Category: History

0

দেখি দর্পণে নিজ কায়া

আগামী থেকে সপ্তাহে একদিন “দেখি দর্পণে নিজ কায়া” শিরোনামে লিখবেন-হারুনূর রশীদ।। ২০১৩ সাল, একটি মিলনমেলা এইতো সেদিনের কথা। ২০১৩ সালের জানুয়ারী মাস। ভোর হতে না হতেই সরকারী বিদ্যালয়ের মাঠে দলে দলে মানুষ। মানুষ আর মানুষ। অনেকটা...

0

আয়া সুফিয়া বিতর্ক

-এস চৌধুরী।।  আয়া সুফিয়া নিয়ে বিতর্ক বেশ ভালো করেই জমে উঠেছে। মোস্তফা কামাল পাশার ডিক্রি বাতিল করেছে তুরস্কের ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ’ আদালত জুন মাসের ১০তারিখ। এর ফলে মিউজিয়াম হতে মসজিদ এর অবস্থায় ফিরে গেছে আয়াসোফিয়া। এ নিয়ে বিতর্কে চাঙ্গা...

0

মনে পড়ে রুনু হালদারকে, ও কথা রেখেছিল

হারুনূর রশীদ।। সে ২০১২ কি তেরো সালের কথা। সময় তখন বিকেলও নয় আবার সন্ধ্যাও নেমে আসেনি। গোধূলীও বলা যায়না।  মনুসেতুর রেলিং-এ ভর করে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমরা তিনজন আলাপ করছিলাম। কতদিন পরে রুনু হালদারের সাথে দেখা। দূরালাপনীতে বহু...

0

ইতিহাস ঐতিহ্য-

মুক্তকথা প্রতিবেদন।। বিভিন্ন উপলক্ষে সুযোগ পেলেই এখনও ইরেজগন দাবী করতে চান যে ভারতীয়দের সভ্য-সংস্কৃতিবান করতে গিয়ে তাদের প্রায় ২’শ বছর ভারতে থাকতে হয়েছে। এ ধরনের কথা যে ইতিহাসে স্থান পাওয়ার মত হাসির খোরাক জুগায় তা তারা...

0

৮ই ডিসেম্বর মৌলভীবাজারে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তোলা হয়

আব্দুল ওয়াদুদ। গেল ৮ ডিসেম্বর ছিল মৌলভীবাজারের একটি ঐতিহাসিক স্মরনীয় দিন। এই দিনে মৌলভীবাজারে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তোলা হয়। মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমান জানান, তিনি ছিলেন...

0

গুপ্ত অজ্ঞাত ভয়ঙ্কর মৃত্যুদণ্ড “‌ওয়েষ্ট চপ”

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। বর্তমান বিশ্বের হাতে গোনা কিছু সংখ্যক লেখক-গবেষক ছাড়া কোটি কোটি সাধারণ মানুষের অনেকেই জানেন না এই “‌ওয়েষ্ট চপ” শাস্তির বিষয়ে। নামের সাথে এই শাস্তির মিল ছিল আগাগোড়াই। এই শাস্তি আধুনিক মৃত্যুদণ্ডের মতই একটি শাস্তি...

0

‘পপি দিবস’ স্মরণীয় দিন ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবার এক বিশাল কর্মযজ্ঞ

​ মুক্তকথা নিবন্ধ।। ১৬ই ডিসেম্বর, বাংলাদেশীদের মহান বিজয় দিবস। খুব ঘটা করে দিবসটি বাংলাদেশে পালিত হয়ে আসছে সেই ১৯৭১সাল থেকে। ঠিক তেমনি সারা ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রধান ৮টি দেশসহ অষ্ট্রেলিয়া, ক্যানাডা ও নিউজিল্যাণ্ড পালন করে আসছে আরেক...

0

সৌদদের অতীত ও বর্তমান

মুক্তকথা নিবন্ধ।। আরব বেদুইন! শব্দদ্বয় ব্যবহার করেছিলেন বিশ্বকবি রবি ঠাকুর। বেদুইন মানে যাযাবর। কোন এক নির্দিষ্ট স্থানে স্থায়ীভাবে বসবাস করেনা এমন মানব জাতি। আরবগন একসময় এমনই ছিল। গোটা আরব ভূখণ্ডে বসবাস ছিল বেদুইনদের। এখনও আরবীয় দেশগুলোতে...

0

মহান স্বাধীনতা শহীদ শের আলী ও ক্ষুদিরাম

মুক্তকথা নিবন্ধ।। দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রানবলিদানকারী ইতিহাসখ্যাত ক্ষুদিরাম বসু ‌ও ইংরেজদের জেলখানায় থেকে ফাঁসীতে প্রানদানকারী শের আলি আফ্রিদিকে নিয়ে আজকের এ লেখা। কলকাতার ফেইচবুকার দীপক রায় প্রশ্ন তুলে লিখেছেন- ক্ষুদিরাম বসু ও শের আলি আফ্রিদি এই...

0

যুদ্ধে বিজীত এলাকাও বিজয়ীদের হয়ে যায়, এখনও এ নিয়মই চলছে

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। কালা পানি। পাহাড়ী ও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর একটি ছোট্ট ভূখণ্ডের নাম। সৃষ্টিলোকের এমন চোখজুড়ানো ভূখণ্ডটির মালিকানায় রয়েছে পাহাড়ীকন্যা নেপাল। নেপালের উত্তর-পশ্চিম কোনের পাহাড়ী এ ভূখণ্ডটির সীমানা রয়েছে ভারত ও চীনাদের সাথে। ১৯৬২সালের ভারত-চীনা যুদ্ধের...

0

আমাদের ব্যর্থতা

হারুনূর রশীদ।। আমার চেনা কিছু মানুষ আছেন এবং ছিলেন যারা মিথ্যার উপর জীবন চালিয়ে গেছেন। সারাটা জীবন এরা বানিয়ে সাজিয়ে মিথ্যা বলে বলে অন্য মানুষকে প্রভাবিত করে নিজেদের আখের গোছিয়েছেন। সেই আখের গোছানো কিন্তু সাদা মাটা...

0

জাসদ গণঅভ্যুত্থানে ব্যর্থ হয়ে সেনা অভ্যুত্থানের পথে হাঁটে

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির নির্ভিক সেনানী, মুক্তিযুদ্ধের প্রানপুরুষ, স্বাধীনতার প্রবক্তাদের অন্যতম সিরাজুল আলম খানের পুস্তক “আমি সিরাজুল আলম খান”এর একটি অংশ বিডিপ্রতিদিন.কম গত ৯ই জুন প্রকাশ করে। সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান লিখিত সে প্রকাশনা নিয়ে...

0

মৌলভীবাজারের ইতিকথা

হারুনূর রশীদ।। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মফঃস্বল সংবাদদাতা হিসেবে সারা দেশের ২৮জন সংবাদদাতাকে নিয়ে স্বাধীন দেশের প্রথম ‘প্রেস ইন্সষ্টিটিউট অব বাংলাদেশ’ কর্তৃক যে সাংবাদিকতা ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয় সেই আটাশ জনের মধ্যে আমিও একজন ছিলাম। ইত্তেফাক...

0

আলেকজান্ডার দি গ্রেট আর শাহে জাহান!

হারুনূর রশীদ।। ইতিহাসের রকমফের! সারা দুনিয়ার ইতিহাস, ইতিকথা নিয়ে বহুমত সেই আদি কাল থেকেই চলে আসছে। আর হবেই বা না কেনো। পুরো ভারত নয় তৃতীয়াংশের একটু বেশী সীমা নিয়ে রাজ্য বিস্তার করে শাহাবুদ্দীন মোহাম্মদ খুররাম উপাধি...

0

শেষ মোগল বাহাদূর শাহ জাফর

হারুনূর রশীদ।। সময়টি ছিল ১৮৫৭ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর। বাদশাহী ভারতের মৃত্যুঘন্টা এদিন বেজে উঠেছিল। একই সাথে বেজে উঠেছিল পরাধীনতার জিঞ্জিরের ঝঁনঝঁনানি। বাহাদূর শাহ জাফর, শুধু দিল্লীর নয়, কাগজে-কলমে হলেও সারা ভারতের তখনও শাহেনশাহ ছিলেন। কোম্পানী শাসনের...

0

বিপ্লবী আন্দোলন ও সংগ্রামে মৌলভীবাজার ৩

মৌলভীবাজারের অতীত খুঁজে বেরিয়েছি জীবনের বেশীরভাগ সময়।  এই খুঁজাখুঁজি করতে গিয়ে অতীত কাহিনী লিখার আঁকর হিসেবে যা পেয়েছি তাই এখানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে  তুলে ধরার ইচ্ছা আছে। তারই সূচনায় গত পর্বে যা লিখেছিলাম তারপর- হারুনূর রশীদ।।...

0

বিপ্লবী আন্দোলন ও সংগ্রামে মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজারের অতীত খুঁজে বেরিয়েছি জীবনের বেশীরভাগ সময়। এই খুঁজাখুঁজি করতে গিয়ে অতীত কাহিনী লিখার আঁকর হিসেবে যা পেয়েছি তাই এখানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে তুলে ধরার ইচ্ছায় আজকের এই প্রতিবেদন। চলতি বছরের প্রথম দিকে, গেল ৩রা জানুয়ারী,...

0

মৌলভীবাজারের ইতিকথা

[সন তারিখ পুরো মনে রাখতে পারিনি। খুব সম্ভবতঃ উনিশ শ’সত্তুর বা একাত্তর বাহাত্তর হবে। ইত্তেফাকের ‘শহর-বন্দর-গ্রাম’ নামের পাতায় সর্বপ্রথম মৌলভীবাজারকে নিয়ে ইতিহাস ভিত্তিক একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম। ইত্তেফাক তিন সংখ্যায় সেটি প্রকাশ করেছিল। আমার জানামতে এটি ছিল...

0

১৯৭৩ সাল, মটরমুক্ত আমষ্টারডাম

১৯৭৩ সালের ঘটনা। বিশ্বব্যাপী তেলের ঘাটতি চরমে। পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো তেল সংকটে দিশেহারা। ইউরোপের অবস্থা আরো করুন। তেল সংকট সামলাতে গিয়ে নেদারলেন্ডকে একদিনের জন্য “মটরমুক্ত দিন” পালনে যেতে হয়। দুনিয়ার সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিল আমস্টারডাম। ছবিতে...

0

কেনো এতো রহস্যে ঘেরা সুভাষ বসুর মৃত্যু

হারুনূর রশীদ।। চলে গেলো ২৩শে জানুয়ারী। বৃহৎ ভারতের ইতিহাসে রক্তিম উজ্জ্বল একটি দিন। মহাউৎসবের এ দিনটি বাঙ্গালীদের ঘরে ঘরে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকার মত একটি দিন। এ দিনে ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে এক সুখ্যাত বাঙ্গালী পরিবারে জন্ম হয়েছিল...

0

হাফিজের কাব্য সুধা

হারুনূর রশীদ।। খাজা শামস-উদ-দীন মোহাম্মদ হাফিজ ই সিরাজী। কবি হাফিজের বিষয়ে পড়ছিলাম। সে আনুমানিক সাতশত বছর আগের কথা। পারস্যের(বর্তমান ইরাণ) সিরাজ শহরে মহাকবি হাফিজের জন্ম। এতো বড়মাপের কবি সে সময়ের দুনিয়ায় কেউ ছিল কি-না গবেষণার বিষয়। হাফিজের...

0

বিপ্লবী আন্দোলন ও সংগ্রামে মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজারের অতীত খুঁজে বেরিয়েছি জীবনের বেশীরভাগ সময়। নতুন করে বলার মতো তেমন কিছু আজও পাইনি। এই খুঁজাখুঁজি করতে গিয়ে অতীত কাহিনী লিখার আঁকর হিসেবে যা পেয়েছি তাই এখানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বা পরিসরে তুলে ধরার ইচ্ছা...

0

এই জন-জনপদে

বোরহানপুরে তপতি নদীর তীরে তাজমহল নির্মাণের কথা ছিল সম্রাট শাহ্জাহানের হারুনূর রশীদ।। তাজমহলের সৌন্দর্য, দ্যুতি, জাঁকজমক, মহিমা এমনকি ঐতিহ্য সারা দুনিয়ায় অদ্বিতীয়। পৃথিবীর এমন কোন স্মৃতিমিনার বা সুরম্যপ্রাসাদ নেই যা তাজমহলের চেয়ে বেশী সুন্দর দ্যুতিময় বা...

0

বিপ্লবী আন্দোলন ‌ও সংগ্রামে মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজারের অতীত খুঁজে বেরিয়েছি সারাটি জীবন। নতুন করে বলার মতো তেমন কিছু আজও পাইনি। এই খুঁজাখুঁজি করতে গিয়ে অতীত কাহিনী লিখার আঁকর হিসেবে যা পেয়েছি তাই এখানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বা পরিসরে তুলে ধরার ইচ্ছা আছে।...

0

আজ যাচ্ছে ২০শে ডিসেম্বর ভয়াবহ এক স্মৃতির তারিখ

আমিনূররশিদ বাবর।। আজ ২০ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারবাসীর কাছে মর্মন্তুদ এক শোকের দিন। ‘৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার হানাদার মুক্ত হয়েছিল। যৌথবাহিনীর অবিরাম গোলাবর্ষণের চোটে হানাদাররা রাতে পায়ে হেঁটে পলায়ন করে সিলেটে আশ্রয় নিয়েছিল। ১৬ ডিসেম্বর সমগ্র দেশ...

ফেইচবুক থেকে

প্রবন্ধ

স্বেচ্চাসেবা

কয়ছর আহমদ

দয়া, মায়া, কোমল হৃদয় দিয়ে হাসি মুখে কারো দিকে তাকানো, কিংবা কারো বিপদে আপদে  উদার হস্ত প্রসারিত করে নীপিড়ীত, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং বিনিময়ে কোন প্রতিদান আশা না করে; তবে এটাই হচ্ছে সব চেয়ে উত্তম চ্যারিটি। চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা একটি মহৎ কাজ। আমরা বলি দান বা সাহায্য। আরবিতে এটিকে বলা হয় জাকাত, ছদকা।  সম্পদ দান করলে তাতে সম্পদের কোনো ক্ষয় হয় না বরং বৃদ্ধি পায়, এমন কথা বহু ধর্মে আছে। সম্পদকে পবিত্র করতে হলে  অব্যশই স্বেচ্ছাসেবায় দান করতেই হবে। জন্ম থেকে যে জ্ঞান, শক্তি ও সম্পদ মানুষ পেয়েছে তা অব্যশই মানবতার কল্যানে ব্যয় করতে হবে। একজন বিত্তবানের ঘরে যদি পর্যাপ্ত খাদ্য মওজুদ থাকে আর তার  প্রতিবেশী যদি অনাহারে ভুখা থাকে, তা হলে তার সে  খাদ্য পবিত্র হবেনা। একজনের উচ্ছিষ্ট্য খাবার,  আপনি চেয়ার-টেবিলে বসে অনেক আইটেম দিয়ে আহার গ্রহণ করলেন, আর বাড়ীর চাকর-বাকর, গরীব মিসকীনদেরকে মাঠিতে বসায়ে খাওয়ালেন। এটি মানবতার অপমান। একজন মানুষের পুরানো কাপড়, কিংবা পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র যা তিনি ব্যবহার না করেন, তা দান করলে তাতে কোন পূণ্য বা প্রতিদান নাই। নিজে যা পড়েন, নিজে যে খাদ্য গ্রহণ করেন, চ্যারিটি হিসাবে তাহাই দান করা উত্তম সেবা। অর্থাৎ উত্তম বস্তু দান করাই উত্তম কাজ। ভালো কাজের প্রতিদান ভালো ছাড়া আর কী হতে পারে।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান ভাবে দেখার মতো মন-মানসিকতা অর্জন করা সবচেয়ে বড় কাজ। ‘লোক দেখানোর মন-মানসিকতা নিয়ে কোনো কাজ না করাই উত্তম।’  তোমাদের মনে যা আছে, তোমরা প্রকাশ করো অথবা গোপন রাখো, আল্লাহ উহার হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন।  সুতরাং আমাদের লক্ষ্যের কারণে আমাদের অনেক ভালো কাজ যাতে ব্যর্থ না হয়, তার জন্য আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।

চ্যারিটি নিজের ঘর থেকেই শুরু করা সবচেয়ে মূল্যবান কাজ। যেকোন মানুষ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে একটা পটে কিছু সঞ্চয় করে কোনো অতি দরিদ্র লোককে সাহায্য করা, যেমন তার ঘর-বাড়ী নির্মাণ, সন্তানদের লেখা-পড়া কিংবা চিকিৎসার জন্য দান করার ভিন্ন নামই হচ্ছে চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা। এই মহৎ কাজে সমাজের অন্যান্য সক্ষম ব্যক্তিদেরকেও উৎসাহিত করা, সকলের সন্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এই মহৎ কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং এটাকে  প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। যাতে সমাজের অবহেলিত জনগণ এই অনুদানকে ব্যবহার করে নিজেকে সাবলম্বি করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং দরিদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো, পৃথিবীর সকল যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ সমূহে এক দিকে অন্যায় ভাবে মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে, মাতৃভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, আবার অন্য দিকে এই একই মানুষের অপর একটি অংশ নিজের জীবনকে বাজী রেখে সেখানে ঔষধ, পানি, খাবার নিয়ে আর্থ মানবতার সেবায় নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিচ্ছে, ঘর বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছে, অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এর চেয়ে উৎকৃষ্ট মহানুভবতা আর কী হতে পারে। যারা এই সমস্ত কাজে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে, এই পৃথিবীতে মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করা তাঁদের সার্থক।

প্রবাসী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ তাদের নিজ নিজ এলাকায় পবিত্র রমজান উপলক্ষে চাল, ডাল, তেল সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন, আবার অনেকেই মানুষের ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছেন। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে দান করার প্রবণতা অনেকটা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা খুবই ভালো লক্ষন। আবার প্রবাসীদের মধ্যে অনেক প্রবীণ লোক আছেন, যারা অনেক কষ্ট করে দেশে সম্পদ গড়েছেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অনেকেই জানেননা তাঁদের এই সম্পদ এখন কি করবেন। কারণ ছেলে মেয়েরা এই সব বিষয়ে আগ্রহী নয়। নতুন প্রজন্মের এসকল মানুষদের তাঁদের অর্থ ও সম্পদ সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যানে সঠিক পথে দান করার জন্য তাঁদেরকে আগ্রহী করে তুলতে পারলে এবং  সততা, আন্তরিকতা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার সাথে সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে গরীব মানুষের উন্নয়ন করতে পারলে তবেই না সমাজের জন্য কিছু করা হলো বলে দাবী করা যাবে।
যারা দেশান্তরীত হয়ে বিদেশের মাটিতে আসেন তাদের প্রায় সকলেই নিজেদের জন্মভুমি ত্যাগ করে  শূন্য হাতে পরবাসী হয়ে থাকেন। এখন তারা তাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন, নিজেদের সন্তানদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। আমাদের সকলকে অব্যশই মনে রাখতে হবে যে, এই সমস্ত দেশে যদি আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, সুষম বন্টন, সমতা, সবার জন্য সমান শিক্ষা, চিকিৎসা, সম অধীকার, ধর্ম নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, বৈষম্যহীন সমাজ এবং সম্পদের সুষম বন্টন অর্থাৎ রাষ্টের উন্নয়নের ফসল সমাজের গরীব ও অবহেলিত জনগণের মধ্যে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকতো, তা হলে কোন প্রবাসী মানুষের জন্যই  প্রবাসে থাকা সম্ভব হতোনা; সম্পদের অধিকারীও কেউ হতে পারতেন না।  মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে মানুষ যে চিত্র দেখতে পায় তা ভয়াবহ। ওসব দেশে মানুষকে পুরোদস্তুর  দাস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মহিলারা তাদের ইজ্জ্বত নিয়ে ফিরে আসতে পারছেনা।  যারাই সমাজের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চান, অবশ্যই এই সমস্ত বিষয় মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে।
এ বিশ্বের সকল শাস্ত্রই ন্যায়পরায়নতা, সদাচারণ ও আত্নীয় স্বজনকে দানের সুপারিশ করেছে এবং  নিষেধ করেছে অশ্লীলতা, অসৎ কর্ম ও সীমা লঙ্গন করতে। 

বদলে গেছে ধর্ম ইসলামের জন্মভূমি

মুক্তকথা নিবন্ধ।। ওহুদের যুদ্ধমাঠ, আরবীয়া। অন্যছবি খুঁজতে গিয়ে হঠাৎই পেয়ে গেলাম। হয়তো ভুলে যাবো আর কোনদিন এখানে দেয়া হবে না। তাই এখনি দিয়ে দিলাম। অত্যল্প ভিডিওখানা আমারই তোলা। ছবিতে আছে আমার ছেলে মাহমুদ ও নাতনি ইরা।
হঠাৎ দেখা সবকিছুই নয়নাভিরাম হয়। ঠিক তেমনি জীবনের প্রথম দেখা পাথরের পাহাড়বেষ্টিত ওহুদের মাঠ আমার কাছে অসাধারণ মুগ্ধকর এক প্রকৃতি মনে হয়েছিল। হয়তো প্রতিদিন যারা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছেন তাদের কাছে কোন কিছুই নয়। এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে উন্নয়নের নামে যে হারে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে সৌদিতে এতেকরে আজকের ওহুদ পাহাড়কে ভবিষ্যতে হুবহু দেখা যাবে কি-না অনেক সন্দেহ রয়েছে।

video

কারণ মানুষের সুবিধা করে দেয়ার আরেক অর্থই হলো ব্যবসা। যতই মানুষের আসা-যাওয়া বাড়বে ততই ব্যবসা বাড়ে। এসবে ধর্মের কিছুই যায় আসে না। মানব ধর্মের এই মহান ব্রত নিয়ে সৌদিরা দুনিয়ার মানুষের ঐতিহাসিক সেই ‘আরাফাতের ময়দান’কে আধুনিকায়ন করতে গিয়ে এমন নমুনায় বদলে দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে আর ‘ময়দান’ দেখা যাবে না। দেখা যাবে বিশাল এক প্রদর্শনী মাঠ। সৌদিদের টাকা ছিল, তারা পারতেন পুরো আরাফা পাহাড়বেষ্টিত এলাকাকে শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষনা দিয়ে তার বাইরের দিকে নগরায়ন করা। এতে করে কোটি কোটি তীর্থযাত্রী মানুষ তাদের নিজ নিজ আবেগ অনুভুতি দিয়ে এ মহাবিশ্ব নিঃশেষ হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত অনাদি অনন্তকাল দেখতে পারতো তাদের প্রানের সেই ঐতিহাসিক ‘আরাফাতের ময়দান’কে। পুরো আরাফাতের মাঠ এলাকাকে আছোঁয়া রাখাই ছিল সকল ধর্মমতামতের মধ্যে শ্রেষ্ট। এ কাজ কোনভাবেই দুঃসাধ্য কিছু ছিল না। এ বিশ্বে এমন সংরক্ষিত এলাকা শত শত আছে। আমাদের বাংলাদেশেই বণাঞ্চলের জন্য এমন সংরক্ষিত এলাকা দু’তিনটি আছে। আফ্রিকায় গোটা বাংলাদেশের মত একটি এলাকা সংরক্ষিত আছে শুধু বন্য পশু-পাখীর নিরাপদ চলাফেরার জন্য। নবী মোহাম্মদের স্মৃতি বিজড়িত আরবের সকল এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে রাখা সৌদিদের জন্য না পারার কিছুই ছিল না। কিন্তু ওই যে তাদের ওয়াহাবি মতবাদ! তাই মানুষের অন্তরের গভীরের আবেগ অনুভুতিবোধের ইসলামকে ওয়াহাবিরা বুঝে না, বুঝতে চায়ও না।

ওহুদ পাহাড়। ছবি: মুক্তকথা

 

আরাফাতের মাঠ! কিন্তু মাঠ কোথায়? এতো সব বাড়ী-ঘর! মাঠের ভেতরেই এ আয়োজন কেনো?  ছবি: মুক্তকথা

ধর্ম ইসলামের বাংলা দাড়ায় ‘শান্তি’। জীবনের সকল কর্মে শান্তি দুনিয়ার সকল মানুষের পরম আরাধ্য বিষয়। আন্তরিকভাবে শান্তি চায় না এমন মানুষ দুনিয়ার কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই শান্তির মাঝে মনের স্থায়ী শান্তি হলো আসল শান্তি। মানুষের মনে যে আবেগ কাজ করে, আবেগের সেই কথা বা স্থান যথোপযুক্ত মানে সংরক্ষিত আছে দেখে মানুষের মনে যে প্রশান্তি আসে সেই শান্তিই আসল শান্তি। বাদবাকী সব বাইরের চাকচিক্য বিনোদনে মানুষকে তৃপ্তি দেয় যা’কে ক্ষণিক শান্তি বলা যায়। মনের জগতে অপার অনন্ত স্থায়ী মানবিক শান্তি নয়। চাকচিক্য বিনোদন মানুষকে তৃপ্তি দেয় ফলে ব্যবসা হয় অফুরান। ধর্ম ইসলামের মূল কথা ব্যবসা নয় বরং শান্তি। মানব মনের বিশাল জগতকে স্থায়ী আনন্দের হিল্লোলে ভরে রাখতে পারে যে দেখা, যে ছবি, যে কথা তাকে শান্তির উৎস বলা যায়। সেই উৎসস্থল হিসেবে আরাফাতের মাঠ বিশ্ব মুসলমানদের কাছে নির্বাক হয়ে দেখার বিষয়, অসাধারণ সুন্দর এক ঐতিহাসিক প্রান্তরের ছবি যে ছবি দেখামাত্রই কথা বলে উঠে বিশ্বমানবতার মুক্তির। তাই সকল মানুষের মনে গভীর মমতায় স্থান করে নেয়া এমন স্থানকে উন্মুক্ত সংরক্ষিত করাই হলো মূলগতভাবে ইসলাম বা শান্তির কথা। ঐতিহাসিক মহাপবিত্র সেই স্থানকে সামনে রেখে হজ্জ্ব বা দেখার নামে ব্যবসা একেবারেই নীতিবিরুদ্ধ কাজ। যা সৌদিরা করে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে এমন ইসলাম বা শান্তি বিরোধী কাজ নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে তারা। এতে করে দুনিয়ার মানুষকে তারা শুধুমাত্র আরামপ্রিয় আবেগি ভ্রমণকারী হিসেবে গড়ে উঠার বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ধর্ম হলো আবেগ অনুভুতি বর্জিত জ্ঞানচর্চ্চাহীন কিছু কিংবদন্তী!
হারুনূর রশীদ, লণ্ডন সোমবার ৯ই ডিসেম্বর ২০১৯সাল

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদনের নানা রূপ

video

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্বাচন জেতার পর সম্ভবতঃ পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক অনুসারী কোন এক যুবতীর এমন নেংটা নৃত্যের আয়োজন করেন। ভিডিওটি দেখেই বুঝা যায় এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরী করা হয়েছে। নতুবা এমন ন্যাংটা নাচের আয়োজনের কারণ কি শুধুই লাম্পট্য? অবশ্যই না। এখানে অবশ্যই কিছু মানুষের মূলগত কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। নাচের এমন আয়োজন গোপনে হতে পারে। কিন্তু ভিডিও করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় স্পষ্টই বুঝা যায়, নিশ্চয়ই কোন না কোন উদ্দেশ্য রয়েছে। ভিডিওখানা দেখে বুঝার উপায় নেই এটি পাকিস্তানের না-কি ভারতের। তবে গানের কথায় পাকিস্তান শব্দটি রয়েছে এবং গানে উচ্চারিত হতে শুনা যায়। যেখানেরই হোক না কেনো এটি যে খুব একটি সুস্থতার পরিচায়ক নয় তা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একজন বান্ধব জানালেন, উদ্দেশ্য কিছুই না স্রেফ গুগলের বিজ্ঞাপন প্রাপ্তি! বিজ্ঞাপন তারা পেয়েছেন কি-না আমাদের আর জানার সৌভাগ্য হয়নি। অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষ কেমন হারে নিজের সংস্কৃতি থেকে বিচ্যুৎ হতে পারে ভিডিওখানা তারই একটি উপভোগ্য প্রমান। এ ছাড়াও নারী দেহের এমন কামরূপে উপভোগকেই মনে হয় অনাচার বলে। যেখানেই হোক এমন অনাচারটি ঘটেছে। কেউ আটকাতে যে পারেননি এটিই সত্য। নারীদের আমরা কি নমুনায় দেখতে চাই ভিডিও খানা তারও কিছুটা আভাস দেয়। সে নীতি হোক বা নীতিনৈতিকতাহীন হোক। যারা ভিডিওখানা তৈরী করেছেন তাদের আত্মিক উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বুঝা খুবই কঠিন। তবে বিগত পাকিস্তানী নির্বাচনের বেশ পরে কে বা কারা এটি আমাদের কাছে পাঠান। হয়তো তাদের উদ্দেশ্য ভারত বা পাকিস্তানকে একটু হাস্যকর হিসেবে তুলে ধরা। আমরা শুধু পাঠক সকলের সাথে এর মর্মে পৌঁছার লক্ষ্যে এখানে পত্রস্ত করলাম। হয়তো অনেকেরই কিছুটা সাময়িক বিনোদনের উৎস হলেও হতে পারে।

ইতিহাস ঐতিহ্য

ইস্তাম্বুলের রাজবাড়ী

video

ইস্তাম্বুলের ইতিহাসখ্যাত রাজমহল। সহজ কথায় রাজবাড়ী। এ বাড়ীর প্রতিটি ইট-পাথরের পরতে পরতে মিশে আছে ইতিহাসের গুঞ্জন। প্রায় ৪শত বছরের সাম্রাজ্য শাসন হয়েছে এখান থেকেই। কিন্তু রাজবাড়ীটি দেখে তেমন সান-শ‌ওকতের কিছুই পা‌ওয়া যাবে না। ইসলামী ধ্যান-ধারনার একটি জোরদার ছাপ রয়েছে রাজবাড়ীর আনাচে-কানাচে। হারেম বা মহল দেখতে অতীব সুন্দর কারুকার্যময় তবে সুপরিসর নয় বরং স্বল্পপরিসর। অনুমান ধর্মীয় বোধ কাজ করেছে এর নির্মাণে।

ইতিহাসখ্যাত বসফরাস প্রণালী

video

তুর্কীরা বলে 'মারমারা' সাগর। ইতিহাসের ইস্তাম্বুল শহর গড়ে উঠেছে 'বসফরাস প্রণালী'র উভয় তীর ঘিরে। এই বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণসাগর ও মারমারা সাগরকে যোগ করেছে। মারমারার প্রায় উত্তর তীর ঘেঁসে ইস্তাম্বুলের গড়ে উঠা। ইতিহাসের এক সময় এর নাম ছিল 'কন্স্টান্টিনোপুল'। ভিডিও: হারুন

বিশ্বমানুষের ঐতিহ্য দুনিয়ার সেরা সেরা গ্রামের একটি ‘বাইবারি’

বাইবারি

ইংল্যান্ডের দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত গ্লচেস্টারশায়ারের একটি গ্রাম “বাইবারি”। গ্রামের পাশদিয়ে প্রবাহিত কলন নদী।  ইংল্যান্ডের প্রাচীন দলিল-দস্তাবেজে বিশেষকরে বিজয়ী রাজা মহাবীর উইলিয়াম এর ১০৮৬ সালের ভূমি জরিপ হিসাবের খতিয়ান বই “ডোমসডে” পুস্তকে এই গ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছিল “বেচেবেরি” নামে। ১৩শ থেকে ১৭শ শতাব্দিতে নির্মিত প্রাচীন পদ্বতি ও নমুনার বহু বাড়ীঘর এই গ্রামে এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। “আর্লিংটন রো” এর ঘরগুলো প্রথম নির্মিত হয়েছিল ১৩৮০সালে। বিশ্বেস করা যায় যে এগুলো আজও দাঁড়িয়ে আছে। এখানের ট্রাউট মাছের খামার অনেক পুরনো। এখন বছরে ৬০ লাখ ট্রাউট পোনা উৎপাদিত হয় এই খামারে। ইংল্যান্ড তো অবশ্যই, পাশাপাশি দুনিয়ার সব বাঘা বাঘা চিত্রনির্মাতাগন এই গ্রামে এসে ছবি তৈরীর কাজ করেছেন এবং এখনও করছেন। ইউরোপীয়  ইতিহাসের পুরনো বাড়ী-ঘর বাস্তবে দেখাতে হলে এ গ্রামে না এসে পারা যায় না।

বঙ্গবাণী