Category: দেহাবসান

0

এহিয়া খান মতি চলে গেলেন না ফেরার দেশে

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। স্বাধীনতা ‌ও মুক্তি সংগ্রামের পক্ষের মানুষ, সময়ের বলিষ্ট বাম ছাত্র-রাজনীতিক, বৃটেনে বাঙ্গালী সম্প্রদায়ের সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এহিয়া খান মতি আর নেই।(ইন্না লিল্লাহে…রাজেউন)। গতকাল সোমবার ১৯ অক্টোবর লণ্ডনের সাটন শহরের সেন্ট ইলিয়ার হাসপাতালে রাত আনুমানিক ৮টায়...

0

শিক্ষক খুরশেদ আলম আর নেই

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। আজমনি বহু পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, জাসদ নেতা ফয়ছল আহমদের পিতা জনাব, খুরশীদ আলম আজ সোমবার ১৯ অক্টোবর, দিনগত রাত ১০ ঘটিকায় মৌলভীবাজার শহরের লাইফ লাইন হাসপাতাল শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন(ইন্না...

0

বিটিভি’র সাংবাদিক আজিজ আহমদ সেলিম আর নেই

হাসনাত কামাল।। সিলেটের প্রবীন সাংবাদিক, দৈনিক উত্তর পূর্ব পত্রিকার প্রধান সম্পাদক, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আজিজ আহমদ সেলিম আর নেই। ‎করোনা আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিটিভির এই সিলেট প্রতিনিধি। আজিজ আহমদ সেলিম সিলেট জেলা...

0

টিসি মার্কেটের ইসলাম ষ্টোর মালিকের ছোট ভাই কয়ছর তালুকদার মারা গেছেন

শেখ সালামত তালুকদার।। ইন্নালিলাহি ওয়া ইন্নাহিলাহি রাজিউন। একাটুনা ইউনিয়নের পশ্চিম উলুআইল শেখ বাড়ী নির্বাসী শেখ কয়ছর তালুকদার আর নেই। তিনি প্রবাসী কম্যুনিটি নেতা শেখ সালামত তালুকদার ও মৌলভী বাজার শহরের টিসি মার্কেটের ইসলাম স্টোরের সত্তাধিকারী শেখ মুহিত...

0

চলে গেলেন না ফেরার দেশে আব্দুল কালাম ও মোহাম্মদ সালিক

  মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। লন্ডনে বসবাসরত সুরমা সেন্টারের সাবেক চেয়ারম্যান ও ডি-ইউ-ডি এর উপদেষ্টা আব্দুল কালাম আজ লন্ডন সময় সকাল সাড়ে সাত ঘটিকায় লন্ডনের একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন(ইননা …লিল্লাহহি রাজিউন)। মরহুমের দেশের বাড়ী নবীগনজ উপজেলার...

0

সিলেটের বরেণ্য আলেম খলিলুর রহমান বরুণীর ইন্তেকাল

জানাযায় লাখো মানুষের ঢল আব্দুল ওয়াদুদ।। লাখো ভক্তদের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় চির নিদ্রায় শায়িত হলেন মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের বরেণ্য আলেম, আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ’এর আমীর ও বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড(বেফাক) এর সহ-সভাপতি, শ্রীমঙ্গল উপজেলার জামিয়া...

0

প্রচার বিমুখ ডাঃ সৈয়দ মোদাব্বির হোসেন আর নেই

মুক্তকথা প্রতিনিধি।। শহরের প্রবীণতম ব্যক্তিত্ব, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের ৩নং পশ্চিম সম্পাসী গ্রামের বাসিন্দা ডাঃ সৈয়দ মোদাব্বির হোসেন আর নেই(ইন্নালিল্লাহী…রাজেউন)। আজ রোববার ৪ অক্টোবর ২০২০, সকাল ৯:১০মিনিটের সময় মৌলভীবাজার শহরের সৈয়ারপুরস্থ তার নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস...

0

করোণা ভাইরাস : মারা গেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম

মুক্তকথা সংগ্রহ।। বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম রবিবার ঢাকায় মারা গেছেন। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রবিবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার ছেলে সুমন...

0

কেমডেনের প্রাক্তন বাঙ্গালী মেয়র ওমর ফারুক আনসারি আর নেই

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। মারা গেলেন ওমর ফারুক আনসারি। বাঙ্গালী ওমর ফারুখ আনসারি ২০০৯-১০ অর্থ বছরে লণ্ডনের কেমডেন কাউন্সিলের মেয়র হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন। আজ মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, সকাল ৫:০০টায় লন্ডনের রয়েল-ফ্রি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।...

0

কবি গোলাম কবিরের ছোট ভাই গোলাম রব্বানীর মৃত্যু

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। ৫০ বছর আগের ছবি। ১৯৭০ সালে তোলা হয়েছিল। সাত ভাইয়ের এ ছবিটি তুলেছিলেন কবি গোলাম কবির নিজে। তার নিজের কথায়-“আমার সাংবাদিকতা সময়ের লুবিটাল-২ ক্যামেরায় অটো-স্নেপ দিয়ে কুলাউড়া উত্তরবাজারস্থ আজম মঞ্জিলে আমার তোলা আমাদের সাত...

0

চলে গেলেন জাসদ নেতা খসরু আহমেদ চৌধুরী

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। আটের দশকের সংগ্রামী ছাত্রলীগ নেতা প্রবাসী সোহেল আহমদ চৌধুরী ও প্রাক্তন ছাত্রলীগ ও বর্তমান যুক্তরাজ্য জাসদ বার্মিংহাম শাখার সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক প্রবাসী সুহেল আহমদ চৌধুরীর বড় ভাই খসরু আহমদ আর নেই(ইন্নালিল্লাহী…রাজেউন)।   মৌলভীবাজারের ৩০...

0

চলে গেলেন আশরাফুন্নেছা খাতুন

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। মারা গেলেন আশরাফুন্নেছা খাতুন(ইন্নালিল্লাহি…রাজেউন)। তিনি সিলেটের ‘ওইমেন্স কলেজ হাসপাতাল’-এ চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত শুক্রবার ২১ অগষ্ট ২০২০, ১:২০মিনিটের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মারা যাবার কয়েক ঘন্টা আগে তাকে সিলেটের হাসপাতাল থেকে মৌলভীবাজারের পোষ্ট...

0

চার চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান সুফিয়ান চৌধুরী আর নেই

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ১নং মির্জাপুর ইউনিয়নের ৪ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান দেওয়ান আবু সুফিয়ান চৌধুরী(৭২) আর নেই (ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার সকাল ৯ টা ২০ মিনিটের সময় ঢাকাস্থ সিকদার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন...

0

চলে গেলেন ছাত্রলীগ-আ‌ওয়ামীলীগের পরীক্ষিত নেতা আনকার আহমদ

মুক্তকথা প্রতিবেদক।। অকালেই চলে গেলেন ৮০ দশকের তুখোড় ছাত্র নেতা আওয়ামীলীগ নেতা আনকার আহমদ(ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। সেই আটের দশকে ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে মৌলভীবাজার আ‌ওয়ামী লীগের রাজনীতিতে শরীক হয়ে অনেক পথ হেঁটেছিলেন তিনি। স্থানীয় রাজনীতির...

0

লোকান্তরিত হলেন কথাসাহিত্যিক সাংবাদিক রাহাত খান

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক রাহাত খান গত ২৮ আগষ্ট রাতে চলে গেলেন না ফেরার দেশে(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ডায়াবিটিস সহ বার্ধক্যজনিত নানা জটীলতা নিয়ে বাসভবনেই ইন্তেকাল করেন তিনি। প্রচারের আড়ালে থাকা এই লেখক...

0

জেলা চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান আর নেই

মুক্তকথা বিশেষ সংবাদ।। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, সাবেক গণপরিষদ সদস্য, স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত, বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান আর নেই। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে(বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায়...

0

কোর্ট মসজিদের প্রাক্তন খতিব মাওলানা আকমল আলী মহোদয় আর নেই

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল, ও মৌলভীবাজার জেলা জামে(কোর্ট মসজিদ) মসজিদের সাবেক খতিব, শামসুল উলামা ফুলতলার প্রয়াত মৌলভীসাহেবের-এর সুযোগ্য প্রতিনিধি, হাজার হাজার মুহাদ্দিস মোফাচ্ছিরগনের শিক্ষক, হযরত মাওঃ আকমল আলী চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা...

0

একেবারে অকালে চলেগেলেন ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল, প্রয়াত হলেন ফরজান আলী

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল সমর্থিত মৌলভী বাজার জেলা বাংলাদেশ ছাত্রলীগএর সাবেক নেতা খন্দকার তোফায়েল আহমদ গতকাল ১৩জুলাই ২০২০, রাত ৯ ঘটিকায় হৃদযন্ত্রে আক্রান্ত হয়ে লাইফ লাইন হাসপাতালে মৃত্যু বরন করেন(ইন্নল্লিল্লাহি – রাজিউন)। মরহুমের জানাজার নামাজ আগামি কাল...

0

সফল ব্যবসায়ী শ্রীরাই নগরের রুপি মিয়া আর নেই

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। জেলার সুপরিচিত রাজনীতিক ও সমাজ সেবক সাইফুর রহমান বাবুলের পিতা জেলার মানুষের অতি প্রিয় শ্রদ্ধাভাজন “আব্দুর রহমান রুপি মিয়া” গতকাল ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সাড়ে ১১টায় সিলেটের মাউন্ট এ্যাডোরা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ...

0

শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ধর্মনিরপেক্ষতার মহীরুহ কামাল লোহানী

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পথিকৃৎ বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল লোহানী আজ ২০ জুন ২০২০ সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ‍্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন(ইন্নাহ লিল্লাহি...

0

মৃত্যুর হীমশীতল দেশে চলে গেলেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুলেমান আহমদ

মুক্তকথা সংবাদকক্ষ।। মৌলভীবাজার জেলা শহরের গির্জাপাড়াস্ত “মায়া ভিলা”এর মালিক ১০নং নাজিরাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও নাজিরাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি সুলেমান আহমদ না ফেরার দেশে চলে গেলেন। ৪ জুন বৃহস্পতিবার বেলা ৩ ঘটিকার সময় সিলেট...

0

বিশ্বের ঠাকুর দা শিক্ষক ‘বব ওয়েইটন’ আর নেই!

মুক্তকথা সংগ্রহ।। বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষটি মারা গেলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১১২ বছর ৫৯দিন। গত বৃহস্পতিবার তিনি ঘুমের মধ্যে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি আর কেউ নন, যুক্তরাজ্যের একজন শিক্ষক ও প্রকৌশলী মিঃ বব ওয়েইটন। ৩সন্তানের...

0

চিরশান্তির পথে চলে গেলেন ধরকাপনের সৈয়দ লিয়াকত, প্রয়াত হলেন নিউইয়র্কে

মামুনূর রশীদ মহসিন।। সৈয়দ লিয়াকত হোসেন। মৌলভীবাজার শহরের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে গড়ে উঠা ছোট্ট গ্রাম ধরকাপনের বহুল পরিচিত সময়ের শীর্ঘখ্যাতির দলিল লেখক মরহুম সৈয়দ আব্দুল গফুরের বড় ছেলে। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন আমেরিকায়। গত সোমবার ২৫মে...

0

চলে গেলেন ইরফান খান শেষ বিদায় নিয়েছেন ঋষিকাপুরও

ইরফান খান আর নেই। মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন এই ভারতীয় চলচ্চিত্র তারকা। এনডিটিভি জানিয়েছে, বুধবার সকালে মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে কলোন ইনফেকশনে তার মৃত্যু হয়। অভিনেতা ইরফান খান কয়েক মাস ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই...

0

প্রয়াত জামিলুর রেজা চৌধুরীর বর্ণাঢ্য জীবন

মুক্তকথা প্রতিবেদন।।  জাতীয় অধ্যাপক ও একুশে পদক পাওয়া বরণ্যে শিক্ষাবিদ জামিলুর রেজা চৌধুরী আর নেই। আজ মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ৭৭ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দেশের অগ্রগণ্য এই প্রকৌশলী ১৯৪৩ সালের ১৫ নভেম্বর সিলেট...

ফেইচবুক থেকে

প্রবন্ধ

স্বেচ্চাসেবা

কয়ছর আহমদ

দয়া, মায়া, কোমল হৃদয় দিয়ে হাসি মুখে কারো দিকে তাকানো, কিংবা কারো বিপদে আপদে  উদার হস্ত প্রসারিত করে নীপিড়ীত, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং বিনিময়ে কোন প্রতিদান আশা না করে; তবে এটাই হচ্ছে সব চেয়ে উত্তম চ্যারিটি। চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা একটি মহৎ কাজ। আমরা বলি দান বা সাহায্য। আরবিতে এটিকে বলা হয় জাকাত, ছদকা।  সম্পদ দান করলে তাতে সম্পদের কোনো ক্ষয় হয় না বরং বৃদ্ধি পায়, এমন কথা বহু ধর্মে আছে। সম্পদকে পবিত্র করতে হলে  অব্যশই স্বেচ্ছাসেবায় দান করতেই হবে। জন্ম থেকে যে জ্ঞান, শক্তি ও সম্পদ মানুষ পেয়েছে তা অব্যশই মানবতার কল্যানে ব্যয় করতে হবে। একজন বিত্তবানের ঘরে যদি পর্যাপ্ত খাদ্য মওজুদ থাকে আর তার  প্রতিবেশী যদি অনাহারে ভুখা থাকে, তা হলে তার সে  খাদ্য পবিত্র হবেনা। একজনের উচ্ছিষ্ট্য খাবার,  আপনি চেয়ার-টেবিলে বসে অনেক আইটেম দিয়ে আহার গ্রহণ করলেন, আর বাড়ীর চাকর-বাকর, গরীব মিসকীনদেরকে মাঠিতে বসায়ে খাওয়ালেন। এটি মানবতার অপমান। একজন মানুষের পুরানো কাপড়, কিংবা পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র যা তিনি ব্যবহার না করেন, তা দান করলে তাতে কোন পূণ্য বা প্রতিদান নাই। নিজে যা পড়েন, নিজে যে খাদ্য গ্রহণ করেন, চ্যারিটি হিসাবে তাহাই দান করা উত্তম সেবা। অর্থাৎ উত্তম বস্তু দান করাই উত্তম কাজ। ভালো কাজের প্রতিদান ভালো ছাড়া আর কী হতে পারে।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান ভাবে দেখার মতো মন-মানসিকতা অর্জন করা সবচেয়ে বড় কাজ। ‘লোক দেখানোর মন-মানসিকতা নিয়ে কোনো কাজ না করাই উত্তম।’  তোমাদের মনে যা আছে, তোমরা প্রকাশ করো অথবা গোপন রাখো, আল্লাহ উহার হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন।  সুতরাং আমাদের লক্ষ্যের কারণে আমাদের অনেক ভালো কাজ যাতে ব্যর্থ না হয়, তার জন্য আমাদের সতর্ক থাকা উচিত।

চ্যারিটি নিজের ঘর থেকেই শুরু করা সবচেয়ে মূল্যবান কাজ। যেকোন মানুষ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে একটা পটে কিছু সঞ্চয় করে কোনো অতি দরিদ্র লোককে সাহায্য করা, যেমন তার ঘর-বাড়ী নির্মাণ, সন্তানদের লেখা-পড়া কিংবা চিকিৎসার জন্য দান করার ভিন্ন নামই হচ্ছে চ্যারিটি বা স্বেচ্ছা সেবা। এই মহৎ কাজে সমাজের অন্যান্য সক্ষম ব্যক্তিদেরকেও উৎসাহিত করা, সকলের সন্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে এই মহৎ কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং এটাকে  প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। যাতে সমাজের অবহেলিত জনগণ এই অনুদানকে ব্যবহার করে নিজেকে সাবলম্বি করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং দরিদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো, পৃথিবীর সকল যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ সমূহে এক দিকে অন্যায় ভাবে মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে, মাতৃভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, আবার অন্য দিকে এই একই মানুষের অপর একটি অংশ নিজের জীবনকে বাজী রেখে সেখানে ঔষধ, পানি, খাবার নিয়ে আর্থ মানবতার সেবায় নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিচ্ছে, ঘর বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছে, অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এর চেয়ে উৎকৃষ্ট মহানুভবতা আর কী হতে পারে। যারা এই সমস্ত কাজে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে, এই পৃথিবীতে মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করা তাঁদের সার্থক।

প্রবাসী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ তাদের নিজ নিজ এলাকায় পবিত্র রমজান উপলক্ষে চাল, ডাল, তেল সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন, আবার অনেকেই মানুষের ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে দিচ্ছেন। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে দান করার প্রবণতা অনেকটা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা খুবই ভালো লক্ষন। আবার প্রবাসীদের মধ্যে অনেক প্রবীণ লোক আছেন, যারা অনেক কষ্ট করে দেশে সম্পদ গড়েছেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অনেকেই জানেননা তাঁদের এই সম্পদ এখন কি করবেন। কারণ ছেলে মেয়েরা এই সব বিষয়ে আগ্রহী নয়। নতুন প্রজন্মের এসকল মানুষদের তাঁদের অর্থ ও সম্পদ সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যানে সঠিক পথে দান করার জন্য তাঁদেরকে আগ্রহী করে তুলতে পারলে এবং  সততা, আন্তরিকতা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার সাথে সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে গরীব মানুষের উন্নয়ন করতে পারলে তবেই না সমাজের জন্য কিছু করা হলো বলে দাবী করা যাবে।
যারা দেশান্তরীত হয়ে বিদেশের মাটিতে আসেন তাদের প্রায় সকলেই নিজেদের জন্মভুমি ত্যাগ করে  শূন্য হাতে পরবাসী হয়ে থাকেন। এখন তারা তাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন, নিজেদের সন্তানদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। আমাদের সকলকে অব্যশই মনে রাখতে হবে যে, এই সমস্ত দেশে যদি আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, সুষম বন্টন, সমতা, সবার জন্য সমান শিক্ষা, চিকিৎসা, সম অধীকার, ধর্ম নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, বৈষম্যহীন সমাজ এবং সম্পদের সুষম বন্টন অর্থাৎ রাষ্টের উন্নয়নের ফসল সমাজের গরীব ও অবহেলিত জনগণের মধ্যে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকতো, তা হলে কোন প্রবাসী মানুষের জন্যই  প্রবাসে থাকা সম্ভব হতোনা; সম্পদের অধিকারীও কেউ হতে পারতেন না।  মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে মানুষ যে চিত্র দেখতে পায় তা ভয়াবহ। ওসব দেশে মানুষকে পুরোদস্তুর  দাস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মহিলারা তাদের ইজ্জ্বত নিয়ে ফিরে আসতে পারছেনা।  যারাই সমাজের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চান, অবশ্যই এই সমস্ত বিষয় মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে।
এ বিশ্বের সকল শাস্ত্রই ন্যায়পরায়নতা, সদাচারণ ও আত্নীয় স্বজনকে দানের সুপারিশ করেছে এবং  নিষেধ করেছে অশ্লীলতা, অসৎ কর্ম ও সীমা লঙ্গন করতে। 

বদলে গেছে ধর্ম ইসলামের জন্মভূমি

মুক্তকথা নিবন্ধ।। ওহুদের যুদ্ধমাঠ, আরবীয়া। অন্যছবি খুঁজতে গিয়ে হঠাৎই পেয়ে গেলাম। হয়তো ভুলে যাবো আর কোনদিন এখানে দেয়া হবে না। তাই এখনি দিয়ে দিলাম। অত্যল্প ভিডিওখানা আমারই তোলা। ছবিতে আছে আমার ছেলে মাহমুদ ও নাতনি ইরা।
হঠাৎ দেখা সবকিছুই নয়নাভিরাম হয়। ঠিক তেমনি জীবনের প্রথম দেখা পাথরের পাহাড়বেষ্টিত ওহুদের মাঠ আমার কাছে অসাধারণ মুগ্ধকর এক প্রকৃতি মনে হয়েছিল। হয়তো প্রতিদিন যারা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছেন তাদের কাছে কোন কিছুই নয়। এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে উন্নয়নের নামে যে হারে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে সৌদিতে এতেকরে আজকের ওহুদ পাহাড়কে ভবিষ্যতে হুবহু দেখা যাবে কি-না অনেক সন্দেহ রয়েছে।

video

কারণ মানুষের সুবিধা করে দেয়ার আরেক অর্থই হলো ব্যবসা। যতই মানুষের আসা-যাওয়া বাড়বে ততই ব্যবসা বাড়ে। এসবে ধর্মের কিছুই যায় আসে না। মানব ধর্মের এই মহান ব্রত নিয়ে সৌদিরা দুনিয়ার মানুষের ঐতিহাসিক সেই ‘আরাফাতের ময়দান’কে আধুনিকায়ন করতে গিয়ে এমন নমুনায় বদলে দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে আর ‘ময়দান’ দেখা যাবে না। দেখা যাবে বিশাল এক প্রদর্শনী মাঠ। সৌদিদের টাকা ছিল, তারা পারতেন পুরো আরাফা পাহাড়বেষ্টিত এলাকাকে শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষনা দিয়ে তার বাইরের দিকে নগরায়ন করা। এতে করে কোটি কোটি তীর্থযাত্রী মানুষ তাদের নিজ নিজ আবেগ অনুভুতি দিয়ে এ মহাবিশ্ব নিঃশেষ হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত অনাদি অনন্তকাল দেখতে পারতো তাদের প্রানের সেই ঐতিহাসিক ‘আরাফাতের ময়দান’কে। পুরো আরাফাতের মাঠ এলাকাকে আছোঁয়া রাখাই ছিল সকল ধর্মমতামতের মধ্যে শ্রেষ্ট। এ কাজ কোনভাবেই দুঃসাধ্য কিছু ছিল না। এ বিশ্বে এমন সংরক্ষিত এলাকা শত শত আছে। আমাদের বাংলাদেশেই বণাঞ্চলের জন্য এমন সংরক্ষিত এলাকা দু’তিনটি আছে। আফ্রিকায় গোটা বাংলাদেশের মত একটি এলাকা সংরক্ষিত আছে শুধু বন্য পশু-পাখীর নিরাপদ চলাফেরার জন্য। নবী মোহাম্মদের স্মৃতি বিজড়িত আরবের সকল এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে রাখা সৌদিদের জন্য না পারার কিছুই ছিল না। কিন্তু ওই যে তাদের ওয়াহাবি মতবাদ! তাই মানুষের অন্তরের গভীরের আবেগ অনুভুতিবোধের ইসলামকে ওয়াহাবিরা বুঝে না, বুঝতে চায়ও না।

ওহুদ পাহাড়। ছবি: মুক্তকথা

 

আরাফাতের মাঠ! কিন্তু মাঠ কোথায়? এতো সব বাড়ী-ঘর! মাঠের ভেতরেই এ আয়োজন কেনো?  ছবি: মুক্তকথা

ধর্ম ইসলামের বাংলা দাড়ায় ‘শান্তি’। জীবনের সকল কর্মে শান্তি দুনিয়ার সকল মানুষের পরম আরাধ্য বিষয়। আন্তরিকভাবে শান্তি চায় না এমন মানুষ দুনিয়ার কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই শান্তির মাঝে মনের স্থায়ী শান্তি হলো আসল শান্তি। মানুষের মনে যে আবেগ কাজ করে, আবেগের সেই কথা বা স্থান যথোপযুক্ত মানে সংরক্ষিত আছে দেখে মানুষের মনে যে প্রশান্তি আসে সেই শান্তিই আসল শান্তি। বাদবাকী সব বাইরের চাকচিক্য বিনোদনে মানুষকে তৃপ্তি দেয় যা’কে ক্ষণিক শান্তি বলা যায়। মনের জগতে অপার অনন্ত স্থায়ী মানবিক শান্তি নয়। চাকচিক্য বিনোদন মানুষকে তৃপ্তি দেয় ফলে ব্যবসা হয় অফুরান। ধর্ম ইসলামের মূল কথা ব্যবসা নয় বরং শান্তি। মানব মনের বিশাল জগতকে স্থায়ী আনন্দের হিল্লোলে ভরে রাখতে পারে যে দেখা, যে ছবি, যে কথা তাকে শান্তির উৎস বলা যায়। সেই উৎসস্থল হিসেবে আরাফাতের মাঠ বিশ্ব মুসলমানদের কাছে নির্বাক হয়ে দেখার বিষয়, অসাধারণ সুন্দর এক ঐতিহাসিক প্রান্তরের ছবি যে ছবি দেখামাত্রই কথা বলে উঠে বিশ্বমানবতার মুক্তির। তাই সকল মানুষের মনে গভীর মমতায় স্থান করে নেয়া এমন স্থানকে উন্মুক্ত সংরক্ষিত করাই হলো মূলগতভাবে ইসলাম বা শান্তির কথা। ঐতিহাসিক মহাপবিত্র সেই স্থানকে সামনে রেখে হজ্জ্ব বা দেখার নামে ব্যবসা একেবারেই নীতিবিরুদ্ধ কাজ। যা সৌদিরা করে যাচ্ছে। উন্নয়নের নামে এমন ইসলাম বা শান্তি বিরোধী কাজ নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে তারা। এতে করে দুনিয়ার মানুষকে তারা শুধুমাত্র আরামপ্রিয় আবেগি ভ্রমণকারী হিসেবে গড়ে উঠার বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ধর্ম হলো আবেগ অনুভুতি বর্জিত জ্ঞানচর্চ্চাহীন কিছু কিংবদন্তী!
হারুনূর রশীদ, লণ্ডন সোমবার ৯ই ডিসেম্বর ২০১৯সাল

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদন

video

বিনোদনের নানা রূপ

video

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্বাচন জেতার পর সম্ভবতঃ পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক অনুসারী কোন এক যুবতীর এমন নেংটা নৃত্যের আয়োজন করেন। ভিডিওটি দেখেই বুঝা যায় এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরী করা হয়েছে। নতুবা এমন ন্যাংটা নাচের আয়োজনের কারণ কি শুধুই লাম্পট্য? অবশ্যই না। এখানে অবশ্যই কিছু মানুষের মূলগত কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। নাচের এমন আয়োজন গোপনে হতে পারে। কিন্তু ভিডিও করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় স্পষ্টই বুঝা যায়, নিশ্চয়ই কোন না কোন উদ্দেশ্য রয়েছে। ভিডিওখানা দেখে বুঝার উপায় নেই এটি পাকিস্তানের না-কি ভারতের। তবে গানের কথায় পাকিস্তান শব্দটি রয়েছে এবং গানে উচ্চারিত হতে শুনা যায়। যেখানেরই হোক না কেনো এটি যে খুব একটি সুস্থতার পরিচায়ক নয় তা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একজন বান্ধব জানালেন, উদ্দেশ্য কিছুই না স্রেফ গুগলের বিজ্ঞাপন প্রাপ্তি! বিজ্ঞাপন তারা পেয়েছেন কি-না আমাদের আর জানার সৌভাগ্য হয়নি। অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষ কেমন হারে নিজের সংস্কৃতি থেকে বিচ্যুৎ হতে পারে ভিডিওখানা তারই একটি উপভোগ্য প্রমান। এ ছাড়াও নারী দেহের এমন কামরূপে উপভোগকেই মনে হয় অনাচার বলে। যেখানেই হোক এমন অনাচারটি ঘটেছে। কেউ আটকাতে যে পারেননি এটিই সত্য। নারীদের আমরা কি নমুনায় দেখতে চাই ভিডিও খানা তারও কিছুটা আভাস দেয়। সে নীতি হোক বা নীতিনৈতিকতাহীন হোক। যারা ভিডিওখানা তৈরী করেছেন তাদের আত্মিক উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বুঝা খুবই কঠিন। তবে বিগত পাকিস্তানী নির্বাচনের বেশ পরে কে বা কারা এটি আমাদের কাছে পাঠান। হয়তো তাদের উদ্দেশ্য ভারত বা পাকিস্তানকে একটু হাস্যকর হিসেবে তুলে ধরা। আমরা শুধু পাঠক সকলের সাথে এর মর্মে পৌঁছার লক্ষ্যে এখানে পত্রস্ত করলাম। হয়তো অনেকেরই কিছুটা সাময়িক বিনোদনের উৎস হলেও হতে পারে।

ইতিহাস ঐতিহ্য

ইস্তাম্বুলের রাজবাড়ী

video

ইস্তাম্বুলের ইতিহাসখ্যাত রাজমহল। সহজ কথায় রাজবাড়ী। এ বাড়ীর প্রতিটি ইট-পাথরের পরতে পরতে মিশে আছে ইতিহাসের গুঞ্জন। প্রায় ৪শত বছরের সাম্রাজ্য শাসন হয়েছে এখান থেকেই। কিন্তু রাজবাড়ীটি দেখে তেমন সান-শ‌ওকতের কিছুই পা‌ওয়া যাবে না। ইসলামী ধ্যান-ধারনার একটি জোরদার ছাপ রয়েছে রাজবাড়ীর আনাচে-কানাচে। হারেম বা মহল দেখতে অতীব সুন্দর কারুকার্যময় তবে সুপরিসর নয় বরং স্বল্পপরিসর। অনুমান ধর্মীয় বোধ কাজ করেছে এর নির্মাণে।

ইতিহাসখ্যাত বসফরাস প্রণালী

video

তুর্কীরা বলে 'মারমারা' সাগর। ইতিহাসের ইস্তাম্বুল শহর গড়ে উঠেছে 'বসফরাস প্রণালী'র উভয় তীর ঘিরে। এই বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণসাগর ও মারমারা সাগরকে যোগ করেছে। মারমারার প্রায় উত্তর তীর ঘেঁসে ইস্তাম্বুলের গড়ে উঠা। ইতিহাসের এক সময় এর নাম ছিল 'কন্স্টান্টিনোপুল'। ভিডিও: হারুন

বিশ্বমানুষের ঐতিহ্য দুনিয়ার সেরা সেরা গ্রামের একটি ‘বাইবারি’

বাইবারি

ইংল্যান্ডের দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত গ্লচেস্টারশায়ারের একটি গ্রাম “বাইবারি”। গ্রামের পাশদিয়ে প্রবাহিত কলন নদী।  ইংল্যান্ডের প্রাচীন দলিল-দস্তাবেজে বিশেষকরে বিজয়ী রাজা মহাবীর উইলিয়াম এর ১০৮৬ সালের ভূমি জরিপ হিসাবের খতিয়ান বই “ডোমসডে” পুস্তকে এই গ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছিল “বেচেবেরি” নামে। ১৩শ থেকে ১৭শ শতাব্দিতে নির্মিত প্রাচীন পদ্বতি ও নমুনার বহু বাড়ীঘর এই গ্রামে এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। “আর্লিংটন রো” এর ঘরগুলো প্রথম নির্মিত হয়েছিল ১৩৮০সালে। বিশ্বেস করা যায় যে এগুলো আজও দাঁড়িয়ে আছে। এখানের ট্রাউট মাছের খামার অনেক পুরনো। এখন বছরে ৬০ লাখ ট্রাউট পোনা উৎপাদিত হয় এই খামারে। ইংল্যান্ড তো অবশ্যই, পাশাপাশি দুনিয়ার সব বাঘা বাঘা চিত্রনির্মাতাগন এই গ্রামে এসে ছবি তৈরীর কাজ করেছেন এবং এখনও করছেন। ইউরোপীয়  ইতিহাসের পুরনো বাড়ী-ঘর বাস্তবে দেখাতে হলে এ গ্রামে না এসে পারা যায় না।

বঙ্গবাণী