিয়ে গেলো?

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। শাহনুর রহমান সিক্ত নামের এই মেয়েটির চৌর্য্যবৃত্তি বাংলাদেশের গণমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অন্ততঃ ১৫টি গণমাধ্যম এ নিয়ে বিশাল বিশাল পাতাজুড়ে মেয়েটির নানা রতিকৌশলী মদনবিহারের কাহিনী রসিয়ে লিখেছেন। এ নারী বিগত একযুগ ধরে এমন রমরমিয়ে...

0

মাদক ও জঙ্গী তৎপরতা রোধ করে জনগনকে আইন শৃঙ্খলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে

প্রনিত রঞ্জন দেবনাথ।। “আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন একা পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়।” কমলগঞ্জে আইন শৃঙ্খলার উন্নয়নে আয়োজিত সভায় সহকারী পুলিশ সুপার এমন বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন,  মাদক ও জঙ্গী তৎপরতা রোধ করে জনগনকে আইন শৃঙ্খলার উন্নয়নে ভূমিকা...

0

গ্রাম আদালতের অগ্রগতি ও মোকাবিলাসমূহ নিয়ে জেলা প্রশাসকের ‘দূরদর্শন সন্মিলনী’

কোন কোন ইউপি সদস্য এখনো এলাকায় সালিশ-দরবার করেন, যার কারণে গ্রাম আদালতের এখতিয়ারাধীন মামলা আদালতের বাইরে নিস্পত্তি হচ্ছে যা আইন-সম্মত নয় প্রতিটি গ্রামকে শহরে পরিণত করতে হলে শহরের সকল সেবা গ্রামে নিয়ে যেতে হবে চাঁদপুর থেকে...

0

রাজনগরে অটো রিক্সা চালকের উপর হামলা ৩ আসামীর ১জন আটক

মুক্তকথা, মৌলভীবাজার অফিস।। মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার সুনামপুর গ্রামের অটোরিক্সা চালক আব্দুল কুদ্দস-এর উপর হামলার ঘটনায় এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম নুরুল ইসলাম নাহিদ। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাজনগরের বাঁধবাজার-খেয়াঘাটবাজার সড়কে সিএনজি চালায় কুদ্দুছ।...

0

ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দিতে আমেরিকার প্রতি রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। ভারতের বহির্বিশ্ব মন্ত্রনালয় আমেরিকার প্রতি ‘ডেইমারশ’ চিঠি লিখেছে। সাধারণতঃ কোন রাজনৈতিক পদক্ষেপকেই ‘ডেইমারশ’ বলা হয়ে থাকে। আটক ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেয়ার দাবীতে আমেরিকার প্রতি ভারত এ পদক্ষেপ নিয়েছে। 
গত ৩০ ও ৩১শে জানুয়ারীতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইমিগ্রেশন...

0

চাঁদপুরে গ্রামআদালত : ১৮ মাসে ২৫৫৮টি মামলার নিস্পত্তি

মামলার জট কমাতে চাঁদপুরে কাজ করছে গ্রাম আদালত ১৮ মাসে ২৬৭৮ মামলা দায়ের ও ২৫৫৮টি নিস্পত্তি চাঁদপুর থেকে নিকোলাস বিশ্বাস, জানুয়ারি ২৬, ২০১৯।। শাহরাস্তির খুর্শীদা বেগম, ফরিদগন্জের আঁখি আক্তার ও খোরশেদ আলম এবং মতলব-দক্ষিণ উপজেলার মোসাম্মত...

ফেইচবুক থেকে

প্রবন্ধ

স্বেচ্চাসেবা

কয়ছর আহমদ

দয়া, মায়া, কোমল হৃদয় দিয়ে হাসি মুখে কারো দিকে তাকানো, কিংবা কারো বিপদে আপদে  উদার হস্ত প্রসারিত করে নীপিড়ীত, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং বিনিময়ে কোন প্রতিদান আশা না করে; তবে এটাই হচ্ছে সব চেয়ে উত্তম চ্যারিটি। চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা একটি মহৎ কাজ। আমরা বলি দান বা সাহায্য। আরবিতে এটিকে বলা হয় জাকাত, ছদকা।  সম্পদ দান করলে তাতে সম্পদের কোনো ক্ষয় হয় না বরং বৃদ্ধি পায়, এমন কথা বহু ধর্মে আছে। সম্পদকে পবিত্র করতে হলে  অব্যশই স্বেচ্ছাসেবায় দান করতেই হবে। জন্ম থেকে যে জ্ঞান, শক্তি ও সম্পদ মানুষ পেয়েছে তা অব্যশই মানবতার কল্যানে ব্যয় করতে হবে। একজন বিত্তবানের ঘরে যদি পর্যাপ্ত খাদ্য মওজুদ থাকে আর তার  প্রতিবেশী যদি অনাহারে ভুখা থাকে, তা হলে তার সে  খাদ্য পবিত্র হবেনা। একজনের উচ্ছিষ্ট্য খাবার,  আপনি চেয়ার-টেবিলে বসে অনেক আইটেম দিয়ে আহার গ্রহণ করলেন, আর বাড়ীর চাকর-বাকর, গরীব মিসকীনদেরকে মাঠিতে বসায়ে খাওয়ালেন। এটি মানবতার অপমান। একজন মানুষের পুরানো কাপড়, কিংবা পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র যা তিনি ব্যবহার না করেন, তা দান করলে তাতে কোন পূণ্য বা প্রতিদান নাই। নিজে যা পড়েন, নিজে যে খাদ্য গ্রহণ করেন, চ্যারিটি হিসাবে তাহাই দান করা উত্তম সেবা। অর্থাৎ উত্তম বস্তু দান করাই উত্তম কাজ। ভালো কাজের প্রতিদান ভালো ছাড়া আর কী হতে পারে।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান ভাবে দেখার মতো মন-মানসিকতা অর্জন করা সবচেয়ে বড় কাজ। ‘লোক দেখানোর মন-মানসিকতা নিয়ে কোনো কাজ না করাই উত্তম।’  তোমাদের মনে যা আছে, তোমরা প্রকাশ করো অথবা গোপন রাখো, আল্লাহ উহার হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন।  সুতরাং আমাদের লক্ষ্যের কারণে আমাদের অনেক ভালো কাজ যাতে ব্যর্থ না হয়, তার জন্য আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।

চ্যারিটি নিজের ঘর থেকেই শুরু করা সবচেয়ে মূল্যবান কাজ। যেকোন মানুষ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে একটা পটে কিছু সঞ্চয় করে কোনো অতি দরিদ্র লোককে সাহায্য করা, যেমন তার ঘর-বাড়ী নির্মাণ, সন্তানদের লেখা-পড়া কিংবা চিকিৎসার জন্য দান করার ভিন্ন নামই হচ্ছে চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা। এই মহৎ কাজে সমাজের অন্যান্য সক্ষম ব্যক্তিদেরকেও উৎসাহিত করা, সকলের সন্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এই মহৎ কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং এটাকে  প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। যাতে সমাজের অবহেলিত জনগণ এই অনুদানকে ব্যবহার করে নিজেকে সাবলম্বি করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং দরিদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো, পৃথিবীর সকল যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ সমূহে এক দিকে অন্যায় ভাবে মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে, মাতৃভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, আবার অন্য দিকে এই একই মানুষের অপর একটি অংশ নিজের জীবনকে বাজী রেখে সেখানে ঔষধ, পানি, খাবার নিয়ে আর্থ মানবতার সেবায় নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিচ্ছে, ঘর বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছে, অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এর চেয়ে উৎকৃষ্ট মহানুভবতা আর কী হতে পারে। যারা এই সমস্ত কাজে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে, এই পৃথিবীতে মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করা তাঁদের সার্থক।

প্রবাসী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ তাদের নিজ নিজ এলাকায় পবিত্র রমজান উপলক্ষে চাল, ডাল, তেল সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন, আবার অনেকেই মানুষের ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছেন। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে দান করার প্রবণতা অনেকটা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা খুবই ভালো লক্ষন। আবার প্রবাসীদের মধ্যে অনেক প্রবীণ লোক আছেন, যারা অনেক কষ্ট করে দেশে সম্পদ গড়েছেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অনেকেই জানেননা তাঁদের এই সম্পদ এখন কি করবেন। কারণ ছেলে মেয়েরা এই সব বিষয়ে আগ্রহী নয়। নতুন প্রজন্মের এসকল মানুষদের তাঁদের অর্থ ও সম্পদ সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যানে সঠিক পথে দান করার জন্য তাঁদেরকে আগ্রহী করে তুলতে পারলে এবং  সততা, আন্তরিকতা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার সাথে সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে গরীব মানুষের উন্নয়ন করতে পারলে তবেই না সমাজের জন্য কিছু করা হলো বলে দাবী করা যাবে।
যারা দেশান্তরীত হয়ে বিদেশের মাটিতে আসেন তাদের প্রায় সকলেই নিজেদের জন্মভুমি ত্যাগ করে  শূন্য হাতে পরবাসী হয়ে থাকেন। এখন তারা তাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন, নিজেদের সন্তানদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। আমাদের সকলকে অব্যশই মনে রাখতে হবে যে, এই সমস্ত দেশে যদি আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, সুষম বন্টন, সমতা, সবার জন্য সমান শিক্ষা, চিকিৎসা, সম অধীকার, ধর্ম নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, বৈষম্যহীন সমাজ এবং সম্পদের সুষম বন্টন অর্থাৎ রাষ্টের উন্নয়নের ফসল সমাজের গরীব ও অবহেলিত জনগণের মধ্যে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকতো, তা হলে কোন প্রবাসী মানুষের জন্যই  প্রবাসে থাকা সম্ভব হতোনা; সম্পদের অধিকারীও কেউ হতে পারতেন না।  মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে মানুষ যে চিত্র দেখতে পায় তা ভয়াবহ। ওসব দেশে মানুষকে পুরোদস্তুর  দাস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মহিলারা তাদের ইজ্জ্বত নিয়ে ফিরে আসতে পারছেনা।  যারাই সমাজের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চান, অবশ্যই এই সমস্ত বিষয় মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে।
এ বিশ্বের সকল শাস্ত্রই ন্যায়পরায়নতা, সদাচারণ ও আত্নীয় স্বজনকে দানের সুপারিশ করেছে এবং  নিষেধ করেছে অশ্লীলতা, অসৎ কর্ম ও সীমা লঙ্গন করতে। 

বদলে গেছে ধর্ম ইসলামের জন্মভূমি

মুক্তকথা নিবন্ধ।। ওহুদের যুদ্ধমাঠ, আরবীয়া। অন্যছবি খুঁজতে গিয়ে হঠাৎই পেয়ে গেলাম। হয়তো ভুলে যাবো আর কোনদিন এখানে দেয়া হবে না। তাই এখনি দিয়ে দিলাম। অত্যল্প ভিডিওখানা আমারই তোলা। ছবিতে আছে আমার ছেলে মাহমুদ ও নাতনি ইরা।
হঠাৎ দেখা সবকিছুই নয়নাভিরাম হয়। ঠিক তেমনি জীবনের প্রথম দেখা পাথরের পাহাড়বেষ্টিত ওহুদের মাঠ আমার কাছে অসাধারণ মুগ্ধকর এক প্রকৃতি মনে হয়েছিল। হয়তো প্রতিদিন যারা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছেন তাদের কাছে কোন কিছুই নয়। এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে উন্নয়নের নামে যে হারে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে সৌদিতে এতেকরে আজকের ওহুদ পাহাড়কে ভবিষ্যতে হুবহু দেখা যাবে কি-না অনেক সন্দেহ রয়েছে।

video

কারণ মানুষের সুবিধা করে দেয়ার আরেক অর্থই হলো ব্যবসা। যতই মানুষের আসা-যাওয়া বাড়বে ততই ব্যবসা বাড়ে। এসবে ধর্মের কিছুই যায় আসে না। মানব ধর্মের এই মহান ব্রত নিয়ে সৌদিরা দুনিয়ার মানুষের ঐতিহাসিক সেই ‘আরাফাতের ময়দান’কে আধুনিকায়ন করতে গিয়ে এমন নমুনায় বদলে দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে আর ‘ময়দান’ দেখা যাবে না। দেখা যাবে বিশাল এক প্রদর্শনী মাঠ। সৌদিদের টাকা ছিল, তারা পারতেন পুরো আরাফা পাহাড়বেষ্টিত এলাকাকে শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষনা দিয়ে তার বাইরের দিকে নগরায়ন করা। এতে করে কোটি কোটি তীর্থযাত্রী মানুষ তাদের নিজ নিজ আবেগ অনুভুতি দিয়ে এ মহাবিশ্ব নিঃশেষ হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত অনাদি অনন্তকাল দেখতে পারতো তাদের প্রানের সেই ঐতিহাসিক ‘আরাফাতের ময়দান’কে। পুরো আরাফাতের মাঠ এলাকাকে আছোঁয়া রাখাই ছিল সকল ধর্মমতামতের মধ্যে শ্রেষ্ট। এ কাজ কোনভাবেই দুঃসাধ্য কিছু ছিল না। এ বিশ্বে এমন সংরক্ষিত এলাকা শত শত আছে। আমাদের বাংলাদেশেই বণাঞ্চলের জন্য এমন সংরক্ষিত এলাকা দু’তিনটি আছে। আফ্রিকায় গোটা বাংলাদেশের মত একটি এলাকা সংরক্ষিত আছে শুধু বন্য পশু-পাখীর নিরাপদ চলাফেরার জন্য। নবী মোহাম্মদের স্মৃতি বিজড়িত আরবের সকল এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে রাখা সৌদিদের জন্য না পারার কিছুই ছিল না। কিন্তু ওই যে তাদের ওয়াহাবি মতবাদ! তাই মানুষের অন্তরের গভীরের আবেগ অনুভুতিবোধের ইসলামকে ওয়াহাবিরা বুঝে না, বুঝতে চায়ও না।

ওহুদ পাহাড়। ছবি: মুক্তকথা

 

আরাফাতের মাঠ! কিন্তু মাঠ কোথায়? এতো সব বাড়ী-ঘর! মাঠের ভেতরেই এ আয়োজন কেনো?  ছবি: মুক্তকথা

ধর্ম ইসলামের বাংলা দাড়ায় ‘শান্তি’। জীবনের সকল কর্মে শান্তি দুনিয়ার সকল মানুষের পরম আরাধ্য বিষয়। আন্তরিকভাবে শান্তি চায় না এমন মানুষ দুনিয়ার কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই শান্তির মাঝে মনের স্থায়ী শান্তি হলো আসল শান্তি। মানুষের মনে যে আবেগ কাজ করে, আবেগের সেই কথা বা স্থান যথোপযুক্ত মানে সংরক্ষিত আছে দেখে মানুষের মনে যে প্রশান্তি আসে সেই শান্তিই আসল শান্তি। বাদবাকী সব বাইরের চাকচিক্য বিনোদনে মানুষকে তৃপ্তি দেয় যা’কে ক্ষণিক শান্তি বলা যায়। মনের জগতে অপার অনন্ত স্থায়ী মানবিক শান্তি নয়। চাকচিক্য বিনোদন মানুষকে তৃপ্তি দেয় ফলে ব্যবসা হয় অফুরান। ধর্ম ইসলামের মূল কথা ব্যবসা নয় বরং শান্তি। মানব মনের বিশাল জগতকে স্থায়ী আনন্দের হিল্লোলে ভরে রাখতে পারে যে দেখা, যে ছবি, যে কথা তাকে শান্তির উৎস বলা যায়। সেই উৎসস্থল হিসেবে আরাফাতের মাঠ বিশ্ব মুসলমানদের কাছে নির্বাক হয়ে দেখার বিষয়, অসাধারণ সুন্দর এক ঐতিহাসিক প্রান্তরের ছবি যে ছবি দেখামাত্রই কথা বলে উঠে বিশ্বমানবতার মুক্তির। তাই সকল মানুষের মনে গভীর মমতায় স্থান করে নেয়া এমন স্থানকে উন্মুক্ত সংরক্ষিত করাই হলো মূলগতভাবে ইসলাম বা শান্তির কথা। ঐতিহাসিক মহাপবিত্র সেই স্থানকে সামনে রেখে হজ্জ্ব বা দেখার নামে ব্যবসা একেবারেই নীতিবিরুদ্ধ কাজ। যা সৌদিরা করে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে এমন ইসলাম বা শান্তি বিরোধী কাজ নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে তারা। এতে করে দুনিয়ার মানুষকে তারা শুধুমাত্র আরামপ্রিয় আবেগি ভ্রমণকারী হিসেবে গড়ে উঠার বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ধর্ম হলো আবেগ অনুভুতি বর্জিত জ্ঞানচর্চ্চাহীন কিছু কিংবদন্তী!
হারুনূর রশীদ, লণ্ডন সোমবার ৯ই ডিসেম্বর ২০১৯সাল

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদনের নানা রূপ

video

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্বাচন জেতার পর সম্ভবতঃ পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক অনুসারী কোন এক যুবতীর এমন নেংটা নৃত্যের আয়োজন করেন। ভিডিওটি দেখেই বুঝা যায় এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরী করা হয়েছে। নতুবা এমন ন্যাংটা নাচের আয়োজনের কারণ কি শুধুই লাম্পট্য? অবশ্যই না। এখানে অবশ্যই কিছু মানুষের মূলগত কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। নাচের এমন আয়োজন গোপনে হতে পারে। কিন্তু ভিডিও করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় স্পষ্টই বুঝা যায়, নিশ্চয়ই কোন না কোন উদ্দেশ্য রয়েছে। ভিডিওখানা দেখে বুঝার উপায় নেই এটি পাকিস্তানের না-কি ভারতের। তবে গানের কথায় পাকিস্তান শব্দটি রয়েছে এবং গানে উচ্চারিত হতে শুনা যায়। যেখানেরই হোক না কেনো এটি যে খুব একটি সুস্থতার পরিচায়ক নয় তা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একজন বান্ধব জানালেন, উদ্দেশ্য কিছুই না স্রেফ গুগলের বিজ্ঞাপন প্রাপ্তি! বিজ্ঞাপন তারা পেয়েছেন কি-না আমাদের আর জানার সৌভাগ্য হয়নি। অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষ কেমন হারে নিজের সংস্কৃতি থেকে বিচ্যুৎ হতে পারে ভিডিওখানা তারই একটি উপভোগ্য প্রমান। এ ছাড়াও নারী দেহের এমন কামরূপে উপভোগকেই মনে হয় অনাচার বলে। যেখানেই হোক এমন অনাচারটি ঘটেছে। কেউ আটকাতে যে পারেননি এটিই সত্য। নারীদের আমরা কি নমুনায় দেখতে চাই ভিডিও খানা তারও কিছুটা আভাস দেয়। সে নীতি হোক বা নীতিনৈতিকতাহীন হোক। যারা ভিডিওখানা তৈরী করেছেন তাদের আত্মিক উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বুঝা খুবই কঠিন। তবে বিগত পাকিস্তানী নির্বাচনের বেশ পরে কে বা কারা এটি আমাদের কাছে পাঠান। হয়তো তাদের উদ্দেশ্য ভারত বা পাকিস্তানকে একটু হাস্যকর হিসেবে তুলে ধরা। আমরা শুধু পাঠক সকলের সাথে এর মর্মে পৌঁছার লক্ষ্যে এখানে পত্রস্ত করলাম। হয়তো অনেকেরই কিছুটা সাময়িক বিনোদনের উৎস হলেও হতে পারে।

ইতিহাস ঐতিহ্য

ইস্তাম্বুলের রাজবাড়ী

video

ইস্তাম্বুলের ইতিহাসখ্যাত রাজমহল। সহজ কথায় রাজবাড়ী। এ বাড়ীর প্রতিটি ইট-পাথরের পরতে পরতে মিশে আছে ইতিহাসের গুঞ্জন। প্রায় ৪শত বছরের সাম্রাজ্য শাসন হয়েছে এখান থেকেই। কিন্তু রাজবাড়ীটি দেখে তেমন সান-শ‌ওকতের কিছুই পা‌ওয়া যাবে না। ইসলামী ধ্যান-ধারনার একটি জোরদার ছাপ রয়েছে রাজবাড়ীর আনাচে-কানাচে। হারেম বা মহল দেখতে অতীব সুন্দর কারুকার্যময় তবে সুপরিসর নয় বরং স্বল্পপরিসর। অনুমান ধর্মীয় বোধ কাজ করেছে এর নির্মাণে।

ইতিহাসখ্যাত বসফরাস প্রণালী

video

তুর্কীরা বলে 'মারমারা' সাগর। ইতিহাসের ইস্তাম্বুল শহর গড়ে উঠেছে 'বসফরাস প্রণালী'র উভয় তীর ঘিরে। এই বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণসাগর ও মারমারা সাগরকে যোগ করেছে। মারমারার প্রায় উত্তর তীর ঘেঁসে ইস্তাম্বুলের গড়ে উঠা। ইতিহাসের এক সময় এর নাম ছিল 'কন্স্টান্টিনোপুল'। ভিডিও: হারুন

বিশ্বমানুষের ঐতিহ্য দুনিয়ার সেরা সেরা গ্রামের একটি ‘বাইবারি’

বাইবারি

ইংল্যান্ডের দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত গ্লচেস্টারশায়ারের একটি গ্রাম “বাইবারি”। গ্রামের পাশদিয়ে প্রবাহিত কলন নদী।  ইংল্যান্ডের প্রাচীন দলিল-দস্তাবেজে বিশেষকরে বিজয়ী রাজা মহাবীর উইলিয়াম এর ১০৮৬ সালের ভূমি জরিপ হিসাবের খতিয়ান বই “ডোমসডে” পুস্তকে এই গ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছিল “বেচেবেরি” নামে। ১৩শ থেকে ১৭শ শতাব্দিতে নির্মিত প্রাচীন পদ্বতি ও নমুনার বহু বাড়ীঘর এই গ্রামে এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। “আর্লিংটন রো” এর ঘরগুলো প্রথম নির্মিত হয়েছিল ১৩৮০সালে। বিশ্বেস করা যায় যে এগুলো আজও দাঁড়িয়ে আছে। এখানের ট্রাউট মাছের খামার অনেক পুরনো। এখন বছরে ৬০ লাখ ট্রাউট পোনা উৎপাদিত হয় এই খামারে। ইংল্যান্ড তো অবশ্যই, পাশাপাশি দুনিয়ার সব বাঘা বাঘা চিত্রনির্মাতাগন এই গ্রামে এসে ছবি তৈরীর কাজ করেছেন এবং এখনও করছেন। ইউরোপীয়  ইতিহাসের পুরনো বাড়ী-ঘর বাস্তবে দেখাতে হলে এ গ্রামে না এসে পারা যায় না।

বঙ্গবাণী